আমার কিছু কথা ।
এখানে ৯৫ % মতামত নিরদলীয় সরকার ও সুষ্ট নির্বাচনের পক্ষে । ৯৫ ভাগ মানুশের মতামত কে উপেক্ষা করে আওমিলীগ যদি একক ভাবে নির্বাচন করতে চায় । তবে দেশের এই মানুষ গোল যে জাগবে না তার গ্যারান্টি কি ? শহিদ জিয়ার আদর্শে গড়া এই দলটাকে এত দুর্বল ভাবা ঢিক হবে না । যে অন্যায় অত্যাচার আচরন বর্তমান সরকার এই দলটির প্রতি করেছে তার জবাব ব্যালটের মাধ্যমে জনগন দিবে , আর তা জেনেই নিল নকশার নির্বাচন করতে তারা সব রকম ষড়যন্ত্র শুরু করছে ।
Click This Link
পাঠকের মতামত -
বিএনপিকে ছাড়াই নির্বাচন করতে চায় আ.লীগ
টিপু সুলতান | তারিখ: ২৬-০৮-২০১২
৬৬ মন্তব্য
প্রিন্ট
ShareThis
Share on Facebook
prothom-alojobs news details small ad
« আগের সংবাদ পরের সংবাদ»
নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি পুনর্বহাল নয়, বর্তমান সংবিধানের আলোকে অন্তর্বর্তী সরকারের অধীন আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন করার ব্যাপারে নীতিগতভাবে শক্ত অবস্থান নিয়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। সেই নির্বাচনে প্রধান বিরোধী দল বিএনপি না এলে তাদের ছাড়াই নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যাপারে সরকারের মধ্যে দৃঢ় অবস্থান রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা গেছে।
বিএনপিকে বাদ দিয়ে ক্ষমতাসীন মহাজোটের শরিক এরশাদের জাতীয় পার্টিকে (জাপা) সঙ্গে নিয়ে আওয়ামী লীগ নির্বাচন করতে চায়। এ জন্য বিএনপিকে নির্বাচনের বাইরে রাখার মতো পরিস্থিতিও সৃষ্টি করা হতে পারে। বিএনপির একাধিক নেতাও এই আশঙ্কার কথা বলেছেন। তাঁদের অভিযোগ, এ জন্য বিএনপিকে আরও দুর্বল করতে বিভিন্ন মামলায় শীর্ষস্থানীয় নেতাদের কাবু করাসহ বিভিন্ন তৎপরতার ছক কষা হচ্ছে। দলটির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রথম আলোকে বলেন, ‘সাজানো নির্বাচন করতে সরকারের নীলনকশার কথা আমরা জানি, এটা মোকাবিলা করার সামর্থ্য বিএনপির আছে।’
বিএনপির জ্যেষ্ঠ এক নেতা বলেন, বিএনপিকে বাদ দিয়ে নির্বাচন হলে সেই নির্বাচন দেশের ভেতরেই শুধু নয়, আন্তর্জাতিকভাবেও স্বীকৃতি পাবে না। আর একতরফা নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় গিয়ে কোনো দল বেশি দিন টিকতে পারবে না। বিএনপিও ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি এ রকম নির্বাচন করে টিকতে পারেনি।
সরকার ঘনিষ্ঠ একাধিক মহল থেকে জানা গেছে, এখন পর্যন্ত যে চিন্তা-পরিকল্পনা, তাতে আগামী নির্বাচনে সেনাবাহিনীকে যুক্ত করার সম্ভাবনা নেই। সে ক্ষেত্রে পুলিশ, বিডিআর, র্যাব, আনসার মোতায়েন করে যাতে সুষ্ঠু নির্বাচন করা যায়, সে জন্য বিভাগ ধরে একাধিক দিনেও ভোট গ্রহণ করা হতে পারে। এ নিয়ে এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে বিষয়টি আলোচনার পর্যায়ে আছে। এ ছাড়া সরকার আকস্মিক আগাম নির্বাচন দিতে পারে বলেও আলোচনা আছে। তবে আগাম নির্বাচনের ব্যাপারে এখন পর্যন্ত দলের ভেতর কোনো আলোচনা হয়নি বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ। তিনি বিএনপি ছাড়া নির্বাচনের পরিকল্পনার কথা নাকচ করে প্রথম আলোকে বলেন, ‘আওয়ামী লীগ গণতন্ত্রে বিশ্বাসী দল। আওয়ামী লীগ চায় সব রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন।’
বর্তমান জাতীয় সংসদের মেয়াদ শেষ হবে ২০১৪ সালের ২৪ জানুয়ারি। সংবিধানের ১২৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সংসদের মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্ববর্তী ৯০ দিনের মধ্যে সংসদ নির্বাচন করতে হবে। অর্থাৎ, আগামী বছরের ২৭ অক্টোবর থেকে ২০১৪ সালের ২৪ জানুয়ারির মধ্যে সংসদ নির্বাচনের আয়োজন করতে হবে। কিন্তু নির্বাচনকালীন সরকার প্রশ্নে প্রধান দুই রাজনৈতিক দল পরস্পরবিরোধী শক্ত অবস্থানে রয়েছে। বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বলছেন, নির্দলীয় সরকার ছাড়া তাঁর দল নির্বাচনে যাবে না। ওই নির্বাচন হবে না, হতে দেওয়া হবে না। আর আওয়ামী লীগ বলছে, উচ্চ আদালতের রায়ের কারণে তত্ত্বাবধায়ক সরকারে ফিরে যাওয়ার সুযোগ নেই। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও বলে আসছেন, কোনো অনির্বাচিত ব্যক্তির কাছে ক্ষমতা দেওয়া হবে না।
এই অবস্থায় নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে প্রধান দুই দলের মধ্যে সমঝোতার কোনো সম্ভাবনা দেখছেন না রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকেরা; বরং সংঘাতময় পরিস্থিতির আশঙ্কা করছেন।
