somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

এক নিরুদ্দেশ পথিক
ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব,ইইই প্রকৌশলী। মতিঝিল আইডিয়াল, ঢাকা কলেজ, বুয়েট এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র।টেলিকমিউনিকেশন এক্সপার্ট। Sustainable development activist, writer of technology and infrastructural aspects of socio economy.

ভোটগ্রহণে ইভিএম পদ্ধতির সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৭ রাত ১১:৫৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বিবদমান ও কলহপূর্ণ রাজনৈতিক কালচার এবং ভয়ঙ্কর সব নির্বাচনী অপরাধের দেশে শান্তিপূর্ণ ক্ষমতা হস্তান্তর অতীব গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক স্থিতাবস্থা, টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও দেশী-বিদেশী বিনিয়োগের পূর্বশর্ত। রাষ্ট্রীয় সম্পদের নয়ছয়, অব্যবস্থাপনা, অর্থ লোপাট কিংবা ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে হীনতার প্রতিদ্বন্দ্বিতায় লিপ্ত দুই দল চোরের মাঝে একটিকে বা দুজন দুর্বৃত্তের মাঝে একজনকে বেছে নেয়ার বারবার চেষ্টা এবং বহুবার এই একই সেন্সলেস ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে যেতে যেতে বাংলাদেশের সাধারণ নাগরিক খুব ক্লান্ত। আমরা জেনেছি যে, সর্বশেষ ক্ষমতার স্বাদ পাওয়া চোরটি সবসময়ই বহুগুণে প্রবল পরাক্রান্ত হয়ে রাষ্ট্র লুটে আবির্ভূত হয়। তাই অপেক্ষাকৃত ছোটটিকে বেছে নেয়ার এ লজ্জাকর খেলার সমাপ্তি দরকার। দরকার একটি মৌলিক পরিবর্তন।

ভোটগ্রহণ পদ্ধতির সংস্কার তাই বহু জরুরি বিষয়ের ওপরের সারির একটি। বিগত বছরগুলোয় ইভিএম ট্রায়াল হয়েছে। দেশীয় প্রযুক্তির বিকাশে এটি গর্ব করার মতো আবিষ্কার আমাদের তরুণ প্রকৌশলীদের। কিন্তু সমস্যা হলো, এটি আসলে উন্নত আইন-শৃঙ্খলা ও নাগরিক মর্যাদার দেশে খুব ভালো কাজ করবে, যেখানে বলপ্রয়োগে অন্যের ভোট জোর করে দিয়ে দেয়ার বা ভোটের পূর্বরাতে ক্যাডার দিয়ে ব্যালট ছিনতাই করে সিল মারার মতো অপরাধ ঘটে না। আমাদের দেশের সোনার ছেলেরা নির্বাচনের পূর্বরাতে ভোটার নম্বর ধরে ধরে ইলেকট্রনিক ভোট দিয়ে দেয়ার গুরুদায়িত্ব নিজেরাই খুব দ্রুত সেরে নেবে। এটা ব্যালট সিলের মতো নয়, তাই সাংবাদিকরাও রিপোর্ট করার রেফারেন্স খুঁজে পাবেন না।

বর্তমানের ইভিএম মেশিন ভোটার নম্বর ধরে ধরে বিভিন্ন প্রতীকের বিপরীতে অ্যাসাইন করা কোডে ভোট দেয়ার মেশিন। এটা প্রশাসনিক জালিয়াতি বা জালিয়াতির ইচ্ছার বিপরীতে প্রটেকশনহীন। এ সময়ের ভোটভিত্তিক দুর্বৃত্তপনার বিপরীতে অনিরাপদ।

তবে যদি ইভিএমে ইনডিভিজ্যুয়াল ভোটার আইডেন্টিটির প্রটেকশন মেকানিজম সংযোগ করা যায়, তাহলে ভোট চুরির লাগামহীনতা রোধে তা কার্যকর হতে পারে। আইডেন্টিটি দুই ধরনের হতে পারে—

১. একটা হলো প্রতি ভোটারের পিন কোড বা পাস কোড, যা গোপন চিঠিতে বা মেইলে আগেই বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়া হবে।

স্বল্পশিক্ষিত বা অশিক্ষিত নাগরিকের অনেকের জন্যই পিন পাস ঝামেলাপূর্ণ হতে পারে। সেক্ষেত্রে নাগরিককে ‘কিউ আর’ কোডের ব্যালট পাঠানো যায় (তবে সেক্ষেত্রে ইভিএম কিউ আর রিডিং সক্ষমতায় আসতে হবে, সেটা আবার খরুচেও)। কিউআর কোডসংযুক্ত ব্যালট স্ক্যান করলে তার ন্যাশনাল আইডির ডাটা চলে আসবে। ফলে ভোটার ভেরিফাইড হবে এবং এভিএমে ভোট দিতে পারবেন।

