somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

নূপুরের ভালবাসা

১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৬ সকাল ১০:১২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

মেয়েটা অনেক বড় হয়ে গেছেতো!আগে কেমন একটা পিচ্চি পিচ্চি ভাব ছিলো।এখন তার ছিঁটে ফোঁটাও তার মধ্যে দেখা যাচ্ছেনা।বরং
আগের চেয়ে সুন্দরী আরো স্মার্ট হয়ে গেছে।কিন্তু মুখটা আজও সেই
ভীষণ মায়া মায়া।
'
.
সময় দুপুর ১টা ২৫ মিনিট।ভার্সিটি থেকে বের হয়ে সোজা ফোটপাত
ধরে হাটা শুরু করলাম।জ্যামের মধ্যে দুপুরের তীব্র গরমে রিক্সায়
বসে সিদ্ধ হওয়ার চাইতে হেটে যাওয়াই উত্তম মনে করলাম।কতদূর
যেতে না যেতেই কেউ একজন হাঁফীজ বলে ডাক দিলো।আমি
পিছন ফিরে তাকালাম,কিন্তু ঢাকা শহরের চিপা গলির মানুষের
জ্যামের মধ্যে কে ডাকলো সেটা বুঝতে পারলামনা।তাই আবারো
হাটার মধ্যে মনযোগ দিলাম।কিন্তু কয়েক পা সামনে বাড়াতেই
আবারো সেই কন্ঠস্বর আমার কর্ণ কুহুরে এসে প্রবেশ করলো।
.
এবার সামনে না গিয়ে থমকে দাড়ালাম।কে ডাকছে সেটা দেখার
চেষ্টা করলাম।ভাল করে তাকিয়ে দেখি দূর থেকে ১৪-১৫ বছরের
একটা ছেলে আমাকে নাম ধরে ডাকতেছে।সাথে নেকাব দিয়ে মুখ
ঢাকা একটা মেয়ে।আমি কৌতূহল বশত আমার পাশে দাড়িয়ে থাকা
একটা আম গাছের নিচে আশ্রয় গ্রহন করলাম।কিছুক্ষণ পর হাপাতে
হাপাতে ছেলে আর মেয়েটা আমার সামনে এসে দাড়ালো।চেহারা
দেখেই বুঝা যাচ্ছে দ্রুত হাঁটতে হাঁটতে দুজনের অবস্থা কাহিল হয়ে
গেছে।মেয়েটার নিস্বাস এখনো দ্রুত উঠা নামা করছে।
'
.
-কেমন আছো?
'
আমি মেয়েটির দিকে এখনো তাকিয়ে আছি,মুখ দেখে চিনার চেষ্টা করছি।কিন্তু কারো সাথে মিলাতে পারছিনা
'
.
-চিনতে পারছোনা?
'
.
এবার মেয়েটির ঠোটের নিচে কালো তিলটা দেখে বড় ধরনের একটা
শকড খেলাম..আরে এটাতো নুপূর।উত্তর দিতে যাবো...সেই মুহুর্তে
নুপূর আবার প্রশ্ন করে বসলো।
'
.
-আরে আমি নুপূর..এখন চিনতে পারছো?
'
.
-হুম..ঠোটের নিচে কালো তিল দেখে চিনেছি
'
.
-তাই নাকি?
'
.
-হুম..এত সুন্দর তিল নুপূর ছাড়া আর কারো থাকতে পারেনা।
'
.
-হইছে..আর প্রশংসা করতে হবেনা..কেমন আছো?
'
.
-ভাল আছি..আমাকে তুমি চিনলে কিভাবে?
'
.
-কিছুদিন আগে একজনের কাছে তোমার ছবি দেখেছিলাম,আর
আজকে তোমাকে রাস্তায় দেখলাম।ঢাকা কবে এসেছো?
'
.
-এইতো ২ মাস হবে এসেছি
'
.
-কোথায় থাকো?
'
.
-গেন্ডারিয়া...তুমি?
'
.
-ধূপখোলা...আচ্ছা তোমার নাম্বারটা দাও
.
নাম্বার আদান প্রদান করে ওর সাথে আর কিছুক্ষণ আড্ডা মেরে
আবার বাসার দিকে হাটা শুর করলাম।
||
আজ থেকে প্রায় ৯ বছর আগে আমার পরিচয় হয় নুপূরের সাথে।
আমি আর নুপূর একি স্কুল এমনকি ক্লাসে পড়তাম।খুবই চঞ্চল
প্রকৃতির মেয়ে ছিল নুপূর।দেখতে দেখতে নুপূরের সাথে খুব ভাল
বন্ধুত্ব হয়ে যায় আমার।নুপূর একটু খিটখিটে স্বভাবের ছিল,তাই
ওকে খেপাতে বেশ মজা লাগতো।খুব সুন্দর গান গাইতে পারতো
নুপূর।আমিও কিছুটা গেয়ে নিতাম।দুজন মিলে স্কুলটাকে মাতিয়ে
রেখেছিলাম।কিছুদিনের মধ্যে আমাদেরকে এক নামে চিনতে
লাগলো সকলে।যে কোন অনুষ্ঠান আমাদের ছাড়া অপূর্ণ।আমরা
