somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ঊন বর্ষায় নাকি দুনো শীত !!

২৩ শে জানুয়ারি, ২০১৪ বিকাল ৪:২০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ঊন বর্ষা ঠিক ছিল কিন্তু এবার শীত পড়েছে তিনো চারো টাইপ ! আগে পেপার টেপার বা চটের বস্তা গায়ে জড়ালে কাজ হয়ে যেত, রাতটা পার হত কোনরকম। এ বছর মনে হচ্ছে ফুটপাথ এর ইট সিমেন্ট সরিয়ে মাটি ফুড়ে ভিতরে ঢুকে গেলেও শীত মানবে না। এরকম শীতের মধ্যে গায়ে একটু গরম পানি পড়লে সামান্য হলেও ভালো লাগার কথা। মমিনের ফুটন্ত পানি গায়ে লাগিয়ে ভালোর কাছাকাছিও লাগেনি! বরং পুরো পিঠ খুব বাজে ভাবে জলছে। একেকবার পোড়া জায়গাটায় ঠাণ্ডা বাতাস এসে লাগছে আর যন্ত্রণায় পুরো শরীর ককিয়ে উঠছে। ঠাণ্ডা পানি নাকি লাগাতে হয় পুড়ে গেলে, মা বলেছিল একবার। সেই চেষ্টা করতে গিয়ে দেখে ঠাণ্ডা পানি লাগানো গায়ে এসিড লাগানোর মতো। পানি এতো ঠাণ্ডা হয় নাকি !
খিদেয় মমিনের পেটটা মোচড় দিচ্ছে। হাতে একটা কিমা পুরি। এই কিমা পুরিই এক দোকানে চাইতে গিয়ে এই দশা। চাওয়া বলা যায় না, প্রথমবার চেয়ে তো লাভ হয়নি। অনেক করে চাওয়ার পর দোকানদার ব্যাটা মা তুলে গালি দিয়ে বেলন দিয়ে শাসালো। মমিন তাও দূরে দাড়িয়ে ছিল কিছুক্ষন। বছরের শেষ দিন নাকি বিশেষ কিছু, সবকিছু খোলা থাকে রাতে। খাওনের দোকান টোকান খোলা বেশি খোলা থাকে। রাস্তায় মানুষ থাকে, পুলিশ থাকে, কত আয়োজন। রেলস্টেশনের পাশে এই একটাই খোলা। উপায় না দেখে মমিন হোটেলের দিকে দৌড়ে গিয়ে হাতের কাছে যা পেল নিয়ে পালাতে গেল, পেটে এখন কোনরকম কাঠ লোহা একটা কিছু দিতে পারলেই হয়। ব্যাটা মনে হয় গরম পানি নিয়ে রেডিই ছিল, কই থেকে এক কাপ ফুটন্ত পানি নিয়ে ছুড়ে দিল পিঠে। আগে ভাতের মাড়, গরম পানি এগুলো কুকুরের গায়ে মারত। এখন মানুষের গায়েও মারা শুরু করেছে। মানুষ বিবেচনা করে অবশ্য মারেনি, কুকুর বিবেচনা করেই মেরেছে।
বাসী শক্ত একটা কিমা পুরি, হয়তো সন্ধ্যায় বানানো, উচ্ছিষ্ট থেকে গিয়েছিল। এখন আর খাদ্যের পর্যায়ে নেই। মমিন এক দৃষ্টিতে ওটার দিকে তাকিয়ে আছে। নিজেকে কুকুর মনে হছে। সবসময়ই হয়। আজ বেশি হচ্ছে। কুকুর হওয়া খারাপ কিছুও না। মমিন কুকুর পছন্দ করে। মমিনের একটা কুকুরও আছে। নেড়ি কুকুর যদিও, মাঝারি সাইজের কুকুর। কিশোর বয়সী কুকুর তেমন একটা দেখা যায়না, কুকুর দেখা যায় নাহলে একদম শিশু অথবা পূর্ণ জোয়ান। মমিনের কুকুর (মমিনের ধারনা) টা মমিনের মতই কিশোর বয়সী, মাঝারি মতো সাইজ। খুব কুৎসিত দেখতে, সাদা কালো, এখানে ওখানে পশম ওঠা, চামরা ছিলে ঝুলে আছে কোথাও। পাশেই ডাস্টবিন, সারাদিন আবর্জনা ঘেঁটে তার মধ্যে আবার মুখটা কাল বানিয়ে রাখে। মমিন কুকুরটার নাম দিয়েছে মুলু। মলম থেকে মুলু ! কোন অদ্ভুত কারনে সে ডাস্টবিন ঘেঁটে মলমের টিউবগুলো কামড়ে খাওয়ার চেষ্টা করে। ছুনু (স্নো) ক্রিমের ডাব্বা গুলাও চেটে দেখে। মমিনের মন চায় মাঝে মধ্যে একটা দুটা মলমের কৌটা চেখে দেখে, মুলু যখন এতো আগ্রহ করে খায়। ভালো কিছু হতেও তো পারে।
