প্রবীণরা কালের সক্ষী। কেউ কেউ ফেলে আসেন সোনালী অতীত। বিশেষ করে আমি অবসরপ্রাপ্ত সরকারি চাকরিজীবীদের কথা বলছি। এরা মেধা, মনন ও অভিজ্ঞতার ছাপ রেখে যান সুদীর্ঘ কর্মজীবনে। উত্তরসূরী সহকমর্ীরা তাদেরকে পথ প্রদর্শকের দিশা হিসেবে ভাবেন। তারা তাদের ঘটনাবহুল স্মৃতি বিচরণ, চিনত্দাধারা, অভিজ্ঞতার ফসল, ইতিহাসের দীক্ষা, বর্ণিল জীবনাচরণ থেকে লেখা তৈরি করে উজ্জীবিত করতে পারেন দেশের চালিকাশক্তি তথা যুব সমাজকে।
একজন বিশেষজ্ঞের সঠিক পরামর্শে কারও ভাগ্যের প্রভূত উন্নতি হতে পারে। অভিজ্ঞতালব্ধ একটি লেখা কালজয়ী দলিল হতে পারে। মেধাবী ও মননশীল সরকারি চাকরিজীবীরা অবসর জীবনে এ কাজটি করতে পারেন।
পরিশেষে লেখালেখিতে মনোনিবেশের জন্য অবসরপ্রাপ্ত প্রবীণদের কাছে সনির্বন্ধ অনুরোধ রইলো। সামহোয়্যারইনের এই চমৎকার আয়োজনে আমরা আপনাদের পথপানে চেয়ে রইলাম ।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০