এক সাথে বসে গান তুলতাম।মাঝে মাঝে লক্ষ করতাম নুপূর আমার
দিকে মুগ্ধ নজরে তাকিয়ে আছে।আরে বাবা!সামনে কি ভূত বসে
আছে নাকি গাধাটা আমার প্রেমে পড়া শুরু করলো।যাই হোক,
সামনে যা থাকতো ওটা দিয়ে মাথায় একটা বারি দিয়ে বলতাম,
কি দেখছো?ও একটু হেসে বলতো কিছুনা।হাসিতে এত কৃপনতা ছিল কেন নুপূরের?
'
.
-এই তোমার মুখে কি কোন সমস্যা আছে?
'
.
-কেন কি হয়েছে?
'
.
-না..যেভাবে হাসলা..মনে হল বেশি হাসলে বোধহয় তোমার দাঁত গুলো খুলে পড়ে যাবে!!
'
.
-কেন?তোমার মত হি..হি..হি..করে হাসবো নাকি?যাতে আশে পাশে যারা আছে সবাই তাকিয়ে দেখে।
.
এভাবেই হাসি খুশিতে চলছিলো আমাদের দিনকাল।দেখতে নুপূর
অনেক সুন্দর ছিলো..ও যতটা না সুন্দর ছিলো..তার থেকে বেশি
সুন্দর দেখাতো ওর ঠোটের নিচে কালো তিলটার জন্য।যখনি আমি
তিলটা নিয়ে ওর প্রসংশা করতাম..ও খুব লজ্জা পেতো।
.
অনেক ছেলে ওর আশে পাশে ঘুর ঘুর করতো।কিন্তু নুপূর যেন ওদের
দেখতোই না এমন ভাব নিয়ে থাকতো।কিরে কেউ আছে নাকি?
থাকলে বলে দাও না হলে ওদের মধ্যে থেকে কাউকে ঠিক করে
দেই? ও হেসে বলতো..অন্য কারো দরকার নেই,তুমি আছোনা?
তোমাকে বিয়ে করবো।আরে থামো থামো!!!তোমাকে কে বলছে যে
আমি তোমার মত গাধীকে বিয়ে করবো?দুনিয়াতে কি তোমার চেয়ে
ভাল আর কোন মেয়ে নেই।
'
.
নুপূর যতবার আমাকে ভালবাসে এই জিনিসটা বুঝাতে চেষ্টা
করতো..ততবারই আমি হেসে খেলে উড়িয়ে দিতাম।কখনো ওকে
আমার ভালবাসাটা বুঝতে দিতামনা।কিন্তু যখন ভাবলাম আমার
ভালবাসাটা প্রকাশ করে দেই তখনি আমার জীবন থেকে হারিয়ে
গেল নুপূর।নুপূর ফ্যামিলির সাথে একেবারে ঢাকায় চলে
আসলো।সেদিন নুপূর অনেক কেদেছিলো আমাকে জড়িয়ে ধরে..
কিন্তু একটিবারের জন্যও বলেনি আমাকে ভালবাসে।আমিও
আমার ভালবাসাকে মাটির নিচে চাপা দিয়ে ওকে বিদায় করে
দিলাম।হারিয়ে গেল আমার ভালবাসা জন্মের আগেই।
'
.
নুপূর চলে আসার পর ওকে হারিয়ে অনেকটা ভেঙে পড়েছিলাম।
কিন্তু সময় পরিবর্তনের সাথে সাথে পাল্টে গেল আমার জীবন
ধারা।ব্যস্ত হয়ে গেলাম পড়া শুনা নিয়ে।তবুও মাঝে মাঝে কোথাও
একটু আধটু গান গাইলে নুপূরের কথা মনে পড়তো...কিন্তু মনে
কোন দাগ কাটতোনা।একটা সময় একেবারে ভুলে গেলাম নুপূরের
কথা।আজ যখন নুপূরকে দেখলাম..আবার সেই পুরুনো ভালবাসা
জেগে উঠলো।অবশ্য আজ যখন নুপূরের চোঁখে চোঁখ রেখে কথা
বলেছি..ওর প্রতিটা কথায় আগের সেই মুগ্ধতা খুজে পেয়েছি।
বুঝেছি নুপূর আজও আমাকে ভালবাসে।
||
বালিশের নিচে রাখা মোবাইলটা কেপে কেপে উঠছে।বৃষ্টি ভেজা
সকালের অলস ঘুমের আড়াম টুকু ছেড়ে নড়তেও মন চাইছেনা।
কিন্তু মোবাইলের নৃত্যটা তো থামানো দরকার।ফোনের দিকে চেয়ে
দেখি নুপূরের কল..সাথে সাথে ধরলাম
'
.
-হ্যালো....
'
.
-এখনো ঘুমাচ্ছো?
'
.
-না..সাম্পান চালাই,মাঝ দরিয়াতে আছি..কাটা কম্পাস হারায়া
ফেলছি..দিক খুজে পাইতাছিনা।
'
.
-কাটা কম্পাস দিয়ে কি দিক নির্নয় করে উজবুক?
'
.
-আমিতো হর হামেশাই করি
'
.
-তোমার মত গাধারাই করে
'
.
-কি বললা?
'
.
-না..কিছুনা..তোমার বাসার নিচে দাড়ায়া আছি..এসে নিয়ে যাবা
নাকি আমি একাই চলে আসবো?
'
.
