somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

মোহাম্মদ গোফরান
জামাত শিবির,ধর্মান্ধ মোল্লা ও একটি নির্দিষ্ট ধর্ম বিদ্বেষী মুক্ত ব্লগ।আপনার প্রতি আমি কেমন ব্যাবহার করব তা আপনার আচরণের উপর নির্ভর করবে।সত্য মিথ্যা যাচাই না করে অন্যের কথার উপর ভিত্তি করে যদি আমার উপর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন,তাহলে আমার বন্ধু হওয়ার দরকার নেই।

অভিনন্দন ব্লগার সোনাগাজী। সাথে সত্য ঘটনা অবলম্বনে নির্মিত একটি বাংলা নাটকের রিভিউ।

১৪ ই জুলাই, ২০২২ রাত ৮:১৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

প্রথমেই মডারেটর এর দৃষ্টি আকর্ষণ করতে হচ্ছে। আমার এর আগে দেয়া পোস্টের শিরোনাম ছিল - 'আঁধারে যত ছড়াই আলো, সবই আঁধারেই মিলায়' - সেখানে আমি একটি ছবি ব্যবহার করেছিলাম। আমার মনে হয়েছে কেউ রিপোর্ট করে আমার সেই পষ্টটি সাময়িক সময়ের জন্য প্রথম পাতা থেকে সরিয়ে দিয়েছিল। আমার কোন ছবি পোস্টের সাথে প্রাসঙ্গিক না হলে রিপোর্ট না করে মন্তব্য করে জানাবেন। আমি ব্যাখ্যা দিব। ব্যাখ্যা দিতে না পারলে পোস্ট প্রথম পাতা থেকে সরিয়ে দেয়ার রিপোর্ট করুন। হুদাই ভিত্তিহীন মিথ্যা রিপোর্ট করা নিচু মাণের ব্লগারের কাজ। একটা ছবি যদি ব্লগের একটি পোস্টেি পাঠক আসে কার কি ক্ষতি? আমার পোস্টে এট্রাক্টিভ ছবি ব্যবহার করার উদ্দেশ্য ব্লগে হিট আনা। অন্য কোন উদ্দেশ্য নেই। আর ছবি দেখার জন্য ব্লগে আসতে হয়না ফেসবুক গুগল ইনস্টায় কোটি কোটী ছবি। আমি যে ছবি গুলো ব্লগে দেই সেগুলো কোন না কোন সেলিব্রিটির আমার নিজস্ব শুট করা। এগুলো ফেবু ইনস্টা সেলিব্রিটি পেজে লাখ লাখ মানুষে দেখেছে। ব্লগে ১০০০ (এপ্রক্স ) পাঠক/ব্লগার/ভিজিটর দেখলেও কি না দেখলেও কি? আমার নামে আরেকটি ভিত্তিহীন অভিযোগ হলো আমি নাকি ব্লগারদের ছাগু ও মোল্লা ট্যাগ দেই। এই অভিযোগটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। আমি যারা ধর্মের লেবাস পড়ে নারিদের ঘৃণা করে ও ধর্ষণের জন্য যারা মেয়েদের পোশাককে দায়ী করে, ভুলভাল ওয়াজ করে তাদের কাঠমোল্লা বলি।দেশের সবাই এদের কাঠ মোল্লা বলে শুধু আমি একা নই, আর বাংলাদেশের স্বাধীনতা বিরোধীদের ছাগু ডাকি। কোন ব্লগার কে নাম উল্লেখ করে নয়। সম্মিলিত সবাইকে। এখন কাঠ মোল্লা ও ছাগুদের গদাম দিলে কারো খারাপ লাগলে তাকে কি বলব?

চট্টগ্রাম থেকে দেশের এক বিখ্যাত ইঞ্জিনিয়ার। তার প্রিয়তমা স্ত্রীকে প্রচণ্ড ভালোবাসেন। সুখের সংসার দুখের বিষয় হলো স্ত্রী মা হচ্ছেন না। স্বামীর সন্তানের খুবই ইচ্ছা। সংসারের ৫ বছর হয়ে গেলো মাবাবা হওয়ার নাম লক্ষণ পর্যন্ত নেই। ইঞ্জিনিয়ার সাহেব নিজ সন্তান পৃথিবীতে আসার জন্য এতো পাগল যে ঘুমের মধ্যে নিজ সন্তানের জন্য বিলাপ করে।