হাসিনার নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার: আওয়ামী লীগের নেতারা বরাবরই দাবি করে আসছেন, তাঁদের লক্ষ্য হচ্ছে, বর্তমান সংবিধানের আওতায় অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে সব দলের অংশগ্রহণমূলক জাতীয় নির্বাচন করা।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, সংবিধানের আলোকে নির্বাচনকালীন যে অন্তর্বর্তী সরকারের কথা বলা হচ্ছে, প্রকারান্তরে তা দলীয় সরকারই হবে। আর তাতে প্রধান হিসেবে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাই থাকবেন। তবে এমন আলোচনাও আছে, শেষ মুহূর্তে উদ্ভূত কোনো পরিস্থিতির কারণে যদি শেখ হাসিনা অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হতে না পারেন, সে ক্ষেত্রে দলের ভেতর থেকেই কাউকে প্রধান করা হতে পারে। কিন্তু অনির্বাচিত কাউকে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান করা হবে না।
অবশ্য এর আগে বিদেশি গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রস্তাব করেছেন, বিএনপি চাইলে অন্তর্বর্তী সরকারে যোগ দিতে পারে। বিএনপি সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে। দলটির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, নির্দলীয় সরকার ছাড়া কোনো অবস্থাতেই বিএনপি নির্বাচনে যাবে না। এ রকম নির্বাচন জনগণ যাতে বর্জন করে, বিএনপি সর্বাত্মক সে চেষ্টাই করবে।
বিএনপিকে কোণঠাসা করার পরিকল্পনা: দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে খোঁজখবর রাখেন এমন একাধিক সূত্র থেকে জানা গেছে, আরেক মেয়াদে ক্ষমতায় আসার ব্যাপারে সক্রিয় রয়েছে আওয়ামী লীগ। এ জন্য সম্ভাব্য সব রকম কৌশল, চেষ্টা-তৎপরতা চালানো হবে। এরই অংশ হিসেবে বিএনপিকে কোণঠাসা করতে খালেদা জিয়া, তারেক রহমানসহ বিরোধী দলের শীর্ষস্থানীয় বিভিন্ন নেতার বিরুদ্ধে করা মামলাগুলোর বিচারকাজ দ্রুত শেষ করা হতে পারে। মামলায় সাজা হলে এসব নেতা আগামী নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন না। আবার বিএনপির একাংশকে চাপে ফেলে নির্বাচনে আনার চিন্তাও আছে ক্ষমতাসীন দলের।
সরকার বিএনপিকে ভাঙতে ষড়যন্ত্র করছে বলে কয়েক মাস আগে দলের পক্ষ থেকে অভিযোগও করা হয়। আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক এই অভিযোগ অস্বীকার করা হলেও সরকারের একটি সংস্থার মাধ্যমে বিএনপিতে নেতৃত্ব নিয়ে ক্ষুব্ধ-বঞ্চিত নেতাদের ব্যাপারে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে বলে খবর পাওয়া গেছে।
মির্জা ফখরুল প্রথম আলোকে বলেন, সরকার হিংসাত্মকভাবে বিরোধী দলকে নিশ্চিহ্ন করতে চায়। তাঁর দাবি, বিএনপিকে ধ্বংস করার চেষ্টা এক-এগারোর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলেও হয়েছিল। সেটা ব্যর্থ হয়েছে। বর্তমান সরকারের চেষ্টাও ব্যর্থ হবে।
আন্তর্জাতিক মহলের দিকে চেয়ে আছে বিএনপি: বিএনপির কেন্দ্রীয় আরেক নেতা জানান, তাঁরা মনে করছেন, নির্দলীয় সরকারের অধীন নির্বাচন হলে বিএনপি ক্ষমতায় যাবে। আর, আওয়ামী লীগ শেষ পর্যন্ত আন্দোলনের মুখে এবং বিদেশিদের চাপে নির্দলীয় সরকারের দাবি মানতে বাধ্য হবে। মির্জা ফখরুলও এই প্রতিবেদককে বলেছেন, তাঁরা নির্দলীয় সরকারের প্রয়োজনীয়তা আন্তর্জাতিক মহলের কাছে তুলে ধরবেন। বিএনপির অনেক নেতার বিশ্বাস, পশ্চিমা প্রভাবশালী রাষ্ট্রগুলোকে দিয়ে শেখ হাসিনা সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করে নির্দলীয় সরকার প্রশ্নে একটা সমঝোতা হবে।
কিন্তু রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকেরা মনে করেন, সমঝোতার সম্ভাবনা খুবই কম। পদ্মা সেতু, গ্রামীণ ব্যাংক ও ড. মুহাম্মদ ইউনূস প্রশ্নে সরকারের সাম্প্রতিক যে ভূমিকা, তাতে নির্বাচন প্রশ্নে পশ্চিমা বিশ্বের চাপকে শেখ হাসিনা কতটা আমলে নেবেন, তা নিয়ে সংশয় আছে। এ ছাড়া আন্দোলন করে দাবি আদায়ের মতো সাংগঠনিক সামর্থ্য বিএনপি এখন পর্যন্ত অর্জন করতে পারেনি। তার ওপর দলটির নেতাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব, অবিশ্বাসসহ দলটির ভেতরে অনেক সংকট রয়েছে। দলের দ্বিতীয় শীর্ষ নেতা তারেক রহমানের ব্যাপারে অনেক নেতার মধ্যে অস্বস্তি আছে। অনেকে সম্পত্তি রক্ষা ও মামলা থেকে বাঁচতে সরকারের সঙ্গে গোপনে সমঝোতা করতে পারেন।