-তুমি থাকো...আমি আসছি
.
ফোনটা রেখেই কোনমতে শার্টটা গায়ে দিয়ে এক দৌড়ে বাসার নিচে
গেলাম।গিয়ে দেখি নুপূর দাড়িয়ে আছে।শুভ্র রঙের শাড়িতে
নুপূরকে আজকে ডানা কাটা পরীর মত লাগছিলো।মনে হল
আকাশ থেকে বুঝি মাত্র নেমে এল।
'
.
-এই যে..আর কতক্ষন হাবলার মত তাকিয়ে থাকবে?
'
.
-ও..সরী...চলো বাসায় চলো
.
নুপূরকে নিয়ে বাসায় গেলাম।নুপূর এমন ভাবে বাসাটা দেখতে
লাগলো..মনে হচ্ছে পাত্রের বাড়ি ঘর দেখতে এসেছে।কিছুক্ষণ পর নুপূর বলল..
'
.
-বাসায় কেউ নেই?
'
.
-না..খালাম্মা বাজারে গেছে আর খালু অফিসে গেছে
'
.
-ও..তুমিতো দেখি এখনো ফ্রেশ হওনি,তুমি তাড়াতাড়ি ফ্রেশ হয়ে
আসো আমি তোমার জন্য কফি বানাচ্ছি।
'
.
-তুমি কফি খাওয়াবে আমাকে?(অবাক হয়ে)
'
.
-কেন..আমি বানিয়ে দিলে খাবেনা?
'
.
-না..সেটা না,তুমি বিষ দিলেও আমি খেয়ে নিবো
'
.
-হইছে!!এখন যাও..তাড়াতাড়ি ফ্রেশ হয়ে আসো।
.
তারপর আমি ফ্রেশ হওয়ার জন্য চলে আসলাম আর নুপূর কফি
বানাতে ব্যস্ত হয়ে গেল।ফ্রেশ হয়ে এসে দেখি নুপূর কফি হাতে নিয়ে
বাসার বারান্দায় বসে অপেক্ষা করছে আমার জন্য।আমি জয়েন
করলাম নুপূরের সাথে।
||
দুজন বসে চুপচাপ কফি খাচ্ছি...কেউ কোন কথা বলছিনা।আসলে
কি বলে শুরু করবো সেটাই বুঝতে পারছিনা।অবশেষে দেখি নুপূরই
শুরু করলো.....
'
.
-আচ্ছা হাঁফীজ..তোমার স্কুল লাইফের মজার মজার স্বৃতি গুলো
এখনো মনে আছে?
'
-হুম..তোমার সাথে কাটানো স্বৃতি গুলো আমি কখনোই ভুলতে
পারবোনা।আচ্ছা তুমি কি এখনো গান গাও?
'
.
-না...ছেড়ে দিয়েছি
'
.
-কেন?
'
.
-তোমার মত কাউকে খুজে পাইনি বলে!!
'
.
-একটা কথা জিজ্ঞেস করবো..উত্তর দিবে?
'
.
-হুম..বল কি জানতে চাও
'
.
-তুমি কি আমাকে ভালবাস?
'
.
-হুম..তখনো বেসেছিলাম এখনো বাসি।তবে তুমি কখনো আমার
ভালবাসাটা বুঝতে পারোনি।হয়তো কখনো পারবেওনা।
.
কথাটা বলার সময় নুপূরের চোঁখের দিকে লক্ষ করলাম বিন্দু বিন্দু
জল চিকমিক করছে।হয়তো আর কিছু বললে সেটা বিন্দু থেকে
অবসর গ্রহন করে সোনামীতে যোগদান করবে।আর আমি সেটা
সহ্য করতে পারবোনা কখনো।
.
নুপূর তুমি কি দেখতে পাও!!তোমার কথা ভেবে আমার বুকের ভিতর
বয়ে চলা ভালবাসার নীল স্রোতধারা?তোমার কথা ভেবে আমার
দিন শুরু হয় আর শেষ হয় তোমার কথা ভেবে!!আর দিনের হিসেব
করছি কেন?এখানে তো দিন নেই রাত নেই।এখানে সময় নেই,সীমা
নেই।আছে শুধু অসীমের মাঝে ছুটে চলা।সেই অসীমের দৃষ্টি সীমায়
আমার চোঁখের দৃষ্টির মাঝে জেগে থাকো তুমি।বিশ্বাস কর নুপূর
-আমি তোমাকে তখনো ভালবাসতাম এখনো ভালবাসি।একটু
ভালবাসার সুযোগ দিবে আমায়?
'
.
চোঁখ বন্ধ করে বাংলা ফিল্মের মুখস্থ করা ডায়লগ এক নিশ্বাসে বলে
ফেললাম।একবারও চোঁখ খুলিনি..
'
.
চোঁখ খুলে দেখি সামনে দাড়ানো মেয়েটার চোঁখ থেকে মহা কালের
প্রবাল স্রোতের মত পানি গড়িয়ে পড়ছে।আর দেরি করলাম না...
এক ঝটকায় বুকের বাহুতে আবদ্ধ করে নিলাম নুপূরকে।নুপূরের
মত মেয়ের ভালবাসাকে ফিরিয়ে দেওয়ার অধিকার আমার নেই।
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৬ সকাল ১০:১৩
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

