শেষ হলো ঈদ। বড় ঈদ ঈদুল আযহা। এ ঈদে সামর্থবান সকলেই কম বেশী পশু কুরবানী দিয়েছেন। তবে ব্লগাররা (মুসলমান) হয়তো অনেকেই দেননি। হয়তোবা ব্লগাররা সামর্থ্যবান নন। আমার ধারণা এখানের অনেক ব্লগাররা এখনো অন্যের (পিতা বা অন্য কোন অভিভাবক) উপর নির্ভরশীল। কেন মনে হলো, ব্লগারদের বয়স অনুমান করে। অবশ্যই সবাই নন। তবে আমার এ ধারণা সঠিক নাও হতে পারে। তবে অনুগ্রহপূর্বক কেউ মনে কষ্ট নিবেন না।
[গাঢ়]হঁ্যা বলছিলাম, কুরবানীর কথা। [/গাঢ়] কুরবানী নিয়ে আমাদের দেশে নানা রকম কীর্তিকলাপ হয়ে থাকে। পশু নিয়ে হয় চাঁদাবাজি, ডাকাতি, মূল্য বাড়ানোর হিড়িক, সিন্ডিকেট ব্যবসায়। কুরবানী শেষ হয়ে গেলে হয় চামড়া নিয়ে আরেক রাজনীতি ইত্যাদি ইত্যাদি ...। সবাই কম বেশী এ বিষয়গুলো জানেন। এ বিষয়ে কথা বলছি না।
কুরবানী যারা দিয়েছেন তাদের কাছে আমার কয়েকটি ছোট্ট জিজ্ঞাসা:
1. আপনার সৎ উপায়ে উপার্জিত অর্থ দ্বারা কি কুরবানী করেছেন?
2. কুরবানীর চামড়ার কি যথাযথ মূল্যায়ন হয়েছে? এ চামড়া বিক্রিত অর্থ সম্পূর্ণ প্রাপ্য সমাজের গরীব অসহায় মানুষের।
3. কুরবানী করার ক্ষেত্রে আপনার সরাসরি অংশগ্রহণ ছিল কি, অর্থাৎ নিজ হস্তে কাজটি করেছেন কি?
4. আপনার কুরবানীর মাংসের কতটুকু দরিদ্র, অসহায় মানুষ পেয়েছে?
5. কুরবানী পশু কাটাকাটির পর পরিবেশ রক্ষায় কোন ভূমিকা পালন করেছেন কি?
আমার মনে হয় এ কাজগুলো মোটামুটি সচেতন সব ব্লগাররা করেছেন। যদি তা না করে থাকেন তবে কি শুধু লোকদেখানো বা ব্যক্তিগত স্বার্থে কুরবানী করার কি প্রয়োজন?
বি.দ্র.: যারা ব্লগে বেশী বেশী নীতিবাক্য বলে থাকেন, শুধুমাত্র তাদের জন্য এ পোস্ট (এবং আমাকেও)।
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ১২:৫৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