জামায়াত নিয়ে সতর্কতা: এ ছাড়া বিএনপির নেতৃত্বাধীন ১৮ দলীয় জোটে বিএনপির পর জামায়াতে ইসলামী ছাড়া আর কোনো দলের উল্লেখ করার মতো সাংগঠনিক শক্তি-সামর্থ্য নেই। সরকারি মহলগুলো মনে করে, বিএনপি আন্দোলন কর্মসূচি দিলে মাঠে মারদাঙ্গা ভূমিকা রাখার মতো কিছু সামর্থ্য আছে জামায়াতের। তাই বর্তমান সরকার শুরু থেকেই জামায়াতকে চাপে রেখেছে। দলটিকে দুর্বল করতে কিছু কৌশল নিয়ে সরকারের ভেতরে চিন্তাভাবনা আছে। এমনিতে জামায়াতের শীর্ষস্থানীয় আটজন নেতা একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে বিচারের মুখোমুখি আছেন। এ সরকারের বাকি মেয়াদের মধ্যে তাঁদের মামলার বিচার শেষ হওয়ার সম্ভাবনা আছে। আর, এ বিচার শুরু হওয়ার পর জামায়াতের ব্যাপারে বিএনপিও সতর্ক। বিএনপি জামায়াতের সঙ্গে কিছুটা দূরত্ব বজায় রেখে চলছে। এ অবস্থায় বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোট থেকে জামায়াতকে সরাতে এসব মামলাকে পুঁজি করে সরকার কিছু কৌশল আঁটতে পারে বলে দল দুটির একাধিক নেতা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।
এরশাদ ও আ.লীগের একই লক্ষ্য: দলীয় সূত্রগুলো জানায়, এরশাদের জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগের মধ্যে একটা বিষয়ে মতৈক্য রয়েছে, যেভাবে হোক বিএনপিকে দুর্বল করতে হবে, ক্ষমতায় আসতে দেওয়া যাবে না।
দল দুটির একাধিক সূত্র জানায়, বিএনপি আগামী নির্বাচনে অংশ নিলে এরশাদ জোটগতভাবে নির্বাচন করবে। আর বিএনপি না গেলে এরশাদ আলাদা ভোট করবেন।
ঈদের আগ দিয়ে ভারত সফর শেষে দেশে ফিরে এরশাদ এখন প্রধানমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্নও দেখছেন বলে তাঁর দলের একাধিক সূত্র জানিয়েছে। এরশাদ এ ব্যাপারে মিত্রদের সহযোগিতা চেয়েছেন। ভারত থেকে এসে তিনি আগামী নির্বাচনে এককভাবে ৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার কথাও বলেছেন। জাপার নেতারা মনে করেন, বিএনপি নির্বাচনে না গেলে, তাদের সব ভোট জাপার বাক্সে পড়বে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, বিএনপি বর্জন করলে নির্বাচন কত বেশি সুষ্ঠু করা যায়, সে ব্যাপারে সচেষ্ট থাকবে সরকার। তাতে এরশাদের জাতীয় পার্টি কোনো কারণে বেশি আসন পেলে সেটাও আওয়ামী লীগ মেনে নেবে।
জাপার একাধিক সূত্র জানায়, এরশাদ মনে করছেন, বিএনপিবিহীন নির্বাচনে এরশাদের দল জিতলে ওই নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা বাড়বে। আওয়ামী লীগও বড় গলায় বলতে পারবে, বিএনপি আসেনি, কিন্তু নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে। আর এরশাদ ক্ষমতায় যেতে পারলে তাঁর প্রধান লক্ষ্য হবে বিএনপিকে বিপর্যস্ত করে ফেলা, যাতে পরবর্তী নির্বাচনে আওয়ামী লীগ আবার ক্ষমতায় আসতে পারে। এরশাদ ও আওয়ামী লীগের মধ্যে এ রকম একটা সমঝোতার কথা বিভিন্ন মহলে আলোচনা হচ্ছে। এরশাদের ভারত সফরের পর মূলত এ আলোচনা ডালপালা মেলেছে।
অবশ্য জাপার মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদার প্রথম আলোর কাছে দাবি করেন, দুই দলের শাসন দেশের মানুষ দেখেছে। এখন জনগণ এরশাদকে চায়। তিনি বলেন, ভারত বাংলাদেশের বন্ধুপ্রতিম দেশ। তারাও চায় এ দেশে গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা বজায় থাকুক।
পাঠকের মন্তব্য
পাঠকদের নির্বাচিত মন্তব্য প্রতি সোমবার প্রথম আলোর সম্পাদকীয় পাতায় প্রকাশিত হচ্ছে।
মন্তব্য লিখতে সমস্যা হলে এখানে ক্লিক করুন
আমি প্রথম আলোর মন্তব্য প্রদানের নীতিমালায় সম্মতি দিচ্ছি আপনি কি পরিচয় গোপন রাখতে চান এখানে ক্লিক করুন
zahid
zahid
২০১২.০৮.২৬ ০২:৩৮
BOTH PARTY DESTROY THE DEVELOPMENT OF THE COUNTRY THROW THEM OUT OF THE COUNTRY.
Abdullah Al-Mamun. রংপুর ।
Abdullah Al-Mamun. রংপুর ।
২০১২.০৮.২৬ ০২:৫২
বিএনপি দেশের প্রধান বিরোধী দল । ভোটারের আনুপাতিক হার আওয়ামিলীগ এবং বিএনপির প্রায় সমান । বিএনপির ব্যাপক জনসমর্থন রয়েছে । দলটির প্রতি বিদেশীদেরো দৃষ্টি রয়েছে । এমন পরিস্থিতিতে বিএনপিকে ছাড়া নির্বাচনে যাওয়াটা হবে আত্নঘাতী ।
Monir
Monir
২০১২.০৮.২৬ ০৩:২২
AL should not forget February 1996
Chowdhury
Chowdhury
২০১২.০৮.২৬ ০৩:৪৮
একতরফা নির্বাচন করে বিএনপি ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি বেশী দিন টিকতে পারেনি বলে আওয়ামি লীগও পারবেনা- যারা এমনটি ভাবেন তারা বোকার সরগে বাস করেন। মির্জা ফখরুলের বক্তব্য মতে -সাজানো নির্বাচন করতে সরকারের নীলনকশার মোকাবিলা করার সামর্থ্য বিএনপির আছে কিনা আমার সনেদহ আছে । আমার ধারনা আওয়ামি লীগের সাথে নূতন একটা ত্বতীয় শক্তি আসছে। এই শক্তিতে থাকবে ড. ইউনুছ, আইনজীবি রফিকূল হক, এবং বিএনপি আওয়ামিলীগের দলত্যাগী কিছু নাম করা নেতা ।
২০১২.০৮.২৬ ০৪:৫৬
Election without BNP will not be accepted by any one inside or outside Bangladesh! Let's wait and see whether Sheikh Hasina make the same mistake made by BNP prior 1/11.