গল্প - অভাগীর সুর ব্যঞ্জনা – পর্ব ১ -

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১৭ ই আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৯:০৮


শহরটা রাতে কখনও পুরো ঘুমোয় না। কেউ প্রেমে জাগে, কেউ স্বপ্নে, কেউ অপরাধবোধে।আর কেউ কেউ জেগে থাকে অভাবে। তিনতলার ছোট্ট ভাড়া-বাড়িটির জানালার পাশে বসে শিরীন হারমোনিয়ামের রিডে আঙুল রাখল।

বাইরে তখন... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিল সিমন্স একটি নাম একটি ইতিহাস

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ১৭ ই আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:১৮



"ফিল সিমন্স একটি নাম একটি ইতিহাস"

একটা সময় ছিল, যখন বাংলাদেশ ক্রিকেটে "কোচ" শব্দটা মানেই ছিল ঝড়!

রাসেল ডোমিঙ্গো, হাথুরুসিংহে-
Phil Simmons (2024–present)
Chandika Hathurusingha (2014–2017, 2023–2024)
Russell Domingo (2019–2022)
Steve Rhodes... ...বাকিটুকু পড়ুন

জন্মদিনে তাহাদের জন্য শুভকামনা। আমার জন্মদিনের স্মৃতি...

লিখেছেন করুণাধারা, ১৭ ই আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:৫৬



একেকটা জন্মদিন পার করা মানে জীবন বইয়ের একেকটা পৃষ্ঠা পড়ে ফেলা, কয়েক বছর পরপর সেই বইয়ের একেক অধ্যায় শেষ হয়! বইটা ট্রাজেডি না কমেডি, একেবারে শেষ পর্যন্ত না পৌঁছালে তা... ...বাকিটুকু পড়ুন

চুপ - একদম চুপ

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ১৭ ই আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৫৭



আমরা শুধু চুপ থাকবো -
আমাদের কথা বলার মুখ নেই
আমাদের দেখার মতো চোখ নেই
আমাদের শোনার মতো কান নেই
মনে হয়, মনে হয় -
আমাদের হাত-পাও নেই।

আমাদের বিবেক নেই
আমাদের চিন্তা-চেতনাও নেই
আমরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

হিজিবিজি নদী চলে মন উদাসের দেশে !

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৮ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:০২





হিজিবিজি নদী চলে মন উদাসের দেশে !

...................................................................
মানচিত্রের আঁকাবাঁকা রেখায় তারে পাবেনা,
সে নদী তো চেনা কোনো ঠিকানায় যাবে না।
তার কোনো কূল নেই, নেই কোনো ঘাট,
সে বয়ে চলে একা, বুক জুড়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×