somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

শুভ্রতার প্রতীক শুভ(আলী মাহমেদ)।

২৩ শে মে, ২০০৮ রাত ১০:০০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

(এই পোস্টটা লিখার কথা ছিল অনেক অনেক আগে, ব্লগিং যখন শুরু করেছিলাম সেই সময়ই। কিন্তু আমাকে কিছুক্ষণ আগেই গুগলটকে আমার একজন প্রিয় মানুষ বলে গেল আমার নাকি গোল্ডফিশের মেমরি। একদম ঠিক। এখন প্রিয় মানুষ/ব্লগার জ্বিনের বাদশাভাইয়ের পোস্ট পড়ে লেখাটার কথা মনে পড়ল আবার।)

আমি ব্লগিং শুরু করেছি এখানে আসার পর। দেশে থাকতে মাঝে মাঝে ঢুঁ মারতাম ব্লগে। কিন্তু নেশা ছিলনা ব্লগের। তাছাড়া শুধু লেখাটাই পড়তাম, কে লিখেছে সেটা তেমন খেয়াল করতামনা। ড়াজাকারদের লাফানি দেখতাম। তাদেরকে ব্লগাররা কিভাবে প্রতিরোধ করতেছে সেটাও দেখতাম। ২০০৭-এর জুনের প্রথম দিকে। বিবিএ শেষ হলে তাবলীগে চিল্লা দেওয়ার প্রস্তুতি নিলাম। কাকরাইলে গেলাম আমি আর আমার বন্ধু ঢাবি'র সমাজবিজ্ঞানে পড়ে জিয়া হলের জায়েদ। জায়েদ সম্পর্কে একটা ধারণা দিই। এই ছেলেটার মত পড়ুয়া ছেলে আরেকটাও দেখিনি আমি। আমি নিজে যা ভাল লাগে শুধু তাই পড়ি। কিন্তু জায়েদের সব ভাল লাগে। সে বংকিম, ইশ্বরচন্দ্র, কবিগুরু, শরৎ, নজরুল, জসিমউদ্দিন, ওয়ালিউল্লাহ, মুজতবা থেকে শুরু করে মার্ক্স, টলস্টয়, ভলতেয়ার সব পড়েছে। শুধু পড়েছে বললে ভুল হবে, বলা যায় গুলে খেয়েছে। বইগুলার বেশিরভাগ লাইনই মনে হয় তার মুখস্ত। কোট করতে বললে সঠিক জায়গায় সঠিক কোটটা করে টাসকি লাগিয়ে দেয় আমাদের। আপনারা কি মনে মনে চশমাধারী আঁতেলের মত চিন্তা করতেছেন তাকে? না। সে পান্জাবী, পাগড়িপড়া লম্বা দাড়ির হুজুর! মেয়েদের সম্পর্কে তার মতামত হল "even a bitch is beautiful in its youth!" মেয়ে একটাকে ভাল লাগাতে সে তারে গিয়ে বলেছে "আমি তোমাকে বিয়ে করতে চাই, রাজি আছ?" তার মতে প্রেমের শেষ পরিণতি যদি বিয়েই হয় তাহলে এত কষ্ট করে প্রেম না করে ডাইরেক্ট একশানে(বিয়ে) গেলেই ভাল। দীন-দুনিয়া দুটাই ঠিক থাকল।