২. অন্যটা হলো, বায়োমেট্রিক ফিঙ্গার প্রিন্ট বা আইরিশ স্ক্যান। এখানে ডিজিটাল বা অ্যানালগ কোনো ধরনের পেপার ব্যালটের ঝামেলা নেই।

তবে বায়োমেট্রিক সিস্টেম দ্রুতগতিতে ভোট কাস্ট করতে প্রতিবন্ধক হবে। বাংলাদেশের বহু কায়িক শ্রমিকের ফিঙ্গার স্ক্যান রিডেবল হবে না। অন্যদিকে আইরিশ স্ক্যান ফিঙ্গার প্রিন্টের ইনপুট থেকে সময়সাপেক্ষ। সেক্ষেত্রে একই পোলিং সেন্টারে বহু পোলিং বুথের দরকার পড়বে এবং বেশিসংখ্যক বায়োমেট্রিক সক্ষমতার ইভিএম লাগবে, যা নির্বাচনী খরচ লাগামহীন করবে। অর্থাৎ ইভিএমের খরচের মডেল অবাস্তব হয়ে উঠবে।

অন্যদিকে ব্যাকগ্রাউন্ডে উচ্চসক্ষমতার ইভিএম ম্যানেজমেন্টে বেশি বেশি স্কিল্ড লোকের দরকার। সব মিলে ইভিএম অত্যধিক ব্যয়বহুল। তবে বর্তমানের দেশীয় প্রযুক্তিতে কতটা সাশ্রয়ীভাবে কিউআর কোড বা বায়োমেট্রিক ডাটা রিডিং ক্যাপাবল (সক্ষমতা) ইভিএম তৈরি করা যাবে, তার অ্যানালাইসিসও করা চাই সবার আগে। সেই ভিত্তিতে গবেষণা, কস্ট মডেল, প্রডাকশন পরিকল্পনা ও অর্থ বরাদ্দের উদ্যোগ নিতে হবে।

বায়োমেট্রিক সিস্টেমের আরেক সমস্যা হচ্ছে, উভয় আইডেন্টিটির প্রয়োগ ক্ষেত্রেই ব্যক্তি ভোটার কোন মার্কায় ভোট দিয়েছেন তা বের করে ফেলা যাবে ভোট পরবর্তীতে, যদি না আইডেন্টিটির বিপরীতে প্রদত্ত ভোটের ম্যাপিং সিস্টেমে জমা না করা হয় (সেভাবে সিস্টেম সফটওয়্যার ডিজাইন করা লাগবে)। তবে এটা নাগরিক নিরাপত্তায় খুব ক্রিটিক্যাল ব্যাপার।

আবার আইডেন্টিটির বিপরীতে প্রদত্ত ভোটের ম্যাপিং সার্ভার সিস্টেমে জমা না করার অসুবিধা হলো, ভোট চলার সময়ে ইভিএম হ্যাং করলে এরই মধ্যে প্রদত্ত ভোটের হিসাব পাওয়া ঝামেলার হবে কিংবা ভোট রি-কাউন্টে সমস্যা হবে।

সব মিলিয়ে একদিকে পাস কোডবিহীন ইভিএম ভোট ডাকাতি ত্বরান্বিত করবে, সুরক্ষাহীন সফটওয়্যার ডিজাইন ভবিষ্যতে নাগরিককে রাজনৈতিক হয়রানির উপলক্ষ তৈরি করবে, অন্যদিকে উচ্চকারিগরি সক্ষমতার ইভিএম তৈরি ও মেইনটেন্যান্সও ঝামেলাপূর্ণ এবং বেশ খরুচে।

বাংলাদেশে প্রশাসনের কাছে প্রায় শতভাগ নাগরিকের ডিজিটাল ডাটা আছে। আছে অ্যাড্রেস, ন্যাশনাল আইডিতে বায়োমেট্রিক ফিঙ্গার প্রিন্ট, এমনকি আইরিশ স্ক্যানও আছে। অন্যদিকে বাংলাদেশে নাগরিক ডাটার গোপনীয়তা রক্ষায় ইউরোপীয় ‘General Data Protection Regulation- GDPR’-এর আদলে কোনো নাগরিক ডাটা সুরক্ষা আইন তৈরি হয়নি। তাই আসলেই প্রশাসন নাগরিকের ডাটা সিকিউরিটির সর্বোচ্চ গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা না দিলে অপরাধপ্রবণ এবং দুর্বৃত্ত রাজনৈতিক সংস্কৃতির দেশে ইলেকট্রনিক ভোটের মতো অত্যাধুনিক সিস্টেমও খুবই বিপদের। কারিগরি উদ্ভাবক ও ব্যবস্থাপকদের জন্য এটি একটি বিশাল হতাশার ব্যাপার বটে।

