প্রযুক্তি ও ইতিহাসের বিবর্তনে অনেক কিছু বদলায়।
বাংলাদেশে তথা গোটা দক্ষিন - এশিয়ার চরিত্র এর থেকে ভিন্ন কিছু নয়।
পাকিস্তান আমলের বিয়ের কথা - বার্তায় বর যদি নব্য সরকারী চাকুরী করতেন, তখন পাত্রী পক্ষ ঘটকের কাছে (শোন কথা, সবার জন্য প্রযোজ্য নাও হতে পারে) জানতে চাইতেন, "উপরি আছে তো?"
ছোট বেলায় ঐ প্রথম "উপরির" কথা জানা।
বড় হয়ে সরকারী চাকুরীতে উপরির নানা দিক দেখলাম, শ্রমিক লীগ ও শ্রমিক দল কি ভবে সংবদ্ধ ভাবে রাজনৈতিক নেতার ছায়াতলে চাঁদাবাজি বা উপরি আদায়ে বাধ্য করে তাও দেখতে হোল।
বর্তমানে "ডিজিটাল বাংলাদেশের" উপরির নমুনার কিছু উদাহরন নিচে দেয়া হোল:
১। পৌরসভায় জন্ম নিবন্ধন করতে হলে শুনবেন
"সার্ভার ডাউন"
ঠিক করতে (১০০ টাকা দিলে হবে, ওপেন)
২। পাসপোর্ট অফিসে, আবেদন পত্র (সব ঠিক থাকলেও কিছু ছুতা বের করবেই "উপরির" জন্য)
"আপনার নাম ঠিক ভাবে এন্টৃ করা যাবে না; ঠিক কইরা নিয়া আসেন;
তাৎক্ষনিক ঐ জায়গায় ঠিক করতে, (একটু দূুরে গিয়ে নির্দিষ্ট পুলিশের কাছে ১০০০+ এক হাজারের কিছু বেশি দিলে সব ঠিক তারাই করে দেবে)
৩। পাসপোর্ট ফেরত আনতে শুনতে হবে
"নেট ডাউন", আপনার সিরিয়াল পাওয়া যাচ্ছে না।
"নেট আপ" করে ১০০ টাকা লাগবে নুন্য তম।
৪। নাগরিকত্ব কার্ড ও অন্যান্য একই ধরনের কাজে যেখানে সরকার "সার্ভার ও নেট" লাগিয়েছেন, আপনাকে নুন্যতম
সার্ভার আপ করতে ১০০ টাকা
নেট আপ করতে ও ১০০ টাকা লাগবে।
এর কম "উপরি" দিলে নেট ও সার্ভারের পছন্দ নাও হতে পারে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




