somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

শুভলগ্ন , অপেক্ষার আর্তি ।

৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


সকালে ঘুম ভাঙ্গতেই মনে পড়ল লাবনীর আজ ২৬ তারিখ , আগামীকাল দুপুরে আবীরের ফ্লাইট , চলে যাবে দূরদেশে । মনে হতেই কেমন অবশ লাগতে লাগল শরীর । গতরাতে ঘুম আসবার আগ পর্যন্ত কত কথা মনে পড়েছে তার ।
আবীরের হঠাৎ করে দেশে আসতে হোল , তার পারিবারিক প্রয়োজনে । বছরের এ সময়ে তার দেশে আসা হয়নি কখনো আগে ।
হঠাৎ করেই তো উল্কা পড়ে পৃথিবীর বুকে , অকস্মাৎ একদিন ভূমিকম্প হয় তুমুল স্পর্ধায় ! থেমেও যায় ক্ষনিক পরে । আবীরের দেশে আসবার কথা শুনে ভূমিকম্প শুরু হোল লাবনীর বুকের যমিনে , প্রাত্যহিক জীবন যাত্রায় । থামল না বরং উত্তোরত্তর বেড়েই চলল কম্পন । পাসপোর্টের ঝামেলা নেই কোন , আবীর তার কত কাছে , এই দেশে । বিবেক , সমাজ ,সংস্কার তাদের জন্য যে বাঁধ নির্মান করেছে , সেটা তারা তুচ্ছ করে না ; সেই সুউচ্চ বাঁধের উপরে ভাল লাগার প্রাসাদ গড়ে নিয়েছে শক্ত গাঁথুনীতে ।
আবীরের চলে যাবার দিন এগিয়ে আসতে থাকে । ক্যালেন্ডারের পাতায় সবচেয়ে উজ্জ্বল কেন মনে হয় তার চলে যাবার তারিখ । আগে বলেছিল , যাবার আগে কথা বলবে লাবনীর সাথে । লাবনী কল্পনা করে আবীরের সামনে গিয়ে দাড়িয়েছে সে , চোখ তুলে প্রানভরে দেখছে সে আবীরকে ; লাবনীর হাত আবীরের হাতে -- সমর্পনের ভাষা তাদের ! বাস্তবে লাবনী জানে অসাধ্য এ কাজ ! আবীরের চোখে তাকিয়ে থাকবার মত দু:সাধ্য কাজ আর দ্বিতীয়টি নেই তার জন্য । আর আবীর ? সাহসী সুপুরুষ আবীর কি কোনদিন পেরেছে লাবনীর চোখের ভাষা পড়ে নিতে তার চোখের অতলান্তে ডুব দিতে !
আবীর আছে কাছে কোথাও ! আনন্দ বীণায় ঝংকার তুলে সংসারে ছুটে বেড়ায় লাবনী , খুটিনাটি সব কাজে গভীর মনোযোগ দেবার ভান করে । সে জানে তার সব মনোযোগ কে নিয়েছে কেড়ে ! এতবড় পৃথিবীতে !
বিছানা ছাড়ে লাবনী , সকাল থেকে আজ আরো ব্যস্ততা খোঁজে সে । ছুটির দিনে বর বাড়িতে আজ । বর সহপাঠি ছিল তার , এখনও আছে বন্ধুসুলভ ; লাবনীর সুখ সুবিধার জন্য তার নজরদারী , খবরদারীর কমতি নেই কোন ।
আবীরও তার সহপাঠি ছিল , অন্য সব সহপাঠিদের সাথে কত সহজ সম্পর্ক আর যোগাযোগ লাবনীর । অথচ আবীরের ক্ষেত্রে তেমনটি নয় । কিন্তু কেন ? ভেবে পায় না লাবনী । আবীর কি নিজে থেকে তার বউকে এমন কিছু বলেছে যা ছিল তার একান্তমনে , গোপনে ! যে কারনে আজ আবীর অন্য সব সহপাঠিদের মত আচরন করতে পারছে না ।
লাবনীর মনের আকাশে মেঘ জমে ঘন , অঝোরে বৃষ্টি নামবে কি আজ ! বিকেলে বেড়াতে বের হয় ওকে নিয়ে ওর বর । শহরের কোলাহল ছেড়ে দূরে । আশুলিয়ার পথে যেতে যেতে দুপাশের জলাধার , মেঘভরা আকাশ লাবনীর মনের ছবি আঁকে । গাড়ীর জানালায় চোখ রেখে ঝাপসা চোখে দিগন্ত পারে কাকে যেন খোঁজে বার বার ।