স্ত্রী একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের নিউজ প্রেজেন্সটার। তারর সাথে একই চ্যানেলে কাজ করেন তারই আরেক মেয়ে বেস্ট ফ্রেন্ড। স্ত্রী মম সবসময় বেস্ট ফ্রেন্ড কে সাথে রাখেন। কারণ সে বেস্ট ফ্রেন্ডের তার স্বামী ইরফানের প্রতি বিশ্ববিদ্যালয় লাইফ থেকে ক্রাশ ছিল। মম অনেক করে তার বেস্ট ফ্রেন্ডকে ইরফানের প্রতি ইমপ্রেস করে। কিন্তু বন্ধুত্বের সম্মানে বেস্ট ফ্রেন্ড বরাবরই তা এড়িয়ে যায়। মম চায় চায় শুধু মা হওয়ার জন্য তার বেস্ট ফ্রেন্ড ইরফান কে বিয়ে করুক। কিন্তু তাদের ডিভোর্সও না হোক। এতে বেস্ট ফ্রেন্ড এবং ইরফান কেউই রাজী হয়না। এদিকে মমর ডাক্তারি ট্রিটমেন্ট চলতেই আছে।

একদিন জাপান থেকে আরেক বিখ্যাত ইঞ্জিনিয়ার আসলে ইরফানের তার সাথে সাইট ভিজিটের অ্যাপয়েন্টমেন্ট নির্ধারিত হয়। সেদিন বিকেলেই মমকে ডাক্তার সুসংবাদ দেন যে তিনি মা হতে চলেছেন, সারপ্রাইজ মম আনন্দে আত্মহারা। তবে স্বামীকে সারপ্রাইজ এর জন্য খবরটা দেয়নি। শুধু ফোনে বলছে প্রথম যেখানে মিট হয়েছিল সেখানে ডিনার করবে। এর আগে রাত ৮ টায় মমকে চ্যানেলে সংবাদ পাঠ করতে হবে।

যথাসময়ে সংবাদ শুরু। এক পর্যায়ে একটি ইমার্জেন্সি নিউজ তাকে তাৎক্ষনিক কনভার্ট করা হয়। আর নিউজটি হলো একটি রোড এক্সিডেন্টে বাংলাদেশের বিখ্যাত সিভিল ইঞ্জিনিয়ার জাপানি আরেক সিভিল ইঞ্জিনিয়ারের সাথে রোড এক্সিডেন্টে মারা যায়। নিজের স্বামীর মৃত্যুর সংবাদ নিজেই পড়তে গিয়ে কান্নায় ভেঙ্গে পড়লেও সংবাদ পাঠ করা থামায় নি ডেডিকেটেড মম। পুরা চ্যানেলের কর্মরত সবাই এবং কোটি দর্শক সে দৃশ্য দেখে চোখের পানি ছেড়ে দেয়। নিজেরে শ্রদ্ধার ভালোবাসার সম্মানের মানুষের মৃত্যু সংবাদ নিজেই পাঠ করা কতো যন্ত্রণাদায়ক তা মম ছাড়া কেউ বুঝবেনা। এটি একটি সত্য ঘটনা অবলম্বনে বাংলাদেশী নাটক। প্রিয় মানুষ হারানো আবার সে হারানোর সংবাদ নিজেই পাঠ করার মতো কষ্ট পৃথিবীতে আর নেই।


আমার প্রিয় ব্লগার যার কাছ থেকে আমি অনেক কিছু শিখেছি তাঁর নাম ব্লগার চাদ্গাজী । মাত্র ৫ মাস ২ সপ্তাহে ১ লক্ষ বার হিট হয়েছে তার ব্লগটি। তাকে অভিনন্দন জানাই। এটা শুধু তাঁর ব্যক্তিগত হিট নয় এটা ব্লগেরও হিট। তাই আমি তাকে বিশেষ ভাবে ধন্যবাদ দিচ্ছি আমার প্রিয় ব্লগে এতো কম সময়ে শুধু উনার ব্লগে্র মাধ্যমেই লক্ষাধিক হিট আনার জন্য।সেই সাথে অনেক দুঃখিতও আমাকে নীচের কথা গুলো লিখতে হচ্ছে বলে। আমি উনাকে বলেছি যারা উনাকে অসম্মান করে, উনার সমালোচনাকে সহজ ভাবে নিতে পারেন না, উনাদের ধারে কাছেই না যেতে। উনাদের পোস্টে কমেন্ট না করতে। উনি আমার রিকুয়েস্টটি একাধিকা বার করার পরও রাখলেন না।উনি এখন ধরতে গেলে রূড মন্তব্য করা বাদই দিয়েছেন। কিন্তু কিছু সংখ্যক ব্লগারের নাম উল্লেখ করে উনারা অতীতে উনাকে ব্যান করিয়েছেন বা গালি দিয়েছিলেন এগুলো বলে ভুল কাজ করসেন। আপনি এই ব্লগের প্রদীপ। সামুতে ভোর রাতে মাত্র ৪ জন ব্লগার অন লাইন থাকেন তাদের মধ্যে চাদ্গাজী একজন। তিনি ভিত্তিহীন প্রমাণ ছাড়া বলছেন কিছু নির্দিষ্ট ব্লগার উনাকে ব্যান করিয়েছেন। হয়তো এসব কথার জন্য উনার এই নিকটাও হারাতে হবে। কি দরকার যারা ব্লগিং পারেনা তাদের গায়ে পড়ে ব্লগিং শিখানোর? এতে তো আপনরই ক্ষতি হচ্ছে। কেউ লিখতে না পারলে জোর করে লিখতে শিখানোর দরকার টা কি আপনাকে নোংরা গালি দিলে আপনাকে যারা পছন্দ করে তাদের খারাপ লাগতেসে এটা কখন বুঝবেন আপনি। কর্তৃপক্ষের আমার অতি সম্মানের একজন কে আমি বড় মুখ করে বলেছিলাম উনি অনেক চেঞ্জ। অন্যের ব্যপারে নতুন করে আর ইন্টারফেয়ার করবেন না। উনার কাছে লজ্জিত হয়ে গেলাম।



