
মুসলিমরা ১০০০ বছর পৃথিবী শাসন করেছে। এই ১০০০ বছর শুধু পেশী শক্তিতেই মুসলিমরা শাসন করেনি; এই ১০০০ বছর রাজনীতি ছিল; ছিল সাইকোলজি, ফিলোসফি, ছিল বিজ্ঞান, সমাজকল্যান। এবং সবকিছুতেই মুসলিমরা তাদের পারদর্শিতার সাক্ষর রেখে গেছে। সাইকোলজীর শিক্ষা সয়ং আল্লাহ্ ই শিক্ষা দিয়েছেন কোরআনের মাধ্যমে। তিনি সুরা দাহর এ বলছেন, "এ এক উপদেশবানী। অতএব যার ইচ্ছা সে তার প্রতিপালকের পথ অনুসরন করুক।" (৭৬:২৯)
সুরা আবাসা তে তিনি রাসুলুল্লাহ ( সাঃ ) কে উদ্দেশ্য করে আবার বলছেন, "অপরদিকে যে উন্নাসিক, নিজেকে বড় ভাবে; তার প্রতি তুমি মনোযোগ দিয়েছ! কিন্তু সে নিজেকে পরিশুদ্ধ করতে ব্যর্থ হলে তার কোন দায়িত্ব তোমার নেই।" (৮০:৫-৭)
সুরা ইনশিকাক এ আবার আল্লাহ বলছেন, "তাকাও গোধূলিলগ্নের দিকে, ভাবো রাত নিয়ে, এবং যা কিছু তা ধাপে ধাপে প্রকাশ করে; তাকাও চাঁদের দিকে যখন তা পরিপুর্নতা পায়। নিশ্চই তোমরা অস্তিত্বের এক স্তর থেকে আরেক স্তরে প্রবেশ করবে।" (৮৪:১৬-১৯)
আমরা মুসলিমরা এগুলো জানি এবং আমরা বলেছি এক আল্লাহ্র অস্তিত্বে বিশ্বাস করলাম। কাফেররা নতুন করে যা কিছুই বানিয়ে নিয়ে আসুক, সবাইকে যত অন্ধকারেই রাখুক মুসলিমদের অস্তিত্বকে কখনোই অস্বীকার করতে পারবে না। উপরের ছবিটি বি-ধার্মিক একজন লেখক তার বইতে ছবি হিসেবে ছাপিয়ে দিতে কুন্ঠিত হননি। ব্রিটিশরা এখনও স্বীকার করে- ইউরোপের স্ট্রিট লেম্প - এটি মুসলিমরা শিখিয়েছে।
হযরত ওসমান রাঃ আঃ - কে যখন শত্রুপক্ষ তরবাড়ি দিয়ে মাথায় আঘাত করে তখন তার স্ত্রী হাত বাড়িয়ে থামানোর চেষ্টা করেছিলেন। এতে তাঁর হাতের আংগুল গুলো কাঁটা যায়। এই ইতিহাস সবাই যেমন জানে ঠিক তেমনই জন এফ কেনেডিকে আততায়ী যখন গুলি করে তখন তাঁর স্ত্রীর গাড়ী থেকে লাফ দিয়ে দৌড়ে পালানোর দৃশ্যের সাক্ষীও আছে।
পৃথিবীতে একটি বিধার্মিক গ্রুপ বেড়িয়ে গেছে যারা পবিত্র মক্কা শরিফে প্রবেশ এবং অবাধ যাতায়াতের অধিকার চাচ্ছে। মুসলিম ধর্মের একটি আবশ্যিক অংশ হলো পবিত্রতা। প্রশ্রাব পায়খানা করে কুলুখ নেয়া, অযু এবং গোসলের সময় ফরয অংগ গুলো ধৌত করা, যেমন কুলি করা; নিয়মিত বগলের এবং নাভীর নিচের চুল পরিষ্কার করা, খতনা করানো... এরকম অসংখ্য ভাবে মুলিমরা নিজেদের পবিত্র রাখেন। বিধার্মিকরা ওদের শরীর ও মনের অপবিত্রতা নিয়ে কিভাবে মক্কা শরীফে নিজেদের জায়গা চাচ্ছে? যারা এটির পেছনে দাড়িয়ে কলকাঠি নাড়ছে তারা জেরুজালেমে ইহুদিদের "পশ্চিম ওয়াল" এর কাছে মুর্তি পুজারকদের মন্দির স্থাপনের অনুমতি দিক।
আমি অনেক সময় নিয়ে ভেবেছি, মুসলিমদের ১০০০+ বছর - এই সময়ে মুসলিমরা নিজেদের জন্য অনুপ্রেরনা যুগিয়েছেন কিভাবে? কি ছিল তাঁদের বেঁচে থাকার অনুপ্রেরনা? নতুন কিছু সৃষ্টির অনুপ্রেরনা? সুন্দর শৃংখল সমাজ কাঠামো তৈরীর অনুপ্রেরনা?
পবিত্র কোরআন শরীফ থেকে আমার একটি পছন্দের আয়াত দিয়ে শেষ করছি - নুন। ভাবো কলম নিয়ে আর তা দিয়ে যা লিপিবদ্ধ করা হয়। - সুরা কলম, ৬৮, আয়াত ১।
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা অক্টোবর, ২০১৭ দুপুর ১২:৫৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