তো জায়েদ আর আমি গেলাম জামায়াতে। জায়েদের যাওয়ার প্ল্যান ছিলনা। আমার একা ভাল লাগতেছেনা তাই তাকে ধরে বেঁধে নিয়ে গেলাম। বেচারার ১৫০০ টাকা খরচ করতে হয়েছিল আমার জন্য! কাকরাইল থেকে জামাতবন্ধি হলাম পরেরদিন। জামাতের সাথে আমরা ছাড়া আছে এসএসসি পরীক্ষার্থী ৭/৮ জন, একজন আলেম, চট্টগ্রামের একজন মুরুব্বী আর তাঁর ছেলে। চট্টগ্রামের লোক পেয়ে ভালই লাগল! আমি চাটগাঁইয়া কথা না বলতে পারলে ভাল লাগেনা! মুরুব্বী একজন মুক্তিযোদ্ধা, সেটা অবশ্য অনেক পরে জেনেছি। তার ছেলে একাউন্টিং-এ অনার্স ফাইনাল দিয়ে এসেছে চিল্লা দিতে। আমিও একাউন্টিং! তাই খাতির হতে দেরী হলনা। তাছাড়া তাকেই আমীর নিযুক্ত করা হল। আমাদের যেতে হবে ব্রাক্ষণবাড়িয়ায়। কমলাপুর থেকে গাট্টি নিয়ে উঠলাম বাসে। কিছুটা হাটতেও হয়েছিল। তো এভাবেই চলতেছিল জামায়াত। এক মসজিদ থেকে আরেক মসজিদ যাচ্ছি। জায়েদের জ্বালাময়ি ভাষন শুনতেছি। সে আলিম মাদ্রাসায় পড়েছে। তাই মাদ্রাসা সম্পর্কে তার ব্যাপক জানাশুনা। সেখানে কি আকাম-কুকাম হয় সেটা বলে আর আমি হাসতে হাসতে শেষ। উল্লেখ্য জায়েদ কিন্তু একজন ভাল আলেমও। আরেকজন আলেম যিনি আছেন তাকে হুজুরদের বিভিন্ন দোষ বলে খেপায় যখন ফ্রি থাকি তখন। অনেক ফান বলা যায়। তবে সে আলেমটার ধার্মিকতা আমাকে অবাক করত। এত ধার্মিক মানুষ খুব কম দেখা যায়। এসএসসি'র পোলাপাইনগুলোর কাজকর্ম দেখেও হাসতাম। সবার সাথেই খুব ভাল খাতির। প্রথম প্রথম তারা আমরা দুজনকে ভয় পেত মনে হয়, দূরে দূরে থাকত। পরে আমরা তাদের সাথে ভালই বন্ধুত্ব করে ফেলেছিলাম। ব্রাক্ষণবাড়িয়ায় বিদ্যুৎ সবসময় থাকে। এটা বিরাট প্লাস পয়েন্ট। কিছু কিছু মসজিদে জামায়াতি আর বিদআতিদের ব্যাপক প্রভাব তাই তাবলিগকে ঢুকতে দেয়না। যাহোক ভালই দিন কাটতেছিল। এর মধ্যে আমীর সাহেব আমাদেরই সমবয়সী হওয়াতে তার সাথেও ভালই জমতেছিল। পরে একদিন কথা বলতে বলতে জানলাম সে সামহয়ারে লিখে! আমি তাকে বললাম আমি তো সামহয়ার পড়ি। সে আশ্চর্য হল। তার নামটা বলতেছিনা কারন সে হয়ত মাইন্ড ইট করবে! তবে এখন সে তেমন নিয়মিত না। একদিন বলল তাকে নাকি আখাউড়া যেতে হবে। আমি জিজ্ঞেস করলাম কেন? সে বলল সেখানে নাকি একজন ব্লগার আছেন। সে কাছাকাছি এসেছে জানাতে আখাউড়ার ব্লগার তাকে যাওয়ার জন্য বলেছে। তাদের আগে থেকেই ফোনে যোগাযোগ ছিল। কথায় কথায় বলল আখাউড়ার ব্লগারের নাকি একুশে বইমেলাতে বইও বের হয়। তার মানে লেখক।