MAZEED
MAZEED
২০১২.০৮.২৬ ০৫:২৮
The party who does support the razakars... The party who wanted to kill every leaders of the oppositions by bombing, has no rights to participate in any elections of the country.
২০১২.০৮.২৬ ০৬:০১
বি এন পিকে বলছি, কান খুলে শুনে রাখুন । আগামী জাতীয় নির্বাচন বলে কোন নির্বাচনই এদেশে হবে না । এদেশে অন্য কিছু হতে চলেছে । তার জন্য প্রস্তুতি নেন ।
Mahtaf Hossain
Mahtaf Hossain
২০১২.০৮.২৬ ০৬:১৯
আওয়ামী লীগ ও বিএনপি-র শাসন দেশের মানুষ দেখেছে- এটা যেমন ঠিক, তেমনি এরশাদের জাতীয় পার্টির শাসনও কিন্তু এ-দেশের মানুষ দেখেছে। এগুলোর মধ্যে কোনটা `ভাল' আর কোনটা `পচা' তা বোঝার সামর্থ্য এদেশের মানুষের হয়েছে।
শঠতা আর হঠকারিতার আশ্রয় না নিয়ে নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের জনগণের `মতামত' যাচাই করুন, দেখুন, প্রকৃত-অর্থে তারা কি করে।
s.nahar bithi
s.nahar bithi
২০১২.০৮.২৬ ০৭:১৬
বাংলাদেশের জম্ন লগ্ন থেকে এ পর্যন্ত কোন দল একক ভাবে নির্বাচন করে ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারেনি আওয়ামীলীগ ও পারবে না । তাতে আওয়ামীলীগের পরবর্তী রাজনীতি বিএপির মত অবস্থায় চলে যেতে পারে । আওয়ামীলীগ তাতে সীমাহীন ক্ষতিগ্রস্ হবে ।বাংলাদেশের জনগন তা কোন দিন মেনে নেবে না ।
Anwarul Azim
Anwarul Azim
২০১২.০৮.২৬ ০৮:১৫
নিকট অতীত কালে বিএনপিও এমন একটি একদলীয় নির্বাচন করেছিল, কিন্তু সেটা গ্রহণযোগ্যতা পায়নি। ক্ষমতাসীনরা বোধহয় সেটা ভুলে গেছেন। আমরা ভুলি নি। মনে রাখবেন, ইতিহাস মনে রাখা খুব জরুরী।
Forhad
Forhad
২০১২.০৮.২৬ ০৮:১৭
যাক ভালই হলো .... "উদ্দিনদের" খমতায় আসার সুযোগ হবে।
shawon
shawon
২০১২.০৮.২৬ ০৯:০০
অবৈধভাবে এবং একনায়কতন্ত্র সরকার কোন দেশেই টিকতে পারেনি, সাদ্দম হোসেন পারেনি, গাদ্দফিও পারেনি, বাসার ও পারবে না, B.A.L ও. টিকবে না।
T Alahee
T Alahee
২০১২.০৮.২৬ ০৯:০৪
এতসব হিসাব নিকাশ অথচ তাতে জনগনের কোন ভুমিকা নাই। আওয়ামীলীগের মত দল জনগনের মুখোমুখি হবার সাহস হারিয়ে এমনসব কান্ডকারখানার অবতারনা করছে তা বিশাস করতে কষট হচ্চে। জনমত পক্কে না থাকলে এগুলোর কোনটাই ধোপে টিকবে না। গত নির্বাচনে বিএনপির অবসথা এতটা খারাপ হত না যদি তারা কেএম হাসান-ইয়াজউদ্দিনদের নিয়ে এত কুটচাল না খেলত। আওয়ামীলীগের শীর্ষ নেতৃতব যত তাড়াতাড়ি বাসতবতা বুঝতে পারবে ততই মংগল।
২০১২.০৮.২৬ ০৯:০৭
চাইলেই যদি সব কিসু পাওযা যেত ..............
ZIA HAQ
ZIA HAQ
২০১২.০৮.২৬ ০৯:১১
দেশটা নয়তো কারো বাপের ভিটা............
sayed Ahmed
sayed Ahmed
২০১২.০৮.২৬ ০৯:১১
With the help of dictator Ershad AL desire to come to the power again by any means will not success.
rather General people will suffer for few days.
