somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

এক নিরুদ্দেশ পথিক
ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব,ইইই প্রকৌশলী। মতিঝিল আইডিয়াল, ঢাকা কলেজ, বুয়েট এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র।টেলিকমিউনিকেশন এক্সপার্ট। Sustainable development activist, writer of technology and infrastructural aspects of socio economy.

গল্পের সেই রাজার হাতিটিকে বাঁচান!

২৮ শে মে, ২০১৫ ভোর ৪:২৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সরকার মহাশয়!
মানবপাচার বন্ধে সাত বিভাগে ট্রাইব্যুনাল এর চিন্তা না করে-
বিভাগে বিভাগে কর্মসংস্থান বাড়ানোর চিন্তা করেন!

অভ্যন্তরীণ বিনিয়োগ কে রাহুর গ্রাস থেকে মুক্ত করেন। নতুন ব্যবসা শুরু, দোকান দেয়া, কৃষি খামার করা, মাছ মুরগী চাষে নামা, বাস নামানো, টেম্পু রিকশা নামানো , কোম্পানি করা কিংবা নিজ পকেটের টাকায় সমাজ সেবামূলক অলাভজনক কিছু শুরু করলেই যে শকুনেরা (রাজনৈতিক বেশ্যা, পুলিশ আর প্রশাসনের ঘুষ খোরেরা) দলে দলে চাঁদা আদায় করতে আসে, তাঁদের প্রতিহত করে বেসরকারি খাতের বিকাশ কে এগিয়ে নিন।

যে মহান উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ কৃষি এবং বেসিক ব্যাংক স্থাপন করা হয়েছিল তাকে ক্ষুদ্র ঋনের কাছে বর্গা থেকে বেরিয়ে এসে দেশের কৃষিকে পরিচর্জা, উতপাদন, সংরক্ষণ, পরিবহন, বিপনন সুরক্ষা দেন, কৃষি উতপাদনের রেজিস্ট্রেশন এবং উতপাদিত পন্যের ন্যায্য মূল্য (বাজার মূল্য নয়) নিশ্চিত করেন।

কোম্পানি খোলাকে তরুন, মেধাবী, বিত্তবান, উদ্যোক্তা এমনকি স্বল্প বিত্তের নাগালে আনার জন্য প্রতিটি সিটি কর্পোরেশন, জেলা পরিষদ এবং পৌর সভায় অয়ান স্টপ সার্ভিস করে হাজার হাজার তরুনের বিজনেস আইডিয়াকে বাস্তবে রুপ দেবার প্রকল্প হাতে নেন।

কেউ কোম্পানি বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলতে চাইলে দৌড়ে গিয়ে তাকে সালাম কালাম দিয়ে ভাই ব্রেদার বলে গায়ে পিঠে হাত বুলিয়ে ধরে আনেন, নিজেই সব কাগজ পত্র করে দেন, তার মূলধনকে সুরক্ষা দেবার জন্য প্রথম ২-৩ বছর কিছু ট্যাক্স প্রনোদনা / লোকসানের উপর কিছু রিটার্ন দেন। তাকে পরিবেশ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং শোধনের, ফায়ার সার্টিফিকেশনের সুজোগ এবং গাইড লাইন দিন, বিনিমিয়ে তার আর্থিক ডেটা সংরক্ষণ করেন জাতে সে উপার্জন লুকাতে না পারে, প্রয়োজনে উদ্যাক্তা দের ব্যাংক একাউন্ট সর্বোচ্চ একটিতে সীমাবদ্ধ করে সবিধা দিন (আসলে একজন নাগিরিকের শুধু মাত্র একটি ব্যাংকে মাত্র একটি মাত্র ব্যাংক হিসেব এ থাকার কথা, এক ব্যাংক পছন্দ না হলে তিনি অন্য ব্যাংকে জাবেন কিন্তু আগের একাউন্ট বিলোপ হবে!), বিনিময়ে ট্রানজেকশন ডেটা নিয়ন্ত্রন করে লাভজনক দের কাছ থেকে উৎসে ট্যাক্স নিন। ট্যাক্স রিটার্ন হিউম্যান ইন্টারসেপ্সহন হীন, ঘুষ মুক্ত করেন, ঘুষ ভিত্তিক প্রশাসন প্রবর্তনে যে কনফ্লিক্ট অফ ইন্টারেস্ট গুলো পরিকল্পিত ভাবে আমলাতন্ত্রে ঢুকানো হয়েছে সেগুলো বিলোপ করেন, অকারনে টেবিলে টেবিলে ফাইল পাচার প্রথা বন্ধ করে।


সবার আগে নিজ দল সহ বাকী সব দলের সোনার ছেলেদের নিয়ন্ত্রন করে চাঁদা বাজি বন্ধ করেন। ব্যবসা হু হু করে বাড়বে, কর্মসংস্থান তার পিছু ছুটবে!