পোস্টটি সামুর যে সব ব্লগারগণ হক কথা বলেন তাদের কে উৎসর্গ করা হলো। ছবিতে নাটকটির নায়িকা মম। ছবি সূত্র গুগল।

ভিডিওতে দৃশ্যটি দেখুনঃ



পোস্টে জামাতি ছাগুদের পক্ষে কেউ কথা বললে তাদের কানে ধরে ব্লগের বাইরে রেখে আসা হবে।
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই জুলাই, ২০২২ বিকাল ৫:২২
১৭টি মন্তব্য ১৮টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

"বহু দিন পর বন্ধু"

লিখেছেন সনজিত, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৮:১৮


বহু বছর পর হঠাৎ তোর সঙ্গে দেখা।
প্রথমে চিনতেই পারিনি।
তারপর একচিলতে হাসি-
মনে হলো,
সময় আমাদের চেহারা বদলেছে,
কিন্তু শৈশবের মুখটা এখনো একই রয়ে গেছে।

চোখের কোণে ক্লান্তির রেখা,
চুল অর্ধেকটা সাদা রং,
কাঁধে সংসার,... ...বাকিটুকু পড়ুন

কিছু খাতের চাকুরী বেতন-ভাতামুক্ত ঘোষণা করা যেতে পারে

লিখেছেন এমএলজি, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১১:২৮

এক সমীক্ষায় জানা যায়, বাংলাদেশে সরকারি চাকুরেদের প্রায় ৯১ শতাংশ ঘুষ গ্রহণ করে। এছাড়া, সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের অনেকেও মনে করেন বাংলাদেশে দুর্নীতি নির্মূল সম্ভব নয়; যার অর্থ দাঁড়ায়, দুর্নীতিকে আমরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্বিচারিতার এক অদ্ভুত মহাকাব্য

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:২৩



দ্বিচারিতার এক অদ্ভুত মহাকাব্য

যতদিন যাচ্ছে, ততই মনে হচ্ছ -এই দেশের তরুণ প্রজন্মের একটা বড় অংশকে নিয়ে আশাবাদী হওয়াটা রীতিমতো বিলাসিতা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
সেদিন দেখলাম, এক ছাত্রশিবির নেতা মঞ্চে দাঁড়িয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

=আয় সখিরা ফিরে যাই মেয়ে বেলা=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৪৯


যাবি নাকি তোরা সখি
আমার সাথে মেয়েবেলা;
যেখানটাতে বসতো যে রোজ
কানামাছি বউছি খেলা।

ভাইবোনেরা রোজ বিকেলে
মাঠে হতাম সমবেত,
ডাংগুলি আর গোল্লাছুটে
বিকেল-খেলায় কেটে যেত।

খেলার আসর উঠোনজুড়ে
তোরাও কী খেলতি এমন?
করলে স্মরণ অতীতের দিন
বুকে লাগে কেমন কেমন।

আয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমি মাস্টার্স পাস করে ড্রাইভিং পেশা বেছে নিয়েছি

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:৪৩


পিংক বাস সার্ভিসের একজন নারী চালক, নাম রাবেয়া খাতুন। তিনি মাস্টার্স পাশ করে বাস চালাচ্ছেন। খবরটা পড়ে অনেকেই বাহবা দিচ্ছেন, কেউ কেউ বলছেন বাংলাদেশ এমন প্রতিভাকে ধরে রাখার যোগ্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

×