তাছাড়া মমিনের মনে হয় মুলু অনেক মানুষের চেয়ে ভালো। রুচিবোধ ও তো মানুষের চেয়ে ভালো হওয়ার কথা। মাঝে মাঝে কি সুন্দর অদ্ভুত মায়া মায়া ভাব করে তাকায়। দোকানীরা মাঝে মধ্যে মুলুর গায়েও মাড় টাড় ফেলে। মুলু তো কাউকে কামড়াতে যায়নি। ওরা তাও তো মুলুকে মারতে আসে! মমিনের কুকুরের জীবনও খারাপ লাগেনা। সারাদিন ডাস্টবিন হাতাচ্ছে, এটা ওটা খাচ্ছে। যা পায় সেটাতেই খুশি। যেখানে মন চায় সেদিকে চলে যেতে পারে যখন ইচ্ছা। কখনও দু তিন দিন মমিন মুলুকে খুজে পায়না, হঠাৎ হঠাৎ মুলু নিরুদ্দেশ হয়ে যায়।
মমিন নিরুদ্দেশ হতে পারে না !
মাঝে মাঝে মুলুর মতো ডাস্টবিন হাতাতে ইচ্ছা করে। একটু আধটু ঘেঁটে হাত ময়লা করলেই পাশের চার দোকানের সগীর মিয়া গালিগালাজ শুরু করে "ওরে হারামজাদা আবার গু ঘাটচিস ! সর... ময়লা করিসনে কিন্তু মমিন খুন্তি দিয়া পিটামু..."।
তখন মনে হয়, মুলুর জীবন কত আরামের !
মুলু স্টেশনে মমিনের পাশেই ঘুমায় মাঝে মাঝে। একপাশে গুটি সুটি মেরে পড়ে থাকে। ওর গায়ে পশম ছেলা বলে কিনা কে জানে ওর মনে হয় আরও বেশি শীত লাগে। মমিন নিজের গায়ে জড়ানো বস্তা বা পেপার একটুখানি এগিয়ে দেয়। মুলু এক চোখ একটু খুলে নির্বিকারভাবে তাকিয়ে দেখে, তারপর আরও গুটিসুটি মেরে যায়। নির্বিকার দৃষ্টিতেও বোঝা যায় সে আদর বুঝেছে। মানুষ ছাড়া সব প্রানীই আদর বোঝে ! মনেও রাখে ।
মমিন পুরিটার দিকে ঘৃণা নিয়ে তাকিয়ে আছে। এতো খিদে লেগেছে, কি আশ্চর্য খেতে ইচ্ছে করছে না। মনে হচ্ছে মুলুকে খাইয়ে দিতে পারলে হত। মুলুকে পাওয়া যাচ্ছে না আশেপাশে। আবারো নিরুদ্দেশ হল কিনা কে জানে। সবচেয়ে ভালো হত হতচ্ছাড়া স্টেশন মাস্টারটাকে খাওয়াতে পারলে। একদিন সগীর মিয়ার দোকানে চা খেতে বসেছিল। শীতে মমিনের তখন হাত পা কাপছে, খুব ইচ্ছে করল এক চুমুক খেতে। ব্যাটার দিকে মায়া ক্ষুধার্ত চেহারায় তাকিয়েও ছিল, যদি কিছু লাভ হয়! ব্যাটা অর্ধেক কাপ চা খেয়ে বাকি অর্ধেক বেঞ্চের পাশে মাটিতে ফেলে দিল। মুলু একবার একটু শুকল, মমিনের ইচ্ছা করছিল মাটি থেকেই চেটে খায়। কুকুর হলে কত সুবিধা ছিল !সগীর মিয়া বলল " চা খাইবি ?
"মমিন শুকনো মুখ করে হ্যা বোধক মাথা নাড়ল।
"পয়সা দিয়া খা। অমনে ফকিরের মতো চাইয়া থাইকা লাভ নাই। সগীর মিয়া মুহসিন না। মাগনা খাওন সগীর মিয়া খায়ও না, খাওয়ায়ও না। পয়সা নিয়া আয়, কাগ দিয়া গলায় চা দুধ মধু সব ঢেইলা দিমু।"
"আইজকা ঠেলা টানতে পারি নাই, টুকটুকির জ্বর আছিল। আজকে একটু দ্যান। টেকা দিয়া দিমু।"
"বা_ দিবি তুই। তোর মা তো নটিগিরি করে ভালই টেকা কামাইতাসে। কিছু খসা। সুলেমান তো হেভি সুনাম কইরল অইদিন তোর মার। নতুন কইরে যৌবন গজিয়েসে নাকি। আরে শুইনে যা চইলা যাস ক্যা ? তোর মারে আসতি বোল একদিন চা চাইনিজ সব খাওয়াবুনি। ওই মমিন..."
