ডিসক্লেইমারঃ না , দেশের প্রতি আমার কোন রাগ নাই। রাগ দেশের বাঘ গুলার প্রতি , যাদের কে আমার পকেট হইতে বছরে ১৪/১৫ লাখ টাকা দেওয়া হয়।
২০/২০, দেশে ফিরে এবার বাঘেরা আর লোকালয়ে থাকতে চাইছে না, দলনেতা সবাইরে লইয়া চিন্তা ভাবনা করিয়া সুন্দর বনের দিকে রওনা হইল, সবাইরে বুঝাইল আবার যখন শীত শুরু হইবে তখন আমরা গর্জন করিতে করিতে বাহির হইব, মাঘ ছাড়া কি আর আমরা গর্জন করিতে পারি! সুন্দর বনে ঢুকতেই শিয়াল পন্ডিত মশাইয়ের সাথে দেখা, পন্ডিত তাহাদের দেখিয়া একটু মুচকি হাসিয়া কহিল, আরে আফনেরা এই বনে, বিদেশে এত আরাম আয়েশের মধ্যে ছিলেন , চলেন আফনাদের এই বনের মহর্ষির কন্যা শকুন্তলার কাছে নিয়া যাই, দেখি উনি আফনাদের একটু আপ্যায়নের ব্যবসহা করতে পারে কিনা।
অতঃপর বিশাল আস্তানায় বাঘেরা প্রবেশ করে দেখলেন , গাছের নীচে একজন অতি রুপবতী তরুণী বসে আছে, পন্ডিত মশাই বললেন ম্যাডাম ইনারা লোকালয়ের ধাওয়া খাইয়া আফনের কাছে আইছে সাহায্যের আশায়। বাঘের দলনেতা বুঝলেন ইনিই শকুন্তলা। শুকন্তলা একটা জিনিস খেয়াল করলেন বাঘদের দেখে তার সাম্নের রাজহাস দুটি একটুও কাপঁছে না , তবে কি ওরা বিলাই! যাই হোক ওদের সামনে কিছু মাছের কাটা কুটা দিয়া আপ্যায়ন করিয়া আস্তানা ছাড়িয়া অন্দর মহলে প্রবেশ করেই শুকুন্তলা ইষৎ হাস্য করিয়া বলিল, “ এই কে কোথায় আছিস, এদের কে সাইজ কর।“


অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


