ঢাকা ফোন ,ওয়ার্ল্ডটেল এর ধারাবাহিকতায় এবার বন্ধ হল RanksTel ।সকলের বিরুদ্ধে অভিযোগ একটাই অবৈধ ভিওআইপি।যেহেতু আইন অনুযায়ী বিষয়টি বৈধ নয় তাই অপরাধীকে অবশ্যি শাস্তি পেতে হবে।কিন্তু তাই বলে প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দিতে হবে এটা কোন যুক্তিতেই গ্রহনযোগ্য নয়।আমার একটি ঢাকা ফোন সংযোগ আছে তাই এতে আমি ব্যক্তিগত ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি।শুধু আমি নই অনেকেরই এদের সংযোগ আছে,আমরা সবাই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি।এরা যে অবৈধ ব্যবসা করে তার প্রমান আমার কাছে আছে।আমার আত্বীয়রা বিদেশথেকে আমার মোবাইল ফোনে ফোন করে,কিন্তু ফোনে ডিসপ্লেতে উঠে এইসব কোম্পানীর নম্বর।এই অবৈধ ব্যবসার সাথে ইতিপুর্বে যাদের ধরা হয়েছিল সবাইকে জরিমানা করা হয়েছিল এমনকি RanksTel ও ১৫ কোটি টাকা জরিমানা দিয়েছিল।কিন্তু তাদের কারো অপারেশন বন্ধ করা হয় নাই অথবা ম্যানেজমেন্টের কাউকে গ্রেফতার করা হয় নাই।বড় বড় রাঘব বোয়াল সাদা চামড়ার টেলকোগুলিকে বিপুল অংকের জরিমানা করা হয়েছিল কিন্তু কারাগারে পাঠানো হয়নাই।সুতরাং সেসব দৃস্টান্তকে সামনে রেখে আমার মনে হয় সিদ্ধান্ত নিলে ভালো হত।দোষ কম্পানী’র হতে পারে কিন্তু আমার মতো সাধারন গ্রাহকেরতো কোন দোষ নেই।আমরা কেন ভুক্তভোগী হব। তাছাড়া সম্পুর্ন বিদেশী নিয়ন্ত্রানাধীন টেলিকম মার্কেটে এরা যে ব্যবসার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল তাই ত বিরাট সাহসের বিষয়।এই খাতে বিনিয়োগের পরিমান প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকা আর বিপুল কর্মসংস্থানের বিষয় তো আছেই।আর এরা যা লাভ করে তা তো দেশেই থাকে বিদেশে যায় না।ভিওআইপি নীতিমালা চুড়ান্ত করে এই বিষয়ে দ্রুতই একটি সিধান্তে আসা উচিত।সরকার আশা করি বিষয়টি ভেবে দেখবেন।
আমার এই লেখা কোন মতেই অন্যায়কারীকে সমর্থন জানানোর জন্য নয়।অন্যায়কারীকে অবশ্যই তার সাজা পেতে হবে।তবে দোষ তো কম্পানীর না , ম্যানেজমেন্টের।সাজা পেলে তা ম্যানেজমেন্টেরই পাওয়া উচিত সাধারন গ্রাহকের নয়।
লেখাটি একই সাথে আমার বাংলা ব্লগে প্রকাশিত

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