সগীর মিয়া কুৎসিত কথা গুলো বলতেই থাকল। দোকানে কিছু মধ্যবয়সী লোক আগ্রহ করে মমিনের মা'র যৌবনের বিবরণ শুনছিল। মমিনের প্রথম প্রথম কান্না আসতো। এখন আর আসে না। টাড় থেকে কিছু বড় বয়সের ছোকরারা গুলোও বলে। মা এর রেট কত জিগেস করে। আরও কত কুৎসিত কথা। নতুন নতুন গোঁফ গজানো একজন নাকি গিয়েছিলও। সেই কাহিনী কত রসিয়ে রসিয়ে বলে। উঠতি কিশোর বয়সী ১০-১২ বছরের ছোকরা গুলা আগ্রহ করে শোনে। মমিন দৌড়ে উঠে চলে যায়। তারপরও তাকে জোর করে শোনানোর প্রয়াস চলে মাঝে মাঝে, ধর পাকড় চলে।
মা'র কাছেও একবার যাওয়া দরকার। টুকটুকি মরে গেছে এই খবরটা মা কে দেয়া হয়নি। খালি খালি কেন্দে কেটে বস্তি মাথায় তুলবে। এদিক ওদিক আছড়ে পড়বে। বস্তির বেটিরা মায়াকান্না কাদবে কিছুক্ষন, হয়তো মা'র চেয়েও ওরা বেশি জোরে কাদবে! কি দরকার এসবের। এখন গেলে পাওয়াও যাবে না। রাতের সময় নাকি 'কাস্টমার' থাকে। মমিনের এজন্যই রাতে বাইরে থাকতে হয়। আগে মা বাইরে কাজে যেত। কদিন পর বাসায় লোক আসা শুরু হল। হেকমত বলে এক লোক আসতো মাঝে মাঝে, খুব মারধোর করত মাকে। কসাই মতো চেহারা। কোন থানার নাকি হাবিলদার না কি যেন। একদিন মমিন রুখতে গেল, মমিন কেও পেটাল খুব। এরপর মা আর থাকতে দেয় না ঘরে। প্রথম প্রথম খুব কষ্ট হত। ফুটপাথে শুয়ে থাকতে মনে হত বড় বড় কুকুর গুলা খেয়ে টেয়ে ফেলবে। কয়েকটা এসে গা ও শুকতো। জোরে জোরে ঘেউ ঘেউ করে ডাকতো, মমিনের ভয়ে কান্না চলে আসতো। পরে দেখা গেল এরা কিছু বলে না। একটু দূরে গিয়ে নিজেরাও শুয়ে পড়ে। নাহলে নিজেরা নিজেরা কেমন উদ্যেশ্যহীন কামড়া কামড়ি করে। কুকুর গুলা মানুষের মতো না। ভালো আছে। বরং এক বুড়ো ফকির এসে দ্বিতীয় দিন পেটের মধ্যে জোরে এক লাথি বসিয়ে দিল।"___র পোলা তোর বাপের জায়গা ? ওঠ শুওর।"
ফুটপাথেও শোয়ার নির্দিষ্ট জায়গা থাকে এটা মমিনের এর আগে জানা ছিল না। তার চেয়ে স্টেশন ভালো। শুধু এই শীতে খুব কষ্ট হচ্ছে। একেকটা ঠাণ্ডা বাতাস কাটার মতো ফোটে গায়ে। মনে হয় শিরা উপশিরা কেউ কাচি দিয়ে একটা একটা করে খুচিয়ে খুচিয়ে কাটছে। সবচেয়ে কষ্ট হত টুকটুকির জন্য। বাচ্চাটা শীতের মধ্যে কষ্টে জেগে গিয়ে কাদত। মমিন নিজের গায়ের চটের বস্তাটা টুকটুকির গায়ে ভালমত জড়িয়ে দিত। পুরনো একটা কম্বল ছিল, সেদিন রাতে চুরি হয়ে গেছে। তার আগে একটা চাদরও কে নিয়ে গেছে। বস্তাই একমাত্র সম্বল।
কালকে রাতে মমিন দেখে টুকটুকি আর কাদছেও না। এমনিতেই ফর্সা গা, কেমন সাদা ফর্সা হয়ে গেছে, চামড়া কেমন শক্ত হয়ে আছে। লাল টুকটুক ফর্সা হওয়ায় মা ডাকত টুকটুকি। অনেক জ্বর ছিল দুই রাত ধরে, হঠাত শরীর একদম ঠাণ্ডা। মমিন ভাবল জ্বর নেমে গেলে মনে হয় এরকম হয় বাচ্চাদের। ৮ মাসের শিশু, কত কিছুই হতে পারে, এত কিছু বোঝা যায় নাকি। মমিন নিঃশ্বাস চলছে কিনা তাও দেখল না।
টুকটুকি মারা গেছে এটা মমিন বুঝতে পারে ভোরবেলা। মমিনের পাশে ঘুমায় যে কিসমত চাচা, সে গায়ে হাত দিয়ে মমিন কে বলল "কিরে মমিন, আবুয় তো মনে হয় নাইগা" ! "নাইগা" মানে কি এটা বুঝতেও তার অঙ্ক সময় লেগেছে! মানুষ আবার নাইগা হয় কিভাবে ? হঠাত একদিন বাপজান নাইগা হল, মমিনের জন্মেরও আগে। মমিন দেখেওনি, শুনেছে। উপস্থিত থেকেও আবার নাইগা হওয়া যায় নাকি ? তাও আবার শুধু শীতে!
