45টি বিলাসবহুল গাড়ির প্রায় 40 কোটি টাকা আমদানি শুল্ক হাতছাড়া হয়েছে সরকারের। জাতীয় সংসদের সদস্যদের নামে আমদানি করা গাড়ির শুল্ক আদায় না করার বিধান থাকলেও এ গাড়িগুলো ছিল 3000 সিসির ওপরে। রাজস্ববোর্ডের আইন অনুসারে 3000 সিসির ওপর গাড়ির জন্য শুল্ক দেয়ার আইন রয়েছে। 2005-এর 22 আগস্ট জারিকৃত বিধান অনুযায়ী 3000 সিসির ওপর গাড়ির জন্য 196.1 শতাংশ আমদানি শুল্ক পরিশোধ করার কথা। গতকাল নিউ এজে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
ইংরেজি দৈনিকটি তথ্যানুসন্ধানে দেখা গেছে, 45টি গাড়িই 3000 সিসি থেকে 5600 সিসি ক্ষমতাসম্পন্ন রাজস্ব বোর্ডের হিসেব অনুযায়ী 25টি গাড়ি চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস এবং 20টি গাড়ি কমলাপুরের অভ্যন্তরীণ কনটেইনার ডিপো থেকে ছাড়ানো হয়েছে। বিএমডাবি্লউ, মার্সিডিজ বেঞ্জ, ল্যান্ড রোভার, টয়োটা ল্যান্ড ক্রুজার, পোর্শ, রেঞ্জ রোভার, টয়োটা ল্যান্ড ক্রুজার পারডো, ক্যাডিলাক, টয়োটা লেক্সাসসহ আরো অনেক ধরনের বিলাসবহুল গাড়ি শুল্ক ফাঁকি দিয়ে আমদানি করা হয়েছে। এক কাস্টমস কর্মকর্তা জানিয়েছেন, গড়ে প্রতিটি গাড়ির দাম প্রায় 70 হাজার মার্কিন ডলার। রাজস্ব বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, অষ্টম জাতীয় সংসদের মেয়াদকালে 303টি গাড়ি আমদানি করেছেন সংসদ সদস্যরা।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