কয়েকদিন পরে বলল আমাকে আর জায়েদকেও নাকি সে নিয়ে যেতে চায়। আখাউড়া কোনদিন দেখা হয়নি। তাছাড়া ব্লগার/লেখক সম্পর্কেও মোটামোটি আগ্রহ আছে। তাই জায়েদ আর আমি দুজনই রাজি হয়ে গেলাম। পরেরদিন ট্রেনে উঠলাম সকালবেলায়। মনে হয় ৩টার দিকে আখাউড়া পৌঁছেছিলাম। এখন ঠিক মনে করতে পারতেছিনা। তারপর আমীর সাহেব ফোন করে ব্লগারের কাছ থেকে ঠিকানা আর যাওয়ার সিস্টেম জেনে নিল। আমরা রিকসা করে গেলাম। আখাউড়া শহরটা ছোট খুব কিন্তু খুব সুন্দর। পরিষ্কার ছিমছাম। রিকসা থেকেই নেমেই ব্লগার/লেখকের সাথে দেখা। আমরা তিনজনকে দেখে মনে হয় তিনি একটু হতাশই হয়েছিলেন প্রথমে। তিনজনের মধ্যে দুজনে পান্জাবী-পাজামা-টুপি পড়া, দাড়ি-গোঁফ নিয়ে পুরা মৌলানা! আমি অবশ্য জিন্স আর টি-শার্ট পড়েই গেছিলাম। তিনজনের চেহারা-সুরত দেখে যে কেউ তেমন পাত্তা দেওয়ার কথা না। যাহোক, পরে বুঝলাম আসলে তিনি পাত্তা দেননি সেটা ঠিকনা। তিনি একটু রিজার্ভ থাকেন। আমাদেরকে নিয়ে উনার বাড়িতে গেলেন। ঢুকার সময়ই একটা টাসকি খেলাম! বাঁশের তৈরী চমৎকার গেইট। দেখলেই কেমন জানি শৈল্পিক একটা ভাব আসে। গেইট পার হয়ে গেলাম ঘরে। ঘরটা অনেক পুরাতন। মনে হয় ব্রিটিশ আমলের। উঠানে নানা প্রজাতির গাছ। দেখলে সম্ভ্রান্ত কোন জমিদার (অত্যাচারী না!) বাড়ীর কথা মনে আসে। বাগানটা দেখলে রুচিবোধের পরিচয় পাওয়া যায়। ভিতরে ঢুকলাম। বারান্দায় বসলাম। বারান্দায় চারদিকে দেয়াল দেখে আরো টাসকি খাওয়ার পালা। বিভিন্ন ধরণের সুন্দর শৈল্পিক মুখোশ, লাংগল, অনেক পুরানো বিভিন্ন শৈল্পিক জিনিসপত্রে সাজানো। সব এখন আমার মনেও পড়তেছেনা। যেখানে বসেছি সেই সোফাগুলোও ভিন্নধরণের। ঘরের মধ্যে একটা গ্রাম্য কিন্তু শৈল্পিক ভাব আছে। না দেখলে আসলে বুঝানো সম্ভব না। ব্লগার সম্পর্কে আমার কৌতুহল বাড়তে লাগল। উনার সাথে কথাবার্তা বলতে থাকলাম। আমি শ্রোতা সবসময়ের মতই। জায়েদই কথা বলছে। আমাদের আমীর সাহেবও কথা বলছে। লেখক/ব্লগার সাহেব আমাদেরকে আপ্যায়ন করলেন। তাঁর স্ত্রী বেড়াতে গেছেন বাপের বাড়ি। তাঁর মা আছেন, তিনিই আমাদের জন্য কষ্ট করছেন। তাঁর স্টাডি রুমে গেলাম। শেলফে মোটামোটি অনেক বই দেখা যাচ্ছে। বেশিরভাগই বাংলাতে। উনার পিসিটা ওখানেই আছে। তিনি তখন ব্লগস্পটে লেখা শুরু করেছেন। আমীর সাহেবের সাথে ব্লগের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করছেন। মানুষটা প্রচন্ড আবেগপ্রবণ বুঝা গেল। আবেগপ্রবণ মানুষরা খুবই ভাল মানুষ হন। তাঁর সামহয়ারে লেখার সব প্রিন্টআউট আছে। সেগুলো দেখলাম। আমীর সাহেবের সাথে তাঁর এসব নিয়ে কথা হচ্ছে। আমি ব্লগে তখনও আউটসাইডার। তাই কোন মতামত দিতে পারছিলামনা। উনি বললেন সামহয়ারের সব লেখা তিনি ড্রাফট করেছেন, পরে মনে হয় ডিলিটও করে দিছেন। আরও পরে জায়েদের সাথে সাহিত্য নিয়ে তুমুল আলোচনা করলেন। আমার নিজের বাংলা সাহিত্যে তেমন ভাল দখল নেই। জায়েদের সাথে তুলনা দিলে কিছুইনা বলতে গেলে। দুজনের আলোচনা শুনতেছি। এই আখাউড়ার ব্লগারের নাম নিশ্চয়ই বুঝে গেছেন এতক্ষণে? তিনি হলেন "শুভ"। এখন "আলী মাহমেদ" নামে ব্লগস্পটে লিখেন। আপনি যদি তার ব্লগস্পটে যান তাহলে তাঁর বাড়িটা দেখতে কিরকম সেটার একটা ধারণা পাবেন মনে হয়। ছিমছাম, সাজানো-গোছানো ব্লগ। আলী মাহমেদের বয়স আনুমানিক ৪০ হবে। দেখতে অবশ্য আরো কম লাগে, মনে হয় ৩০/৩২।