একটা বাচ্চাকে কবর কিভাবে দিতে হয় মমিন জানেনা। সাহায্যের কাউকে পাওয়া গেল না। যাকেই বলা হল ভাবল মিথ্যা বলে ভিক্ষা চাচ্ছে। কেউ দু তিনটা টাকা দিয়ে গেল। মমিন তো টাকা চায়নি, সাহায্য চেয়েছে। সগীর মিয়া মুখ ভেংচে বলল, " তোগো আবার কবর কিরে? যেখানে সেইখানে খুইড়া পুইতা দে। সবই আল্লাহর মাটি। সবই পবিত্র। বেশি জালাতন দিবি টান দিয়া ডাস্টবিনে ফালায়া দিমু কইলাম।" এই বলে সগীর মিয়া আল্লাহর মাটিতে এক দলা পানের পিক ফেলল।
কিসমত চাচা কয়জনকে বলে বস্তির পাশে একটা জায়গা বের করে দিল, কোনমতে মাটি খুড়ে টুকটুকিকে শুইয়ে দিল মমিন। সাদা কাপড়ে জড়ানো ছোট্ট একটা শিশু মনে হচ্ছে ঘুমিয়ে আছে। টুকটুকি আর শীতে কষ্ট পাবেনা। এখন থেকে আরামে ঘুমাবে। ভেবে মমিনের ভালো লাগলো। কবরের মাথার কাছে একটা খুঁটি মতো পুতে দিল মমিন। মেয়েটা আরামে ঘুমাক।
টুকটুকি মা'র সাথেই থাকত। হেকমত একদিন এসে বিছানা থেকে ছুড়ে বাইরে ফেলে দিল। মাথা টাথা ফেটে সাথে সাথে রক্ত বের হওয়া শুরু হল, চিৎকার করে কাদছিল টুকটুকি। মা বাইরে ধরতে যাচ্ছিল, হেকমত মায়ের চুল চেপে ধরে দরজা আটকে দিল। টুকটুকি মনে হয় দরজার বাইরে অনেকক্ষণ কেদেছিল, তার মাঝে হঠাত হঠাত মায়ের গোঙানির শব্দ! কেউ রাখতে চায়নি মেয়েটাকে। কার না কার পাপ কেউ নাকি রাখবে না। সবাই অনেক পুণ্যবান।
টুকটুকি আর কাদবে না!
মমিন পুরিটা ডাস্টবিনে ফেলে দিল। জলুক পেট আরও কিছুক্ষন। পুড়ে যাওয়া পিঠটাও তো জলছে। সবই জলুক। সারাদিন কিছুই পেটে পড়েনি। কয়টা চালের বস্তা টেনে কাফনের কাপড় কিনেছে। কাফনের কাপড়েরও তো বেশ দাম। "নাইগা" হয়ে যাওয়া তো তাহলে খুবই দামী ব্যাপার ! তাও কেউ হতে চায়না কেন!
রাতের বেলা ঢাকা শহরে কখনও কাক দেখা যায়না। এতো তীব্র শীতে তো না-ই। আজকে রাতটা ফুর্তির বলে মনে হয় ছেলেপুলে গুলার সাথে দু একটা কাকও বেরিয়েছে। একটা কাক এসে পুরিটায় ইতস্তত ঠোকর বসাল। মমিন ভাবছে এই কাকটাকেও কি গরম পানি মারা হত ? কাকটা পুরিতে আগ্রহ পাচ্ছে না, পাশে অন্য কিছু খুজছে খাওয়ার মত।
মমিন নিজের জায়গায় এসে শুয়ে পড়ল। আজকে রাতটা পেট জলুক। এখন তো একটা পেট চালাতে হবে, খারাপ কি! চটের বস্তাটাও পুরোটা গায়ে জড়িয়ে ঘুমানো যাবে। মুলু যদি না থাকে আর কি। মুলুর অবশ্য লাভই হল। ভাগে বেশি পাবে। আজকে মনে হয় মুলুও ফুর্তি করতে গেছে। আতসবাজিও হচ্ছে কেমন। টুকটুকি একবার আতসবাজি দেখে চোখ বড় বড় করে তাকিয়ে ছিল। ছোট ছোট মুগ্ধ দুই চোখ। ওর চোখেও কি স্বপ্ন ছিল ? এতো ছোট চোখেও কি স্বপ্ন থাকে! মমিন জানেনা।
মমিন এটাও জানেনা মুলু ততক্ষনে নিঃশব্দে তার পাশে এসে শুয়েছে। মমিনের চোখ দিয়ে নিজের অজান্তেই পানি পড়ছিল। মুলু তাকে বিরক্ত করতে চায়নি !
মানুষ ছাড়া সব প্রানীই মনে হয় মানুষের অনুভুতি বোঝে !
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বালুর নিচে সাম্রাজ্য