কাল চলে যাবে আবীর , অনেকদিনের জন্য । যাবার আগে ফোন করল না ; না করুক । লাবনী আর কোনদিন কথা বলবে না আবীরের সাথে । আর কত কষ্ট দেবে সে লাবনীকে ! মনে হয় পৃথিবীর সব ভাল , সবাই ভাল একমাত্র আবীর ছাড়া । তার মত এত কষ্ট তো তাকে কেউ দেয়নি অথবা লাবনী অন্য কোনজনকে এমন করে সুযোগ দেয় নি কষ্ট দেবার ! আপন মনে বলে , ' আবীর তুমি একটুও ভাল না , তোমার কোন ক্ষমা নেই , তোমাকে আমি চিনি না , কোনদিন আর খোঁজ করবে না আমার ' ।

অনেকটা পথ যেতে আমানের ফোন , সহপাঠি ছিল লাবনীদের । আবীরের ঘনিষ্ট বন্ধু । বলল , লাবনীদের বাসার কাছে এসেছে একটা কাজে , ওরা থাকলে বেড়াতো ওদের বাসায়। কোনদিন আসেনি এ বাসায় আমান ; লাবনী আর ওর বর ফিরে এল । লাবনীর কষ্ট অনেকটাই কমে যায় আমানকে দেখে , আবীরের ঘনিষ্ট বন্ধু বলে , আবীরের কাছের একজন বলে । এক সময় বলে আমানকে , ' আজ ভীষন মন খারাপ আমার , তোমাকে দেখে ভাল লাগছে , কারনটা আজ বলব না , ১০ বছর পরে বলব যদি বেঁচে থাকি '। আমান কিছু বুঝল বলে মনে হল না ।

রান্না ঘরে ব্যস্ততার মাঝে মোবাইল বেঁজে উঠল ; মোবাইলে আবীরের নাম দেখে রাগ , দু:খ সব কিছু অভিমান হয়ে বেরিয়ে এল । কান্নায় কন্ঠস্বর চাপা পড়ে গেল । বলল , ' কাল না চলে যাবে , কই ফোন করেছো ? আমি কত অপেক্ষায় থেকেছি ।'
আবীর : কেন এই যে করেছি , তোমাকে আমি বলেছিলাম না ফোন করব। আমি কি তোমার সাথে কথা না বলে চলে যেতাম ? আসলে একসাথে দুটো কাজ করতে পারি না আমি । এখন বারান্দায় চা নিয়ে বসেছি তোমার সাথে কথা বলব বলে ।
লাবনী শুনতে পেল সেই হাসির শব্দ যা তার সব ভুলিয়ে দেয় । রাগ অভিমান সব পানি করে দেয় । তবু বলল , ' হ্যা , চলে যেতে দেশ ছেড়ে আর পরে বলতে স্যরি , রাগ করো না যোগাযোগ করতে পারি নি আমি ' ।
আবার হাসল আবীর । তর্ক করল না , এই এক স্বভাব আবীরের , কেবল মেনে নেয় , প্রতিবাদ করে না । অনেকবার রাগ করে কথা বলতে গিয়ে উল্টো নিজের উপরে রাগ করতে হয়েছে । অনেক রাগ জমিয়ে রাখলেও লাবনী ঠিক জায়গায় পৌছে দিতে পারে না সে রাগ , মানুষটা আবীর বলে । সুচতুর সে । এভাবে চিরকাল হারিয়ে দেয় লাবনীকে ; পরোক্ষে সব জয় আবীরের পক্ষে চলে যায় ।
তারপর আমানের কথা জানালো আবীরকে ; ওদের বাসায় এখন আমান , রাতে খাবে একসাথে এসব । আবীর তাকে অবাক করে দিয়ে বলল আমানের মোবাইল নাম্বার দিতে । যাবার আগে বাই করবে আমানকে । বলল , মোবাইলের কারো নাম্বার নাকি নাই সীমের কি ঝামেলার কারনে । লাবনীরটা শুধু আছে এক জায়গায় । কারো সাথে যোগাযোগ করতে পারেনি এবার ।
কথা শেষ করে রান্নাঘরে ফিরতেই তার বর বলল , এতক্ষন ফোনে কেন সময় দিলে , পরে কথা বলতে ফোনে , যে ফোন করেছিল তাকে বুঝিয়ে বলতে । উচ্ছ্বসিত লাবনী খুশী ভরা মনে বলল , ' কিছু হবে না , আমি সব পেরে যাব , সব ঠিক মত হবে ' । বলতে পারল না ," আমার অনুপ্রেরনা , আমার উৎসাহ যে ফল্গুধারায় বয়ে যায় , তার বিচ্ছুরিত কনা আমি কুড়িয়ে নেই সযত্নে সহস্তে , নিজের শান্তির জন্য "।