তো জায়েদের সাথে আলোচনার সময় আমি এক ফাঁকে বাথরুমে গেলাম। বাথরুম মানুষের রুচির পরিচয় দেয়। তা আবার প্রমাণ পেলাম। সেই আখাউড়ায় যা বাথরুম দেখে এসেছি তা এখনও আশ্চর্য লাগে। ঢুকার সময়ই বাথরুমের দরজার উপরে লেখা ছিল গোলাম আজম খানা বা সেরকম কিছু। মানে গোলাম আজমের মুখের ভিতর বাথরুম সার! বাথরুমে সবসময়ই একটা সেন্ট আসতেছে, কোথ্থেকে আসতেছে সেটা ধরতে পারিনি অবশ্যই। কার্পেট বিছানো। বাথটাবও আছে। যেই বক্স থেকে ফ্লাশ করা হয় (বক্সের নামটা জানিনা!) সেখানের উপরে দেখলাম হু. আ.-এর "পাক সার জমিন বাদ"-এর কাভারপেজ! আমি টাসকি খেয়ে গেছি। পাশে আরো অনেক পুরনো ম্যাগাজিনও দেখলাম। কারন জিজ্ঞেস করাতে উনি সুন্দর একটা যুক্তি দিয়েছিলেন হু. আ.-এর বইয়ের কাভার রাখার জন্য। এখন ভুলে গেছি। বাথরুমে আরো লক্ষনীয় বিষয় ছিল যা আমার মনে পড়ছেনা। বাথরুম থেকে ফিরে এসে দেখলাম জায়েদের সাথে তাবলীগ বিষয়ে কথা হচ্ছে আলী মাহমেদ ভাইয়ের। আলী মাহমেদ ভাই ধর্ম-কর্ম সম্পর্কে উদাসীন। নাস্তিকও না আবার আস্তিকও না। মোটকথা ওসব নিয়ে তিনি ভাবেননা। তাই তাবলীগের কনসেপ্টটা তার বুঝে আসতেছেনা। তাবলীগের বিরুদ্ধে কয়েকটা যুক্তি উনার অবশ্য জানা ছিল সেগুলো বললেন। কোন জামায়াত যাওয়ার সময় নাকি কলার খোসা রাস্তা থেকে সরায়নি যা তাঁর চোখে লেগেছে। জায়েদকে দেখলাম সবকিছু ব্যাখ্যা করতেছে। যাহোক, এরপরে আমাদেরকে খাওয়ার জন্য ডাকলেন। তাঁর মা'র হাতের রান্না। অনেক রকম পদের রান্না। তবে তার চেয়েও বেশি হচ্ছে আমাদের মত অপরিচিত মানুষদের জন্য যা যত্ন করে রান্না করা হয়েছে সেটা দেখলে লজ্জা লাগছিল। খাওয়া-দাওয়া শেষে আবারও অনেকক্ষণ কথা হল। তাঁর লেখা বইগুলোও দেখলাম। কাজী আনোয়ার হোসেনের কোন বইয়ের কোন একটা চরিত্র "আলী মাহমেদ' এর ছায়ায় রচিত। অবশ্য আলী মাহমেদ সাহিত্যের চরিত্রের জন্য একদম পারফেক্ট হবেন। আবেগী, রহস্যময়, যুবক, অসম্ভব ভাল মানুষ।


জায়েদের নিঃশ্বাস নিতে সমস্যা হচ্ছিল। তার এটা অনেক আগের সমস্যা। আলী মাহমেদভাই সেটা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলেন। আর কোন একটা ওষুধের কথাও বললেন। চলে আসার সময় আলী মাহমেদভাই আমাদেরকে একটু থামতে বললেন। একটা ওষুধের দোকানে গেলেন। আমরা তখনও বুঝতে পারিনি কেন গেলেন। পরে দেখি জায়েদের জন্য যে ওষুধটার কথা বললেন সেটা কিনে নিয়ে আসলেন আর জায়েদকে দিলেন। জায়েদ আর আমরা অবাক হয়ে গেলাম! নিতে না চাইলেও এবং টাকা দিতে চাইলেও কোনমতেই নিলেননা। আমাদেরকে চাবির গোছা দিলেন একটা করে। আমি এখন সেটা ব্যবহার করি।

আখাউড়ার সেই দিনটি আমার মনে বিরাট ছাপ ফেলেছিল। বাংলাদেশের আনাচে কানাচে এরকম কত অসাধারণ মানুষ লুকিয়ে আছে কে জানে। আলী মাহমেদ ভাইকে কোনদিনই ভুলবনা মনে হয় আর। আমরা কয়েকজন অপরিচিত মানুষ, যাদের সাথে তার আর কোনদিন দেখা হওয়ার সম্ভাবনা নেই, কোন ফেভার পাওয়ার কোন চান্স নেই, তাদেরকে তিনি যেভাবে ট্রিট করেছেন সেটা নিতান্তই আশ্চর্য্যের বিষয়। ট্রেণে বসে আসার সময় আমরা তাঁর কথা আলাপ করছিলাম আর আশ্চর্য্য হচ্ছিলাম। এটা না যে এরকম আতিথ্য আর পাইনি কোনদিন। কিন্তু আলী মাহমেদের ওখানে কেমন জানি কিছু একটা ছিল, ঠিক বুঝানো যাবেনা। এ যেন এক ছোটগল্প, শেষ হইয়াও হইল না যেন শেষ।