ক্লাসিক্যাল ভোটগ্রহণ পদ্ধতির সংস্কার

ভোট প্রদানের বর্তমান অপরাধ প্রবণতা, ইভিএম অটোমেশন, ইভিএমে সিটিজেন আইডেন্টিটি সন্নিবেশ জটিলতা ও খরচ এবং ডাটা প্রটেকশন সবকিছু বিবেচনায় রেখে টেকসই ভোটগ্রহণে ইভিএম পদ্ধতির বিকল্প নিয়েও ভাবতে হবে। উন্নত দেশগুলো সর্বেসর্বা কারিগরি সক্ষমতা অর্জন করেও ভোটিং সিস্টেমকে ব্যালটভিত্তিকই রেখেছে। হ্যাঁ, এখানে কিছু অসাধারণ প্রটেকশন ট্রান্সপারেন্সি সংযুক্ত করে জালিয়াতি নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা করেছে। সত্যিকার অর্থে ব্যালটভিত্তিক ভোটগ্রহণ পদ্ধতি নাগরিককে সম্মানিত বোধে রাখার রাষ্ট্রীয় চর্চা। তাই এ কালচার প্রতিষ্ঠা পাওয়ার শুভবোধ ও চর্চাও রাজনীতিতে থাকা চাই। এ লক্ষ্যে কিছু প্রস্তাবনা এ রকম হতে পারে—

কিউ আর কোডভিত্তিক ডিজিটাল ব্যালট পেপার

১. নির্বাচন কমিশন ‘কিউ আর কোড’ সংযুক্ত ডিজিটাল ব্যালট পেপার ঘরে ঘরে পাঠিয়ে দেবে গোপনীয় সিলগালায় সরকারি পোস্ট অফিসের মাধ্যমে। সঙ্গে প্রার্থীর যোগ্যতা, পরিচিতি ও অঙ্গীকারনামা থাকবে (এর বিপরীতে ব্যক্তি উদ্যোগের পোস্টার বন্ধ হবে)। নাগরিক সিটিজেন আইডি ও ডিজিটাল ব্যালট নিয়ে কেন্দ্রে যাবেন। বুথ প্রশাসন আইডি ও ব্যালট যৌথভাবে ভেরিফাই করে প্রার্থীকে ভোট দিতে অনুমতি দেবে। ফলে বৈধ ভোটার হিসেবে তিনি গোপনীয় কামরায় প্রবেশ করে নিজ পছন্দের প্রার্থীকে সিল দিয়ে ব্যালট জমা দেবেন।
বুথ প্রশাসনের যৌথ আইডি ও ব্যালট ভেরিফিকেশন রেকর্ড ও লগ অত্যন্ত সহজেই কিউ আর রিডেবল ডিভাসে জমা রাখা যাবে। এতে করে মোট জমা কৃত ব্যালটের বিপরীতে ভেরিফিকেশন কাউন্ট মিলিয়ে অবৈধ ভোটের ধারণা পাওয়া যাবে। (যদি থেকে থাকে!)

এই ভেরিফিকেশন প্রসেস শুধু ব্যালটের কি আর কোড এবং ভোটার আইডি শুধু ভেরিফাই করবে, এর পরবর্তি স্টেইজেই শুধু ব্যক্তি ম্যানুয়ালি গোপন ব্যালটে ভোট দিবে। এতে ভোটার কোন প্রার্থীকে ভোট দিয়েছে তা রেকর্ডেড হবে না, ফলে নাগরিক নিরাপত্তার বিষয়টি সিকিউরড হবে।


ডিজিটাল ব্যালটের এ পদ্ধতি প্রয়োগ করে বিদেশে বাংলদেশ মিশন ও দূতাবাসে পোলিং সেন্টার বানিয়ে প্রবাসীদের ভোটের আওতায় আনা খুবই জরুরি।