Imam hossen
Imam hossen
২০১২.০৮.২৬ ০৯:১৬
আওয়ামি লিগ এবং এরশাদের plan দেখে মনে হচছে আমি আলিফ লাইলার গলপ শুনছি। এরশাদ যদি খমতায় যায় ও তাহলে আওয়ামি লিগ পরের বার খমতায় যাওয়ার আশায় বশে থাকবে। এর মাঝের পাচ বছর এরশাদ ঠক মত দেশ চালাবে, আওয়ামি লিগ কোন আনদোলন করবে না। আলিফ লাইলার গলপও এর কাছে হার মানে।
mahfuza bulbul
mahfuza bulbul
২০১২.০৮.২৬ ১০:১৬
''আওয়ামীলীগ গণতন্ত্রে বিশ্বাসী দল।'' তবে আ্ওয়ামীলীগের গণতন্ত্রের সিল মারা আলখেল্লার নিচে স্বৈরচারের বাস।
ibne mizan
ibne mizan
২০১২.০৮.২৬ ১০:১৭
বিএনপি ও এ রকম একটা কিছু করেছিল। কিন্তু টিকতে পারে নি।
Moniruzzaman
Moniruzzaman
২০১২.০৮.২৬ ১০:১৮
এ বিষয়ে মন্তব্য করাটাও বিবেক বহির্ভূত কাজ। একটি জাতি বিনির্মাণে এ ধরণের সিদ্ধান্ত চরম মুর্খামি বৈ কিছু নয়। সমস্যা হল এদের কর্মকাণ্ড বারবার প্রমাণ করেছে যে ক্ষমতাই সব, জনগণ কিছুই নয়-তাদের ক্ষমতায় যাবার উৎসেচক মাত্র।
amjad khan
amjad khan
২০১২.০৮.২৬ ১০:৫১
দেশে শান্তি নাইরে,শান্তি নাই। পাডা হুতার ঘষা ঘষি মরিচের মরন।
Abdul Halim Miah
Abdul Halim Miah
২০১২.০৮.২৬ ১০:৫৮
একই কাজ বিএনপি করেছে ২০০৬ সালে যে কারনে ১/১১ এসেছে, এবার আওয়ামী লীগ করবে, ২/১১ আসবে এতে কোন সন্দেহ নেই।
Shahidur Rahman
Shahidur Rahman
২০১২.০৮.২৬ ১১:০২
Election without BNP ?? How possible ??? It will not be accepted by any one of Bangladesh! Our request to Sheikh Hasina don't make the another 1/11.
Noman khaled Chowdhury
Noman khaled Chowdhury
২০১২.০৮.২৬ ১১:০৪
To continue democratic Bangladesh, free and fair election under constitution with all party participation is essential.Every body should be judicial and responsible.
Moheuddin Ahmed
Moheuddin Ahmed
২০১২.০৮.২৬ ১১:০৫
আওয়ামীলীগ এই কাজ একবার হলেও ট্রাই করে দেখবে, তবে ফল হবে যা হবার তাই। মানে আবার অস্থিতিশীল একটা পারিবেশ অবশেষে বিদেশি গুরুদের হস্তক্ষেপে আবার সব ঠিক। তবে তৃতীয় শক্তি এলে সবচেয়ে ভালো হয় কারন এক জিনিস খেতে খেতে অরুচি ধরে গেছে....
Md.Habibur Rahman khan
Md.Habibur Rahman khan
২০১২.০৮.২৬ ১১:১৪
অ।মরা কোথায় অ।ছি ? স্বাধীনতার চল্লিশ বছর পার হয়ে গেল কিন্তু দেশের রাজনীতিবিদদরা এখন পর্যন্ত কার অধীনে, কিভাবে পরবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে , তা নিয়ে এখন পর্যন্ত সিদ্ধান্তে অ।সতে পারছেন না । এটা জাতির জন্য খুবই কষ্টকর এবং লজ্জাকর নয় কি ?এর জবাব রাজনীতিবিদদের দিতেই হবে । সাধারণ নাগরিক হিসাবে প্রশ্ন উনারা কি অ।সলে রাজনীতিবিদ ?
Ashikur Rahman
Ashikur Rahman
২০১২.০৮.২৬ ১১:১৯
New game starting ........................
বাবুল করিম
বাবুল করিম
২০১২.০৮.২৬ ১১:২৮
মনে হচ্ছে এ যেন এক মগের মুল্লুক!!!
s rahman
s rahman
২০১২.০৮.২৬ ১১:২৮
বিনেপয়সায় সরকারী পতাকাওয়ালা বাড়ি-গাড়ি, যানজটের শহরেও রাস্তা ফ্রি-জনগণ গরমঘামে মরলো তাতে কি? আগে পিছে গাড়ীর বহর, যেখানে যাবেন সেখানে জ্বী ম্যাডাম জ্বী স্যার, স্যালুটের পর স্যালুট, চারিদিকে চামচার সীমাহীন চামচামো, রাজকীয় আহার-আরামআয়েশের..... ব্যবস্থা, টাকা-ডলার-বিদেশভ্রমণ, আহা! আহা! সুখে সুখে কাঠ, থুক্কি- কাঠ না কাঠ না, সুখে সুখে দুচোখে ঘুম এসে যায়..........। এমন ইত্যাদি ইত্যাদি সুখ কি সহজে কেউ বিসর্জন দিতে চায়? তাই ক্ষমতার স্বাদ একবার যে পায় সে কি সহজে সুখ (গদি) ছাড়তে চায়? বর্তমানের ক্ষমতাসীনরাও তাই সুখ ছাড়তে চাচ্ছেন না কিন্তু জনগণতো ওনাদের কৃতকর্মের কারণে গন্ধম খাইয়ে দিয়েছেন, এখন ওনাদের যেখানে যাওয়ার কথা সেখানেই যেতে হবে, কোন উপায় নেই।
Sakhawat hossain
Sakhawat hossain
২০১২.০৮.২৬ ১১:৩৬
যদি আওয়ামীলীগ এর এরকম কোন চিন্তা থাকে তবে সারা বাংলার মানুষ একযোগে বলবে "মানি না মানবনা"
ASM Zhinuk
ASM Zhinuk
২০১২.০৮.২৬ ১১:৩৮
আ-লীগ ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেয় না। তারা বারবার একই ধরনের ভূল করে। তাদের অহঙ্কারই তাদের ডুবাবে। তারা জনগনের মতামতের তোয়াক্কা করে না, নিজেদের মত জনগনের উপর চাপিয়ে দেয়। আ-লীগ উদার মনা রাজনীতি করলে তাদের ক্ষমতা থেকে কোন শক্তি সরাতে পারতো না। আমার ধারনা স্বাধীনতার পর থেকে এখন পর্যন্ত তারাই ক্ষমতায় থাকতো।।