রাতে খাওয়ার পরে আমানকে নামিয়ে দিতে রওয়ানা হয় লাবনী আর ওর বর । পথে যেতে যেতে আবীরের ফোন পায় আমান গাড়ীতে বসে । লাবনী বুঝতে পারে সবার আগে । আমান ফোনে কথা শেষ করে লাবনীর বরকে অনুরোধ করে যেন আবীরের সাথে দেখা করবার জন্য আমানকে একটা নির্দিষ্ট জায়গায় নামিয়ে দেয়া হয় । আরো বলে আগামীকাল চলে যাবে আবীর , দেশে এসেছিল বিশেষ প্রয়োজনে । এখুনি জানিয়েছে ।

তারপর ? তারপর লাবনী কি করবে বুঝতে পারে না গাড়ীর অন্ধকারে ; খুশীতে ঝলমল করতে থাকে । কেন শাড়ী পরে এল না ,কেন সুন্দর করে সেজে এল না ! কেন ঘরোয়া ভাবে চলে এল ! আবার ভাবে ,নাহ্ -- কোনভাবে আবীরের সামনে যাবে না সে। নির্ধারিত জায়গায় নেমে আমান মূহুর্তে উধাও হয়ে গেল । লাবনী তার বরকে বলল , ' যাও , তোমরা বন্ধুরা সাক্ষাৎ কর , আমি নামব না ; আমাকে নামতে বলো না যেন '।

বিস্মিত লাবনী ভেবে পায়না এমন কাকতলীয় ঘটনা কি করে ঘটতে পারে ! আজই আমান গেল ওদের বাসায় , আজ ওরা বেড়ানো রেখে ফিরে এল আমানের ফোন পেয়ে , সত্যি আবীরের কাছে আমানের মোবাইল নাম্বার না থাকাতে আজ নিল লাবনীর কাছ থেকে , আজ আমানকে লিফট দিতে হল , গাড়ীতে একসাথে থাকা অবস্থায় আবীর ফোনে আমানের সাথে যোগাযোগ করে দেখা করতে চাইল । আশ্চর্য্য যোগাযোগ ! বিধাতা মানুষের কোন চাওয়া কি অপূর্ন রাখে ! মনে হয় রাখে না । কত কিযে ভাবনা চলে আসে ; ভাবে বিভোর হয়ে থাকে সে ।

জানালার কাছে অতি চেনা মুখ , আকাঙ্খিত মুখচ্ছবি ! এগিয়ে এল আবীর ।
বলল , ' কেমন আছো ? ভাল আছো তো ? '
কি আশ্বর্য্য ! লাবনীর মনে হল স্বপ্ন দেখছে সে ! তার সামনে কত ব্যবধান , কত আড়াল , কত দ্বিধা -- সব ছাড়িয়ে আবীর দাড়িয়ে আছে । কুশলাদি বিনিময় হল । তারপর সরে গেল গাড়ীর পাশ থেকে আবীর । একটু দূর থেকে লাবনী মন ভরে দেখতে চাইছিল আবীরের হাসিমুখ , কথা বলার ভঙ্গী । আলো তেমন ছিল কই ? আরো কেন উজ্জ্বল ছিল না আলো ? কেন সময় ছিল না অনেক ? নাহ্ , তবু লাবনীর ভাল লাগা পূর্নতায় ভাটা পড়েনি । সেই যে আগের বার আবীর বিদায় নেবার সময় সিগারেট হাতে উদাস দৃষ্টিতে কি যেন এক অব্যক্ত ব্যথাভরা চোখে তাকিয়ে ছিল ; সেটা কুরে কুরে খেত লাবনীকে । যন্ত্রনায় দগ্ধ করত , অপরাধের কাঠগড়ায় দাড় করিয়ে রাখতো বিরামহীন ! সে ছবিটা আজ ঢাকা পড়ে গেল ।
আবীরের অজানা নেই সেই কথা যা কোনদিন লাবনী বলেনি ওকে , বলতে পারে নি । আবার আবীরও বুঝে গেছে তার না বলা কথাগুলো
স্বতস্ফূর্তভাবে লাবনীর মনে জায়গা করে নিয়েছে , লাবনী সে কথার মূল্য
দিতে পেরেছে । তাদের পরস্পরের প্রতি আবেগ , অনুভুতি , ভাল লাগা পৃথিবীর অভাব অভিযোগের দৈন্যতায় ম্লান হবার নয় ।
ফিরে আসে লাবনী চেনা জগতে নিয়মের কাছে , ফিরে যায় আবীর লৌকিক বিদায় জানিয়ে ; জানে আবীর , জানে লাবনী এ শুধু কথিত বিদায় পরস্পর হতে । তারা অনাদিকাল থেকে চলছে দুজন দুজনের দিকে , জীবনে রঙ ছড়াতে আবীরকে থাকতে হবে , জীবনের জটিল পথে লাবন্য না থাকলে চলবে না তাই লাবনী আছে ।
দলিলে , হিসেবের খাতায় পাশাপাশি নাই বা থাকল দুটো নাম পাশাপাশি । অপার্থিব সত্য বলে যদি কিছু থাকে সেই সত্যের আশ্রয়ে সুন্দরের অপ্রকাশিত আলো হয়ে থাকবে আবীর , থাকবে লাবনী অনবদ্য । থাকবে ওদের নির্মল আবেদন নিয়ে পথচলা ।