মোবাইল ভোটিং

২. দেশে আইন-শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা পেলে, নির্বাচনী অপরাধের লাগাম টেনে ধরা গেলে রেজিস্ট্রেশনসাপেক্ষে রিয়েল টাইম পিন কোড ও হার্ড কপি ব্যালটের যৌথ প্রটেকশনসহ মোবাইলে ভোটিংয়ের অপশন আনা যায়, যাতে ভোটকেন্দ্রের লাইন ও নির্বাচনী খরচ ছোট করে আনা যায়। এখানে মোবাইলের ‘ইউএসএসডি’ টেকনোলজি ব্যবহার করা যায়। অথবা স্মার্টফোনের অ্যাপ দিয়ে এটা করা যায় (তবে এখানে ব্যক্তি ভোটারের ভিজ্যুয়াল ভেরিফিকেশন খুবই নাজুক। স্থানীয় নেতারা ভোট কিনে মোবাইল ফোন দখলে নিয়ে বাল্ক রেজিস্ট্রেশন করে নিজেরাই ভোট দিতে পারেন)।

অনলাইন ভোটিং

৩. পরবর্তীতে আসতে পারে রেজিস্ট্রেশনসাপেক্ষে আগাম ভোটিং ও অনলাইন ভোটের মতো বিষয়গুলো। তবে ডিজিটাল ব্যালট শুধু ই-মেইলে পাঠালে সেখানে জালিয়াতি হবে (ভোটারের নামে ই-মেইল আইডি খুলে রেজিস্ট্রেশন করে ভোট দেয়ার মহড়া হবে)। অনলাইন ভোটিং ভেরিফিকেশন ই-মেইল বিষয় বাধ্যতামূলক রাখা যাবে)।

দেশের অর্থনীতির প্রাণভোমরা প্রবাসীদের ভোটাধিকার ই-মেইল ভোটিং পদ্ধতিতে সহজ, নিরাপদ ও ঝুঁকিহীন। সিকিউরড পাস কোড নিয়ন্ত্রিত ই-মেইল ভোটিং কিংবা আগেই রেজিস্ট্রেশনসাপেক্ষে ডাক মারফতের ব্যালট পাঠিয়েও এটা সহজেই বাস্তবায়নযোগ্য।

অর্থাৎ দুর্বল পক্ষের প্রিজাইডিং অফিসার বের করে দেয়া, ব্যালট ছিনতাই, ভোট বাক্স ছিনতাই, আগের রাতেই সিল মেরে বাক্স ভরার দুর্বৃত্ত কাজগুলোর স্কোপই ক্লোজ করে দিতে হবে। নইলে টেকসই ভোটগ্রহণ পদ্ধতি প্রবর্তন করা যাবে না। তবে ব্যালট প্যাপার খুব বেশি আগে পাঠালে কিংবা মোবাইল ভোটিং অথবা ই-মেইলের পাস কোড ডাকযোগে খুব বেশি আগে পাঠালে ভোট বিক্রি নগদ হয়ে উঠতে পারে, তাই এ কাজ ন্যূনতম সময় আগে করা যায়। অর্থাৎ নির্বাচনী প্রচারণা অফিশিয়ালি বন্ধের ঠিক পর স্থানীয় পোস্ট ব্যালট ও পাস কোড ভেরিফিকেশনের চিঠি নির্বাচনের ঠিক ২৪ ঘণ্টা আগে বিলি শুরু করবে। সব মিলে ভোটকেন্দ্রিক দুর্বৃত্ত কাজগুলোর গলা টিপে ধরা অটোমেশন বাস্তবায়ন করতে হবে। নইলে টেকসই ভোটগ্রহণ পদ্ধতি প্রবর্তন অধরাই থেকে যাবে।

ক্লাসিক্যাল ভোটগ্রহণ পদ্ধতির কার্যকর সংস্কারে প্রচার ব্যবস্থা পাল্টাতে হবে

প্রার্থীরা নিজেরা কোনো ধরনের পোস্টার, লিফলেট, ব্যানার কিংবা দেয়াল লিখন করতে পারবেন না। শুধু গণসংযোগ করতে পারবেন, যার ভিত্তি হবে দুটি—

ক. নির্বাচন কমিশনে জমা দেয়া নির্বাচনী ম্যানিফেস্ট/অঙ্গীকার।

খ. শুধু নির্বাচন কমিশনের পাবলিশ করা প্রার্থী পরিচিতি। এর বাইরে কোনো ধরনের আন-অথরাইজড তথ্যসংবলিত পোস্টার, লিফলেট গণসংযোগে ব্যবহার করা যাবে না।