M.Sohrab Al Islam Sweet
M.Sohrab Al Islam Sweet
২০১২.০৮.২৬ ১১:৫২
বিএনপির জ্যেষ্ঠ এক নেতা বলেন, বিএনপিকে বাদ দিয়ে নির্বাচন হলে সেই নির্বাচন দেশের ভেতরেই শুধু নয়, আন্তর্জাতিকভাবেও স্বীকৃতি পাবে না। আর একতরফা নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় গিয়ে কোনো দল বেশি দিন টিকতে পারবে না।
Mohammad Nuruddin Jahangir
Mohammad Nuruddin Jahangir
২০১২.০৮.২৬ ১১:৫৮
সিনেমার কাহিনি যা খুশি নিজের মত করে বানানো যায়, যা বাসতবতার সাথে কোন মিল থাকেনা। আবার ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য যত কাহিনি করুক একতরফা নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় গিয়ে আয়ামিলিগ বেশি দিন টিকতে পারবে না।
seikh farid
seikh farid
২০১২.০৮.২৬ ১২:০১
আমি চাই বি এন পি কে নিয়ে নিবাচন করা হক তা হলে , হয়ত আওয়ামিলিগ হেরে য়েতে পারে তার ভয়ে হয়ত বি এন পি কে বাদ দিয়ে নিবাচন করতে চাই ।।
mahfuza bulbul
mahfuza bulbul
২০১২.০৮.২৬ ১২:০৬
এভাবে গণতন্ত্রের টুটি চিপে ক্ষমতাসীন দল নির্বাচন করবে, আর জনগণ 'টু' শব্দও করবে না ? দলেদলে হেসে . নেচে গেয়ে ভোট কেন্দ্রে ভোট দিতে যাবে ? সরকার জনগণকে এতো বোকা ভাবে !
শফিক,চরটেকী-পাকুন্দিয়া,কিশোরগঞ্জ
শফিক,চরটেকী-পাকুন্দিয়া,কিশোরগঞ্জ
২০১২.০৮.২৬ ১২:২৮
বিএনপি-কে বাদ দিয়ে নির্বাচন হলে দেশের মানুষের নিকট কোনভাবেই গ্রহনযোগ্য হবেনা। তবে বিএনপি সংসদে গিয়ে তত্ববধায়ক সরকারের ইস্যুতে প্রথমে আলোচনা করা উচিত।
ekramul hoq
ekramul hoq
২০১২.০৮.২৬ ১২:২৯
সরকারের অদখখতার কারনেই আমরা আজ সারা দুনিয়াতে বনধু শুন্য হয়ে পড়ছি?এখনও সময় আছে,আমি সরকারকে বলবো-নিজের চেয়ে দল আর দলের চেয়ে দেশ বড়।এই সত্য কথাটিকে মেনে চলুন।
মতামত দিন
কোহিনূর সুলতানা শিউলী
কোহিনূর সুলতানা শিউলী
২০১২.০৮.২৬ ১২:৩৬
গণতন্ত্র তো কারো কেনা সম্পত্তি নয়। সংবিধানে যেভাবে নির্বাচনের কথা বলা আছে, আগামী নির্বাচন সেভাবেই হওয়া উচিত। অসাংবিধানিক কোনো পন্থা (সেটা তত্ত্বাবধায়ক হোক, আর অন্য কিছুই হোক) বাংলার জনগণ মেনে নেবে না। আর সাংবিধানিক ব্যবস্থায় নির্বাচনে কারো আপত্তি থাকার তো কথা নয়। আর সেরকম কিছু থাকলেও তা গ্রহণযোগ্য হবে না। সাংবিধানিক ব্যবস্থায় নির্বাচনে কারো অনীহা থাকলে তাকে ছাড়াই নির্বাচন হবে।
A.W.Haq
A.W.Haq
২০১২.০৮.২৬ ১২:৩৯
ব্যর্থ শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগকে বাদ দিয়ে আগামী নির্বাচন চাই !
Jamal Hossain, Singapore
Jamal Hossain, Singapore
২০১২.০৮.২৬ ১২:৫১
জাতি হিসেবে উন্নতি করতে চাইলে আমাদের সর্ব্বপ্রথম আত্নতৃপ্তিতে ঢেকুর তোলার অভ্যাসটা বাদ দিতে হবে। একটা জাতি বা একটা লোক যখন মনে করে আমি অনেক কিছু বুঝি করে ফেলেছি, সেই মনে করাটা আসলে তার উন্নতি থেমে যাবার সূচনা। অনেকে আমার এই কমনেন্টের সাথে হয়তো একমত হবেন না, তবে রিয়েল ডেভেলপমেন্টের জন্য একটা জাতির সামনে আগ্রাসী মনোভাবের কোন বিকল্প নেই। অথচ আমাদের সরকারগুলো লামসাম কিছু একটা করেই আত্নতৃপ্তির ঢেকুর তুলতে তুলতে আর আগের সরকারের গীবত গাইতে গাইতেই তাদের অর্ধেক মেয়াদ শেষ করে ফেলেন আর বাকী অর্ধেক পরবর্তী নির্বাচনে জেতার ধান্দায়। যে কারনে আজ আমাদের এই দশা। আর আমরা পাবলিক বাজপাখী হয়ে সারা বিশ্বকে না দেখে বরং কুয়োর ব্যাং হয়ে থাকতেই বেশী পছন্দ করি। পাল্টাতে হবে আমাদের দৃষ্টভঙ্গি।
Rajib Hasan
Rajib Hasan
২০১২.০৮.২৬ ১২:৫৪
এরশাদ সাহেব কে নিয়ে এবার হইতো জনগন কিছু ভাববে কিন্তু সামনে যে সাইক্লোন আসছে এটা আমি নিশচিত । সাবধান সাধারন আমজনতা ।
Golam Wadud
Golam Wadud
২০১২.০৮.২৬ ১২:৫৭
আওয়ামিলীগ ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেবে না। দেশকে ধ্বংস করে হলেও তারা ক্ষমতায় থাকতে চায়। বাংলাদেশের জন্য আগামী দিনগুলো খুবই ভয়াবহ হতে চলছে।
Md. Asadur Rahman, Chittagong
Md. Asadur Rahman, Chittagong
২০১২.০৮.২৬ ১২:৫৯
May God will destroy them at the end that who is liable for our worse destiny. We want peace and development of the country.