প্রিয় আলী মাহমেদ, আপনি হয়ত এই পোস্টটা কখনও পড়বেননা। আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা, অনেক অনেক ভালবাসা। আপনি খুব ভাল থাকবেন, অনেক অনেক ভাল। আপনার মত এরকম খাঁটি রক্ত-মাংশের মানুষের খুবই দরকার। কিছু মানুষ আছে যাদেরকে দেখলেই মনে হয় এরা শুভ্রতার প্রতীক, এরা ভালত্বের প্রতীক। আজকে প্রায় ১ বছর পর স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে মনে হচ্ছে আপনাকে ব্যাখ্যা করার সবচেয়ে ভাল উপায় এই একটাই বাক্য। আপনি শুভ্রতার প্রতীক।


সংযুক্তি১: অনেক দিন আগের ঘটনা। আমার মেমরী খুবই খারাপ। তাই কোন ডিটেলস্‌ ভুল হওয়ার চান্স উড়িয়ে দেয়া যায়না।
সংযুক্তি২: আলী মাহমেদের ব্লগ
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে মার্চ, ২০১৩ সকাল ১১:৪৯
২৮টি মন্তব্য ২৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আহা প্রেম!

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১৯ শে জুন, ২০১৯ বিকাল ৫:৪০



ইনবক্সের প্রেমের আর কী বিশ্বাস বলো
এসব ধুচ্ছাই বলে উড়িয়ে দেই হরহামেশা
অথচ
সারাদিন ডেকে যাও প্রিয় প্রিয় বলে.....
একাকিত্বের পাল তুলে যে একলা নদীতে কাটো সাঁতার
সঙ্গী হতে ডাকো প্রাণখুলে।

এসব ছাইফাঁস আবেগী... ...বাকিটুকু পড়ুন

ট্রলিং, বাঙালি জাতি ও খাদ্যে ভেজাল।

লিখেছেন মঞ্জুর চৌধুরী, ১৯ শে জুন, ২০১৯ রাত ১০:১৬

ট্রলিং বিষয়টা আমার অসহ্য লাগে। এমন না যে আমার সেন্স অফ হিউমার নেই, বা খারাপ। কিন্তু বাঙালি ট্রলিংয়ের সীমা পরিসীমা সম্পর্কে কোনই ধারণা রাখে না। ফাজলামি করতে করতে আমরা এমন... ...বাকিটুকু পড়ুন

কাছাকাছি থেকেও চির-অচেনা

লিখেছেন চাঁদগাজী, ১৯ শে জুন, ২০১৯ রাত ১১:২৪



স্ত্রীর জন্য স্যান্ডেল কিনতে বের হয়েছি; আমি ট্রেনে যাবার পক্ষে ছিলাম, গাড়ীর পার্কিং পাওয়া মোটামুটি অসম্ভব ব্যাপার; আরো ২/১ যায়গায় যেতে হবে, শেষমেষ গাড়ী নিয়ে বের হতে হলো; রেসিডেন্সিয়েল... ...বাকিটুকু পড়ুন

রাস্তায় পাওয়া ডায়েরী থেকে- ৯৮

লিখেছেন রাজীব নুর, ২০ শে জুন, ২০১৯ রাত ১২:২১


বাংলাদেশের জয় উদযাপন।

১। ভালো লেখক হতে হলে সর্বাগ্রে ভালো পাঠক হতে হবে। পাঠক হবার আগেই যদি সমালোচক হতে চাও, তবে তা হবে বোকামী। বিচারক হতে যেও না,... ...বাকিটুকু পড়ুন

আগে শিক্ষা তারপর সমালোচনা।

লিখেছেন মাহমুদুর রহমান, ২০ শে জুন, ২০১৯ দুপুর ২:৪১



পাঠকেরা সুন্দর সুন্দর মন্তব্য করবেন, ভালো না লাগলে চুপ করে কেটে পড়বেন, লেখার সমালোচনা করা যাবে না, লেখার উপর বিরূপ মন্তব্য করা যাবে না; তা'হলে, ব্লগ আপনার জন্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

×