ব্যক্তি ভোটার পত্রিকায় নির্বাচনী বিজ্ঞাপন দিতে পারবেন না, শুধু দল পারবে; যার বিপরীতে দলের আর্থিক উৎস চেক করা হবে এবং সেখানে ভ্যাট প্রযোজ্য হবে। অর্থাৎ চাঁদাবাজির টাকায় অথবা অবৈধ উপার্জনে ঘুষ, অর্থের বিনিময়ে ভোট কেনা, এমনকি কাগজ-পরিবেশ ধ্বংসের শেইমফুল ও মিথ্যায় ভরা প্রচারণার টুঁটি চেপে ধরতে হবে কৌশলে এবং সিস্টেমেটিক অটোমেশনে।

নির্বাচনে ‘না’ ভোট

নির্বাচনে ‘না’ ভোটের বিধান এমনভাবে থাকবে, যাতে তিন ভাগের এক ভাগ ভোটার ‘না’ ভোট দিলে সব প্রার্থীকে অযোগ্য ঘোষণা করে নতুন প্রার্থীতে নির্বাচন ঘোষণা করতে হবে। চোর ও লুণ্ঠনকারী হটানোর জন্য এ পদ্ধতি সমালোচনা সত্ত্বেও গ্রহণ করতে হবে। এর বাইরেও ‘না’ ভোটের বিধান দিয়ে বলপ্রয়োগে বাধ্য করা একদলীয় ভোট শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিহত করা যাবে।

রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান মাথা তুলে দাঁড়াক,
বাংলাদেশ এগিয়ে যাক!


লিখকের কন্সেপচূয়াল আর্টিক্যাল, বণিক বার্তায় প্রকাশিত। (২৮-১২-২০১৭)
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৭ রাত ১১:৫৮
৬টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মানবতা, সাম্য ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনে জাতীয় কবি নজরুলের চিরন্তন আহ্বান

লিখেছেন মোঃ ফরিদুল ইসলাম, ০৪ ঠা আগস্ট, ২০২৬ রাত ৮:০৪

বাংলা সাহিত্য-সংস্কৃতির ইতিহাসে কাজী নজরুল ইসলাম এমন এক বিরল ব্যক্তিত্ব, যিনি একই সঙ্গে কবি, সাহিত্যিক, সাংবাদিক, সংগীতজ্ঞ, দার্শনিক ও সমাজসংস্কারক। তাঁকে শুধু “বিদ্রোহী কবি” বললে তাঁর পরিচয় সম্পূর্ণ হয় না;... ...বাকিটুকু পড়ুন

Humans are (not) from Earth- তবে কি আমরা মহাবিশ্বের ভৃত্য?

লিখেছেন শেরজা তপন, ০৪ ঠা আগস্ট, ২০২৬ রাত ৮:৫৫

Humans are not from Earth: A Scientific Evaluation of the Evidence বইটির লেখক ডক্টর এলিস সিলভার (Dr. Ellis Silver)-এর ব্যক্তিগত ও একাডেমিক জীবন নিয়ে মূলধারার তথ্যমাধ্যমে এক ধরনের রহস্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ অবস্থার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ-পর্ব ২

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ০৫ ই আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৭:০১


বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ: মধ্যপ্রাচ্যনির্ভর রেমিট্যান্স কৃষিভিত্তিক শিল্পায়ন ও টেকসই উন্নয়নের বিকল্প কৌশল
একটি অর্থনৈতিক ও ভূ-রাজনৈতিক ফিজিবিলিটি স্টাডি ।

একটি ধারাবাহিক গবেষনামুলক পোস্ট
[link|https://www.somewhereinblog.net/blog/ali2016/30393976|প্রথম পর্বে থাকা গবেষনাটির পটভুমির লিংক – পর্ব... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা ইতিহাসের ছিন্নপত্র...

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০৫ ই আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১০:০৩



আমরা ইতিহাসের ছিন্নপত্র...

২০১০, এক-এগারোর পর থেকে ৩৬ জুলাই পর্যন্ত- যারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে রাজপথে দাঁড়িয়েছিল, যারা গুম, নির্যাতন, কারাবাস, মামলা, চাকরি হারানো, পরিবার ভেঙে যাওয়া- সবকিছুর মূল্য দিয়েছে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকীর ভাবনা

লিখেছেন ইফতেখার ভূইয়া, ০৫ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৫৭


আজ দেশজুড়ে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী পালিত হচ্ছে। ২৪ -এর জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের বিভ্ন্নি সময়ে বহু নিরীহ প্রাণ অকালে ঝরেছে। আবু সাঈদ, মুগ্ধ ছাড়াও নাম জানা-অজানা হাজারো ব্যাক্তি তাদের প্রাণ হারিয়েছেন।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×