sultan ahmed bulu
sultan ahmed bulu
২০১২.০৮.২৬ ১৩:১১
একতরফা নির্বাচন করে বিএনপি ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি বেশী দিন টিকতে পারেনি বলে আওয়ামি লীগও পারবেনা- যারা এমনটি ভাবেন তারা বোকার সরগে বাস করেন।
maruf khan
maruf khan
২০১২.০৮.২৬ ১৩:১৬
আওয়ামী লীগ তা চাইতেই পারে, তবে দেশের মালিক কিন্তু জনগণ... পিঁপিঁলিকার পাখা গজায়..কখন যেন...!!?
Md. Ariful Islam
Md. Ariful Islam
২০১২.০৮.২৬ ১৩:১৭
তোমাদের এই সাধ, কোনো দিনও পুরন হবেনা,
না না না, পুরন হবেনা।
এমডি এইচ ইউ তালুকদার
এমডি এইচ ইউ তালুকদার
২০১২.০৮.২৬ ১৩:২২
@ মি: Chowdhury
আপনি কিভাবে জানেন যে আপনার ধারনা আওয়ামি লীগের সাথে
নূতন একটা ত্বতীয় শক্তি আসছে।এই শক্তিতে থাকবে ড. ইউনুছ, আইনজীবি রফিকূল হক, এবং বিএনপি আওয়ামিলীগের দলত্যাগী কিছু নাম করা নেতা।
আপনি নিজেকে এত চালাক ভাবেন কেন ভাই?আমরা পাঠকেরা কি কিছুই বুঝিনা? শুধু আপনিই সব বুঝেন নাকি?
shawon
shawon
২০১২.০৮.২৬ ১৩:২৪
BAL জ্বালাও পোড়াও, হরতাল অবরোধ দিয়ে তত্তাবধায়ক আনছিলো, এখন তারাই আবার নিজেদের ক্ষমতাকে চিরস্থায়ী করতে সংবিধান সংশোধন করে তত্তাবধায়ক বাদ দিলো। সংবিধান সংশোধন করা উচিত ছিলো জনগনের কল্যাণে কিন্তু তা না করে সংবিধান সংশোধন করা হয়েছে দলের কল্যাণে। জনগন তো ঘাস খায় কিছু বুঝে না। চাপাবাজি, চাদাবাজি, দুর্নীতি, লুটপাট, বিশৃঙ্খলা করে দেশ চালানো দিন শেষ হয়ে আসছে, wait and see.
Jahangir Hossain Shadhin
Jahangir Hossain Shadhin
২০১২.০৮.২৬ ১৩:৫০
বিএনপি দেশের প্রধান বিরোধী দল । ভোটারের আনুপাতিক হার আওয়ামিলীগ এবং বিএনপির প্রায় সমান । বিএনপির ব্যাপক জনসমর্থন রয়েছে । দলটির প্রতি বিদেশীদেরো দৃষ্টি রয়েছে । এমন পরিস্থিতিতে বিএনপিকে ছাড়া নির্বাচনে যাওয়াটা হবে আত্নঘাতী । এই স্বপ্ন আওয়ামিলীগের পুরন হবে না ।
তত্ববধায়ক সরকারের মাধ্যমে দেশের নির্বাচন হতে হবে ।
Abdullah Al Zubayer
Abdullah Al Zubayer
২০১২.০৮.২৬ ১৩:৫৫
ব্যাপক রাজনৈতিক বিনোদন !!
A.K. Azad
A.K. Azad
২০১২.০৮.২৬ ১৪:০৪
প্রকৃতপক্ষে এদেশে কি গনতন্ত্র আছে ? কথায় আছে কাজে নেই।
যেখানে গনতন্ত্রই নেই সেখানে ক্ষমতা চর্চা হওয়াটা স্বাভাবিক।
আ'লীগ বলেন বা বিএনপি বলেন - সবাই ক্ষমতার চর্চা করে।
এ অবস্থায় দেশের উন্নতি বা শান্তি কিছুই হবেনা।
আর যতবার জাতীয় নির্বাচনের সময় আসবে ততবার মারামারি আর মানুষ হত্যা হবে।
বিদেশীরা তাদের ফায়দা হাছিলের চেষ্ঠা করবে।
২০১২.০৮.২৬ ১৪:৩২
যেহেতু নির্বাচন হলে দেশের কোটি কোটি টাকা খরচ হয় তাছাড়া মারা মারি হওয়ার আশংকা থাকে - ( আর এক পক্ষের নির্বাচন করা না করা একই কথা ) তাই বাংলাদেশে এখন থেকে নির্বাচন নিষিদ্ধ করা হোক । রাজতন্ত্র ই তো ঘুরে ফিরে আসবে - আমাদের মন মানসিকতা তো এর চেয়ে উন্নত হয় নাই। । আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
২০১২.০৮.২৬ ১৪:৪৬
মনে হচ্ছে এরশাদ সাহেব ব্যাক্তিগত, ও দলগত ভাবে লাভবান হওয়ার জন্য মহাজোট করেছেন। মহাজোট করার মাধ্যমে আপনি আপনার ভাইকে মন্ত্রি বানিয়েছেন, দলের কোন ত্যাগি নেতা কে নয়। এবং আপনিও রাষ্ট্রপতি হতে চান। নিজের বোনকে বানাতে চান সংরক্ষিত মহিলা এমপি। এগুলি সবই ব্যক্তিগত ও পারিবারিক সুবিধার অংশ। কিন্তু আপনি দেশের জন্য মহাজোট করেন নাই। জনগন কে ধোকা দিতে পারবেন না। ৮০ দশকে আপনি যে ১০টি বৎসর নষ্ট করেছেন দেশের। তা ফেরত দিন।
তন্ময়
তন্ময়
২০১২.০৮.২৬ ১৪:৫৫
আওয়ামীলীগের মাথা অনেক বেশি শার্প । তাদের সাথে গায়ে-গতরে যুদ্ধ করে জেতা সম্ভব না । তাদের সাথে মাথা দিয়ে খেলে জিততে হবে ।
assad
assad
২০১২.০৮.২৬ ১৪:৫৯
বাংলাদেশে এমন দিন আসবে যখন মানুষ আওয়ামিলিগ ও বিএনপি এই শবদ দুতি গালি হিসাবে ইউজ করবে ,
এস এম রাসেল উদ্দীন মন্জু
এস এম রাসেল উদ্দীন মন্জু
২০১২.০৮.২৬ ১৫:১০
আমাদের মুক্তিযুদ্ধ এখন যেমন আওয়ামীলীগের দলীয় সম্পত্তি হয়ে গেছে ঠিক তেমনি পুরো দেশটাই মনে হয়। একটাই অনুরোধ, এত তালবাহনা না করে বি এন পি ও জামায়াত ইসলামীর মত বিরোধী দলগুলোর রাজনীতি নিষিদ্ধ করে দিন তারপর নাকে সরিষার তেল দিয়ে ঘুমান..
