বঙ্গবন্ধু হত্যার দায়ে অভিযুক্ত লে. কর্নেল এসএইচএমবি নূর চৌধুরীকে কানাডা থেকে বহিষ্কার করা হবে না বলে সে দেশের ইমিগ্রেশন বোর্ড এক রুল জারি করে। 1997 সালে তিনি কানাডায় রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থনা করেন। কানাডা ইমিগ্রেশন এন্ড রিফিউজি বোর্ড জানিয়েছে, রাজনৈতিক আশ্রয় না দিলেও বঙ্গবন্ধু হত্যামামলার মৃতু্যদণ্ডপ্রাপ্ত আসামী নূর চৌধুরীকে দেশে পাঠানোর কোনো উদ্যোগ কানাডা নিচ্ছে না। গত 5 মার্চ দ্য টরেন্টো সান পত্রিকায় এ সংক্রান্ত একটি খবর প্রকাশিত হয়।
সাবেক লে. কর্নেল নূর চৌধুরীসহ 19 সামরিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানকে সপরিবারে হত্যার অভিযোগ রয়েছে। 1975 সালের 15 আগস্ট বঙ্গবন্ধুর পরিবারের 15 সদস্যকে হত্যা করা হয়। গত সপ্তাহে কানাডার ইমিগ্রেশন এন্ড রিফিউজি বোর্ডের এক গোপন রিপোর্টে বলা হয়েছে, যদি তাকে দেশে পাঠানো হয়, তবে তার মৃতু্যদণ্ড কার্যকর করা হবে।
এদিকে এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত অপর দু সাবেক সেনা কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন কিসমত হাসেম এবং ক্যাপ্টেন নাজমুল হোসেইনও কানাডায় অবস্থান করছেন। এরা কানাডার নাগরিকত্বও পেয়েছেন। নূর চৌধুরী কানাডার কোথায় অবস্থান করছেন, সে সমঙ্র্কে কিছু জানা যায়নি।
কানাডায় নিযুক্ত বাংলাদেশী রাষ্ট্রদূত নূর চৌধুরীর পাসপোর্ট ইসু্য করেননি বলে দাবি করেছন। তিনি আরো দাবি করেন, নূর চৌধুরী জাল পাসপোর্ট ব্যবহার করছেন। তার পাসপোর্টে যে কর্মকর্তার স্বক্ষার ও তারিখ রয়েছে, সে নামে কোনো কর্মকর্তা তখন ছিলেন না বলে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয় জানিয়েছে।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



