somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

[ আজাইড়া পোষ্ট ] গতকাল সন্ধ্যার কিছু ইন্টারেস্টিং ঘটনা :P

০৭ ই মার্চ, ২০১৪ রাত ১১:০২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ঘটনা এক — ঘুম থেকে ওঠার পর থেকে সারাদিনই দুর্বল লাগছিল। সন্ধ্যায় এসে দেখি সেটা মাত্রাতিরিক্ত আকার ধারণ করল। একটা ওরস্যালাইন আম্মি বানায় দিল। সেটা খেয়ে হাটতে বের হলাম। আকতারুজ্জামান সেন্টারের নিচে একটা কোণায় দাঁড়ায়া হুদাই ৫ টাকার চনাবুট কিনে জাবর কাটছিলাম। কিসমত এতই খারাপ, আমি পরপর দুইটা খালাম্মা টাইপ মহিলা আর একটা হেজাবি তরুণীর পায়ের নিচে পরলাম। সবাইরে আমিই সরি বলেছি।

মানুষ এমনিতেই আমার গরুর মত ঠ্যাং গুলারে দেখতে পারে না। যেইখানে যাই মাইনুষের পায়ের নিচে পরি। একবার শুধু একজন একাই আমারে তিনবার ঠ্যাংগের নিচে নিয়া কচলাইছে। পারা খাওয়ার পরে, আমার গরুর মত পা গুলারে দেখতে সেই লেভেলের লাগে ...

ঘটনা দুই — হোটেল সেন্ট মার্টিনের সামনে ৫০০ টাকার এক কচকচা নোট পাইলাম। এই টাকা জিনিসটা আমার হাতে অনেক সহজেই আসে, কিন্তু তার চেয়ে অনেক দ্রুত হাত থেকে চলেও যায়। ভাবলাম, এইটা দিয়া আজগুবি কিছু করা যায়। ৫০০ টাকার ঝালমুড়ি খাওয়া যাইতো।

হঠাৎ হুদাই আমার মায়া মমতার লেভেল বেড়ে গেল। ভাবলাম কোনো ফকিন্নি খোঁজা দরকার। ফকির, ফকিন্নি বা ফকিন্নির পুত যারেই পাই তারে বিশেষ এক সারপ্রাইজ দিব। সিলভার স্পুনের একটু সামনেই এক পাটকাঠির মত চিকনা এক মাঝবয়সী অন্ধ ফকিন্নির পোলারে পাইলাম। তার কোনো এসিস্ট্যান্টও নাই। সে কেমনে যে নিজেরে ড্রাইভ করতেসে আলেমে গায়েবই ভাল জানেন। তারে কইলাম, ভাই এই ধর তোমারে হুদাই ৫০০ টাকা দিলাম।

এইটা বলার সময় তার চোখের দিকে খেয়াল রাখলাম, ফকিন্নির পোলা তার থালার দিকে তাকায় কিনা দেখার জন্য। নাহ, ফকিন্নির পোলা পুরা ভ্যাম্পায়ারের মত চোখ নিয়া উপরে বাত্তি একটার দিকে তাকায় আছে। ৫০০ টাকা দিছি শুইনা তার চেহারায় একটা ভকচোদ ভাব আসছে ঠিকই। কিন্তু বেচারা সত্যই জেনুইন কানা। আমারে একটা হৃদয়বিদারক হাসি দিয়া কইল, আল্লায় নাকি আমারে এই দিব সেই দিব... হ্যাং করেগা ত্যাং করেগা, মাথায় মুগুর লাঠিমে আঙ্গুল মারেগা।

ফকিন্নিদের লগে একটার বেশি দুইটা কথা কওয়া উচিত না, এরা তামশা বেশি করে। তাড়াতাড়ি মজা নিয়া চইলা আসলাম। মাইনষের টাকা দিয়াতো বেচারারে খুশ করায় দিলাম।

বেচারার হাসিটা জেনুইন ছিল। নিজেই এই জেনুইন হাসি কখন দিসি, ভুইলা গেসি।

ঘটনা তিন — বাংলাদেশ আবারো অল্পের জন্য হাইরা গেল। এইটা পুরাই মেরাকল অফ বেধাতা অর ন্যাচার। ভালো খেলার পরেও যে হারা সম্ভব এইটা কেবল আমরাই দেখাইতে পারি।

ঘটনা চার — এই দুর্বল অবস্থা নিয়া একটা ভয়ানক মারপিট হল। কিন্তু কেউই মাইর খাই নাই। আমরা কেউই কাউরে ইমোশনের কারণে মারতে পারিনাই। কিন্তু ধাক্কা খাইয়া আমার বাম হাতের পেছনে বিশেষ একটু চোট পেলাম। আর যে আমাদের থামানোর জন্য আসছে তার হাটুতে চোট পেল। তবে এখন আমরা উভয়পক্ষই আবার ভাল হয়ে গেছি।

আমার ব্রেইন এখন বেশিক্ষণ গরম থাকেনা। আলহামদুলিল্লাহ।
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই মার্চ, ২০১৪ ভোর ৫:২০
৪টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মহাজন জিন্দা হ্যায়!!!

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৭



মনে পড়ে, ঠিক এক বছর আগে গত বছর এই সময়ের দিকে ফেসবুক বা সোশ্যাল মিডিয়া ভেসে যাচ্ছিল 'মহাজন স্যারকে আরও ৫ বছর বাংলাদেশের সরকার প্রধান হিসেবে দেখতে চাই' টাইপের... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধর্ম অটুট, মৌলভিরা নন: সমালোচনা মানেই অশ্রদ্ধা নয়

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৬



নবী ইউসুফ (আ.)-এর সময় মিসরীয়রা 'আমুন' দেবতার পূজা করত। মিসরের শাসক আপোফিসকে তার পিতা তৎকালীন পুরোহিতদের কুচক্রী স্বভাব সম্পর্কে সতর্ক করেছিলেন। এই পুরোহিতরা ধর্মের দোহাই দিয়ে রাজ্যসভা থেকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৈশব- কৈশোর বেলার গল্প

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪৭



আমাদের শৈশব ছিলো অতিশয় প্রাণপ্রাচুর্যময় যদিও শৃঙ্খলাপূর্ণ।
একালের মতো বিলম্বিত শয্যা ত্যাগ রীতিমতো গর্হিত অপরাধ! শয্যা ত্যাগ করেই বিশেষত অবকাশের দিন গুলোতে নিয়মিত গন্তব্য ছিলো কারো কারো খেলার... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতাঃ পাখির জগত

লিখেছেন ইসিয়াক, ০৯ ই মে, ২০২৬ সকাল ৭:০০



টোনাপাখি লেজ নাচিয়ে গাইছে মধুর গান।
গান শুনে টুনিপাখি আহ্লাদে আটখান।

টোনা যখন উড়ে ঘুরে অন্য ডালে বসে।
টুনি এসে ঠিক তখনই বসে তারই পাশে।

বুলবুলিদের পাড়ায় আজ দারুণ শোরগোল।
নানা শব্দের... ...বাকিটুকু পড়ুন

মোহভঙ্গ!

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ০৯ ই মে, ২০২৬ সকাল ৭:৪৮



পদ্মা সেতু নিয়ে কত অপবাদই না দেয়া হয়েছিলো! বলা হয়েছিলো- বাংলাদেশ কখনো নিজস্ব অর্থায়নে এত বড় প্রকল্প করতে পারবে না। দুর্নীতির অভিযোগ তুলে বিশ্বব্যাংক সরে দাঁড়ায়। অথচ শেষ পর্যন্ত... ...বাকিটুকু পড়ুন

×