somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

ক্লোন রাফা
আমি আমাদের কথা বলতে এসেছি। আমি বাংলাদেশের কথা বলবো।আমি পৃথিবির অবহেলিত মানুষের পক্ষে ।জয় বাংলার প্রতিটি শহিদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে। ৭১-এর স্বাধীনতা রক্ষায় জিবন বাজী রেখে লড়াই করে যাবো।জিবনের শেষ রক্ত বিন্দু দিয়ে ।জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু ।

আসুন দেখে আসি, রাজাকার, লালবদর,ছাত্রদল ও শিবিরের উত্তরাধিকারীরা পাকিস্তানে কেমন আছে‼️

১৪ ই জুলাই, ২০২৬ সকাল ৮:০১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



কেমন আছে পাকিস্তানে বসবাসরত ৪০ লক্ষ বাঙালী?

১৯৭২ সালে ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু রেসকোর্স ময়দানে দাড়িয়ে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী বিচার করার হুঙ্কার দিলেন। পাকিস্তানে বসে তখন খুনি জুলফিকার আলী ভূট্টা মুচকি হাসেন। সে বঙ্গবন্ধুর দুর্বলতা জানেন। সেই সময় ভূট্টোর হাতে আটক প্রায় দেড় লাখ বাঙালি সরকারি কর্মচারী - কর্মকর্তা ও তাদের পরিবার-পরিজন এবং ৪৮ হাজার বাঙালি সেনাবাহিনীর সদস্য। ভূট্টো ঘোষণা দিলেন "যদি একজনও পাকিস্তানির বিচার করে মুজিব, আমি ২ লাখ বাঙালির বিচার করব, এ ছাড়াও আমার হাতে ১০ লাখ বাঙালি আছে, তাদেরও বিচার করবো। অসীম সাহসি বঙ্গবন্ধু এবার সত্যি সত্যিই ভয় পেয়ে গেলেন। বাঙালি মানেই বঙ্গবন্ধুর ভালোবাসা, সেটাই তার দুর্বলতা। ভারতের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু গোপনে দেন-দরবার শুরু করেন। পাকিস্তানি সেনাদের বিনা বিচারে ছেড়ে দেয়ার বিনিময়ে, বাঙালি সেনা ও সরকারি চাকরিজিবিদের ১৯৭৪ সালে বঙ্গবন্ধু ফিরিয়ে আনেন। যে দশ লক্ষ সাধারণ বাঙালি পাকিস্তানে বসবাস করতো তাদের মধ্যে দেশ, বেছে নেয়ার সুযোগ দেয়া হয়। পাকিস্তান অথবা বাংলাদেশ কে বেছে নেয়ার। তাদের মধ্যে মাত্র সামান্য কয়েক জন বাঙ্গালী বাংলাদেশে ফিরে। বাকী সব বেঈমান বাঙ্গালী পাকিস্তান কে ভালোবেসে পাকিস্তানে থেকে গেলেন। এদের মধ্যে ছিল ব‍্যাবসায়ি, বেসরকারী চাকরিজিবী আর করাচির আরব সাগরে মাছ ধারা জেলে ও মাছ ধরার ট্রলার মালিক। বেঈমান বাঙালিদের পুরস্কার কিছুদিনের মধ্যেই পাকিস্তানিরা দেয়া শূরু করে। পাকিস্তানিরা সকল বাঙ্গালীদের নাগরিত্ব বাতিল করে দিল। ফলে যারা চাকরি করতো তারা চাকরি হারালো, যারা ব‍্যাবসা করতো, তারা ব‍্যবসা হারালো। পাকিস্তানিরা তাদের সম্পত্তি বাতিল করে দিল।পাকিস্তান তাদের করাচির ১০০ টা বস্তিতে এনে জড়ো করে। বেঈমান বাঙ্গালীদের সংখ‍্যা এখন প্রায় ৪০ লক্ষ। পাকিস্তানে এখন বাঙালিরা শ্রেফ শিয়াল কুকুরের মত বসবাস করে। বাংলাদেশের রহিঙ্গারা সেই তুলনায় স্বর্গে আছে। করাচির বাঙালি বস্তিতে বিদ‍্যুৎ, পানির সংযোগ দেয়া নিষেধ। এদের নাগরিত্ব না থাকার কারনে এরা চাকরি করতে পারে না, শিক্ষা পুরাপুরি বাঙ্গালীদের জন‍্য নিষিদ্ধ। চিকিৎসা নিষিদ্ধ। হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া নিষিদ্ধ। এমনকি মারা গেলে পাকিস্তানের কোন সরকারি গোরেস্তানে বাঙ্গালীদের কবর দেয়া নিষেধ । আর পাকিস্তানের সাধারণ মানুষ এখনো বাঙ্গালীদের বেঈমান ও নীচ ঘৃণার চোখে দেখে। রাস্তার নেড়ি কুত্তার মত ঘৃনা ও দুর দুর করে তাড়িয়ে দেয়।
১৭ বছর পর, পাকিস্তানের দালাল বিএনপি সরকার ক্ষমতায় ফেরার পর। পাকিস্তানিদের মাঝে আনন্দের ঢেউ খেলে গেছে। বাংলাদেশ কে এরা এখনো নিজেদের জমিদারি মনে করে। তাইতো এক পাকিস্তানি সপরিবার ঢাকায় ঘুরতে এসে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রকে প্রকাশ‍্যে রাস্তায় পিটায়, পাছায় লাত্থি, গায়ে থুথু দিয়ে বলে "মাদার ফাকার"। তাই দেখে বিএনপি-জামাতের গদগদ। কারন, ৫৪ বছর পরও তাদের পাকিস্তানি বাবারা, তাদের শ্রেফ "পা চাটা কুত্তাই" মনে করে, একাত্তরের আগে যেমন করতো। পাকিস্তানিদের পা চাটা কুত্তা হওয়ার মত শান্তি, আর কিছুই নাই।