বিদেশী নাগরীকের চাকুরী বোন্দবস্ত কে সিস্টেমেটিক করেন, একই জব প্রফাইলে বিদেশী নিয়োগের আগে দেশী মানব সম্পদ নিয়োগের এভেইলেবিলিটি এন্সিউর করেন। বিদেশী নাগরিকের জব কে অয়ার্ক পার্মিটের আওতায় আনেন। অয়ার্ক পার্মিট প্রদানের বিনিয়োগ বোর্ডের মিটিং ছয় বা তিন মাসের না করে সপ্তায় সপ্তায় করেন, নিয়মিত কার্জতালিকায় স্থান দেন।

দুর্নীতি রোধ করে প্রকল্প ব্যয় বহুগুনে কমিয়ে সরকারের আর্থিক সক্ষমতা বাড়ান। একই টাকা দিয়ে বহু প্রকল্প বহু কাজ করা যাবে।

চুরি বাড়লে বেশি পুলিশ নিয়োগ, দুর্নিতি হলে বেশি বেশি নিয়ন্ত্রন কমিটি করা, অপরাধ হলে মামলা না করে তদন্ত কমিটি করা, বেশি কাজের কথা বলে সংসদে আসন বাড়ানো - মন্ত্রী পর্ষদ কে হাতির পরিবারের মত ঢাউস সাইজে আনা, কথায় কথায় কেন্দ্রীয় মনিটরিং এর কথা বলে একটার পর আরেকটা রেগুলেটরি বডি করা, বিচারের কথা বলে আলাদা দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল করা, জননিরপত্তার কথা বলে নতুন নতুন আইন করা- এইসব অনাচার থেকে আল্লাহ্‌র ওয়াস্তে শাসন ব্যবস্থা কে মুক্তি দিন। গল্পের রাজার উপহার পাওয়া অতি প্রিয় হাতির সুরক্ষায় বেশি লোক নিয়োগ না দিয়ে, হাতিটাকে বাঁচান!


চাঁদাবাজি মুক্ত আর্থিক ব্যবস্থাপনার বিকাশ করুন! পেমেন্ট সহজ করুন, হয়রানি মুক্ত করুন।

কর্মসংস্থান দৌড়ে দৌড়ে জুবকদের কাছে আসবে।
বিভাগে বিভাগে ট্রাইব্যুনাল করতে হবে না তখন!

দরিয়ায় ঝাপ দিতে হবে না কারো, ভিক্ষা কিংবা অশোভন কাজ করতে হবে না কারো পরের দুয়ারে গিয়ে।
আপনাদেরও (রাষ্ট্রের বললাম না, সরকারেরই বললাম) আর্থিক সক্ষমতা বাড়বে,
নাগরিকও লজ্জা গ্লানি অপমান আর মিরত্যুর হাত থেকে রেহাই পাবে!


আপনাদের সদয় হৃদয় জাগ্রত হোক!
বাংলাদেশ এগিয়ে যাক!
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে মে, ২০১৫ ভোর ৪:৪৩
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

জিন্নাহ পর্ব-২

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ০৫ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:২৯



এবার জিন্নাহর পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা সম্পর্কিত বিতর্কিত বক্তব্যে আসা যাক। জিন্নাহ জন্মসূত্রে গুজরাটি ছিলেন এবং কেবল ইংরেজি ও গুজরাটি ভাষা জানতেন। তিনি উর্দু বলতে পারতেন না। সেক্যুলারিস্ট জিন্নাহ যেহেতু ব্যক্তিজীবনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

যাকে শত্রু ভাবছেন, সে হয়তো আপনার জীবনের একজন পথপ্রদর্শক

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৫ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৭

গানঃ সামু একটি ছোট নৌকা
https://suno.com/s/ckWb25lfp1xBLIzc
==============



একটা পুরনো গল্প বলি। একটি বনে কিছু বাঁদর আর বেবুন বাস করতো। সেই বনের পাশেই একটি ভুট্টার ক্ষেত ছিলো। বাঁদর আর... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলা ভাষা সংস্কৃত ভাষার উপভাষা নয়

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৫ ই অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৩৩


বাংলা ভাষা একটি স্বতন্ত্র ভাষা। বাংলা ভাষা সংস্কৃত ভাষা থেকে আসে নাই, এটা মেনে নিতে হবে। কারণ, ইতিহাসে আছে, ভারতবর্ষে আর্যদের আসার আগেও 'বঙ্গ' নামের একটি অত্যন্ত সমৃদ্ধ একটি ভূমি'র... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইসলামের জ্ঞানদীপ : যুক্তির আরব্য-ফারসী নবযাত্রা প্রজ্ঞার জয়ধ্বনি বিজ্ঞান ও যুক্তির মহাকাব্য -৩য় পর্ব

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ০৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১:১৭

জাতীয় জন্মসনদে ভুলের ভূত আর সাভারের জালিয়াতি চক্র: সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কি কোনোদিন থামবে না?

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১২:০০



আজ ৬ অক্টোবর, জাতীয় জন্ম ও মৃত্যুনিবন্ধন দিবস। এবারের প্রতিপাদ্য ঠিক করা হয়েছে—‘নির্ভুল নিবন্ধন, নিশ্চিত হবে সুশাসন’। অথচ বাস্তবতা যেন এই স্লোগানের একদম উল্টো! সরকারি নথিতে যখন সাধারণ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×