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:৫১


(ডার্ক থ্রিলার | কারুনের আধুনিক রূপক)

ঢাকার রাত কখনো পুরোপুরি ঘুমায় না।
কাঁচের অট্টালিকাগুলো আলো জ্বেলে রাখে—যেন শহর নিজেই নিজের পাপ লুকাতে চায়।

এই আলোর কেন্দ্রেই দাঁড়িয়ে ছিল করিম গ্লোবাল টাওয়ার
আর... ...বাকিটুকু পড়ুন

জ্ঞানহীন পাণ্ডিত্য

লিখেছেন রূপক বিধৌত সাধু, ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২০


এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে স্বদেশ,
যে কিছু জানে না; সে-ই দেয় উপদেশ।
“এই করো, সেই করো;” দেখায় সে দিক-
অন্যের জানায় ভ্রান্তি, তারটাই ঠিক।
কণ্ঠে এমনই জোর, যে কিছুটা জানে-
সব ভুলে সে-ও তার কাছে... ...বাকিটুকু পড়ুন

গণতন্ত্র হলো সংখ্যাগরিষ্ঠের মত এবং শরিয়া আইন হলো সকল পক্ষের সম্মতি বিশিষ্ট ইসলামী হুকুমতের আইন

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:১৯



সূরাঃ ৬ আনআম, ১১৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
১১৬। যদি তুমি দুনিয়ার অধিকাংশ লোকের কথামত চল তবে তারা তোমাকে আল্লাহর পথ হতে বিচ্যুত করবে। তারা তো শুধু অনুমানের অনুসরন করে:... ...বাকিটুকু পড়ুন

গণভোটের ব্যালটটি দেখতে কেমন হবে?

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:৫৭



সামনের গণভোট ঘিরে অনেক অপপ্রচার চলছে বলে শোনা যাচ্ছে। অনেকেই জানতে চাঁচ্ছেন, গণভোটের ব্যালটটি দেখতে কি রকম হবে? নির্বাচন কমিশনের ওয়েসবাইট থেকে জানতে পারা গিয়েছে যে, গণভোটের ব্যালটটি উপরের... ...বাকিটুকু পড়ুন

মুহতারাম গোলাম আযমই প্রথম We Revolt বলেছিলেন !

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ২:৫৮


আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী তাদের দলীয় ইশতেহার প্রকাশ করেছে, যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘জনতার ইশতেহার’। দলটির দাবি, অ্যাপভিত্তিক প্রচারণার মাধ্যমে সংগৃহীত ৩৭ লাখের বেশি... ...বাকিটুকু পড়ুন

×