জুলাই আন্দোলনে পাকিস্তান এম্বাসি কুটনৈতিক সুবিধার মাধ্যমে সমন্বয়ক, শিবির এবং ছাত্রদলের সদস্যদের নিরাপত্তা দিয়েছিলো। টার্গেট কিলিং হয়েছে সেনাবাহিনীর কিছু বরখাস্ত আর পাকিস্তান আইএসআইয়ের গুপ্তচরের মাধ্যমে!জুলাই ছিলো পুরোটা প্রতারণার মাধ্যমে। সামনে রেখেছিলো কোটা আর অগ্নিঝড়া ৭১ / আর বাকি সব ছিলো পেছনে। মূল কলকাঠি নাড়ছিলো ডিপস্টেট আর ডলার।


জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু॥
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই জুলাই, ২০২৬ সকাল ৮:১৯
৭টি মন্তব্য ৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বাংলাদেশের টিভি চ্যানেলে তে কি দেখতে চাই না

লিখেছেন অপলক , ১৪ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:৫৭



ওপার বাংলা আর এপার বাংলা মানে কোন দেশের কোন অঞ্চল বোঝায়, সেটা কমবেশি সবাই জানি। কিন্তু দু'বাংলার সংস্কৃতি বেশির ভাগটাই আলাদা। শব্দ উচ্চারন থেকে শুরু করে মন মানসিকতা, পোশাক... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিরে এসো অনুরাধা, ভেঙে দিয়ে সব বাঁধা....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১৪ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:১৩

ফিরে এসো অনুরাধা, ভেঙে দিয়ে সব বাঁধা....

শেখ হাসিনা ডিসেম্বরে দেশে ফিরবেন- ফিরতেই পারেন। তবে প্রশ্ন হলো, কীভাবে এবং কোন উদ্দেশ্যে?

বাংলাদেশে ফিরে আসা তাঁর জন্য অসম্ভব নয়। চাইলে তিনি দেশে ফিরতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

রুপান্তর

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৪ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:০৭


কাজী সালাউদ্দিন সাহেবের আসলেই রাজকপাল , এই কথা বললে বিন্দুমাত্র বাড়িয়ে বলা হয় না। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের মসনদে টানা ষোলো বছর বসে থাকার এক বিরল কীর্তি তিনি গড়েছেন, যা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা বাস করছি প্রচণ্ড রাজনৈতিক ভণ্ডামোর মধ্যে – হুমায়ুন আজাদ। কিছু কথা।

লিখেছেন অন্তর্জাল পরিব্রাজক, ১৪ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ৮:৩৮



ইংরেজিতে একটা শব্দ আছে সেটা হল plausible. যার একটা অর্থ হল “আপাতদৃষ্টিতে যুক্তিসঙ্গত”। হুমায়ুন আজাদের অনেক লেখার মধ্যে এ জিনিসটা পাওয়া যায়। এমনিতে হুমায়ুন আজাদ খুবই ভালো... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতাঃ ১৭ই মার্চ ১৯২০

লিখেছেন ইসিয়াক, ১৪ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৪১




একটা সোনার ছোট্ট ছেলে জন্ম নিলো এই  দিনে,
স্বভাবগুনে স্থান পায় সে কোটি জনতার মনে।

সেই ছেলেটি জন্মেছিল টুঙ্গিপাড়া গ্রামে।
মুক্তিরই এক বার্তা নিয়ে এলো ধরাধামে।

অন্তরটি তাঁর বিশাল বড়ো,বুক ভর্তি  মায়া,
সব মায়ের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×