( ছবি: গুগল থেকে ধার নেয়া )
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে অক্টোবর, ২০১১ বিকাল ৫:২১
৬১টি মন্তব্য ৫৪টি উত্তর পূর্বের ৫০টি মন্তব্য দেখুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আজকের ব্লগার ভাবনা: ব্লগ জমছেনা কেন? এর পেছনে কারণ গুলো কি কি? ব্লগাররা কি ভাবছেন।

লিখেছেন লেখার খাতা, ১৩ ই জুন, ২০২৪ রাত ৮:৩৫


সুপ্রিয় ব্লগারবৃন্দ,
আম পাকা বৈশাখে বৈশাখী শুভেচ্ছা জানিয়ে শুরু করছি। কাঠফাটা রোদ্দুরে তপ্ত বাতাস যেমন জনপ্রাণে একটু স্বস্তির সঞ্চার করে, ঠিক তেমনি প্রাণহীন ব্লগ জমে উঠলে অপার আনন্দ... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঢাকার ২৭ নম্বর সমুদ্রবন্দর থেকে

লিখেছেন অপু তানভীর, ১৩ ই জুন, ২০২৪ রাত ১১:০০

চারটার দিকে বাসায় ফেরার কথা ছিল । তবে বৃষ্টির কারণে ঘন্টা খানেক পরেই রওয়ানা দিতে হল । যদিও তখনও বৃষ্টি বেশ ভালই পড়ছিল । আমি অন্য দিন ব্যাগে করে রেইনকোন... ...বাকিটুকু পড়ুন

মুক্তিযুদ্ধা কোটা ব্যাবস্থা কাউকে বঞ্চিত করছে না।

লিখেছেন হাসান কালবৈশাখী, ১৪ ই জুন, ২০২৪ রাত ৩:৩২

কোটা ব্যাবস্থা কাউকে বঞ্চিত করছে না।
সকল যোগ্যতা জিপিএ-্র প্রমান দিয়ে, এরপর প্রিলিমিনারি পরীক্ষা, সেকেন্ডারি।
এরপর ভাইবা দিয়ে ৬ লাখ চাকুরি প্রার্থি থেকে বাছাই হয়ে ১০০ জন প্রাথমিক নির্বাচিত।

ধরুন ১০০... ...বাকিটুকু পড়ুন

নিউ জার্সিতে নেমন্তন্ন খেতে গিয়ে পেয়ে গেলাম একজন পুরনো ব্লগারের বই

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ১৪ ই জুন, ২০২৪ দুপুর ১২:৩৭

জাকিউল ইসলাম ফারূকী (Zakiul Faruque) ওরফে সাকী আমার দুই ঘনিষ্ঠ বন্ধুর ঘনিষ্ঠ বন্ধু; ডাঃ আনিসুর রহমান, এনডক্রিনোলজিস্ট আর ডাঃ শরীফ হাসান, প্লাস্টিক সার্জন এর। ওরা তিনজনই ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের একই... ...বাকিটুকু পড়ুন

বেনজীর তার মেয়েদের চোখে কীভাবে চোখ রাখে?

লিখেছেন বিচার মানি তালগাছ আমার, ১৪ ই জুন, ২০২৪ বিকাল ৩:০৬


১. আমি সবসময় ভাবি দুর্নীতিবাজ, ঘুষখোর যারা মিডিয়ায় আসার আগ পর্যন্ত পরিবারের কাছে সৎ ব্যক্তি হিসেবে থাকে, কিন্তু যখন সবার কাছে জানাজানি হয়ে যায় তখন তারা কীভাবে তাদের স্ত্রী,... ...বাকিটুকু পড়ুন

×