ক্ষমতা আর কোথাও যাবে না। ও ! হ্যা ! আপনাদের ছাত্রলীগকে নিয়ে একটু সাবধানে থাকবেন। জানেনই তো, সাবধানের মার নেই।
২০১২.০৮.২৬ ১৫:১২
বাংলাদেশের সাধারন জনগনের এখন যে মনোভাব সেই বাস্তব অবস্থাটা আগ্রাহ্য করে আওয়ামীলীগ যদি ক্ষমতার মোহে বিএনপিকে ছাড়া নির্বাচন করার বাসনা পোষন করে তাহলে তাদের রাজনৈতিক দুরদর্শিতা নিয়ে প্রশ্ন থেকে যায় কেননা তাহলেতো “তুমি অধম তাই বলিয়া আমি উত্তম হইবনা কেন” এ মূল্যবান কথার কোন মুল্য থাকলো না। তাছাড়া আওয়ামীলীগ নিজেদেরকে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষ রাজনৈতিক দল মনে করে সেই হিসেবে একতরফা নির্বাচন করা গনতন্ত্র বা মুক্তিযুদ্ধের সাথে কতটুকু সামঞ্জস্যপূর্ন।
শাহ এন. খাঁন (আবুতোরাব,মিরসরাই)
শাহ এন. খাঁন (আবুতোরাব,মিরসরাই)
২০১২.০৮.২৬ ১৫:২৩
বি এন পি 'তে এখন যেই নেতা এবং নেত্রীরা আছেন তাদের দিয়ে দেশের ভালো কিছু আশা করা যায়'না আমার সাথে নিশ্চই একমত হবেন আপনারা কারণ হিসাবে আমি বলছি বি এন পি হতে কোনো নেতার আবির্ভাব হয়নি.এরা দেশের স্বার্থে নয় নিজের স্বার্থে দলে এসেছে.........
Jasim Uddin
Jasim Uddin
২০১২.০৮.২৬ ১৫:২৯
প্রতিটি নির্বাচনই আমাদের জন্য দুঃস্বপ্নের। এটা আমাদের উত্তরাধিকার সুত্রে পাওয়া। এর থেকে নিস্তার নেই। ৯০ এর নির্বাচনে সংবিধানে তত্বাবধায়ক বা নির্দলীয় সরকার ব্যবস্থা ছিল না, আওয়ামী-লীগ গায়ের জোরে সরকারকে সংবিধানে তা যুক্ত করতে বাধ্য করেছিল। এখন পাওয়ারে এসে এটা আর ভাল লাগে না, এটা অবৈধ, সংবিধান পরিপন্থী ইত্যাদি ইত্যাদি। মনে হয় সংবিধান এবং নির্বাচন কেমন হবে এটা শুধু আওয়ামী-লীগের মনমানসীকতার উপরই নির্ভর করে। এবারের নির্বাচনে তাঁরা হারলে আগামী নির্বাচনে ঠিকই তাঁরা আবার তত্বাবধায়ক বা নির্দলীয় সরকার ব্যবস্থার পুনর্বহালে জন্য মাঠে নামবে, আমি ১০০% নিশ্চিত।
S.Alam
S.Alam
২০১২.০৮.২৬ ১৫:৩৮
তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া জাতীয় নিবাচন মানে জনগণ এর ভোটাধিকার নিয়ে ছিনিমিনি খেলা।জনগণের ভাগ্য নিয়ে যারা ছিনিমিনি খেলে তাদের পরিণতি শুভ হয়না।
faruque mahmoud
faruque mahmoud
২০১২.০৮.২৬ ১৫:৫৮
বি এন পিকে নয়, এদেশের জনগণকে পাশ কাটিয়ে নির্বাচন করার কৌশল।
Sadeque
Sadeque
২০১২.০৮.২৬ ১৬:১৭
@ কোহিনূর সুলতানা শিউলী
২০১২.০৮.২৬ ১২:৩৬ ,আপনি বলেছেন "সংবিধানে যেভাবে নির্বাচনের কথা বলা আছে, আগামী নির্বাচন সেভাবেই হওয়া উচিত। অসাংবিধানিক কোনো পন্থা (সেটা তত্ত্বাবধায়ক হোক, আর অন্য কিছুই হোক) বাংলার জনগণ মেনে নেবে না।" একদম ঠিক বলেছেন । কিন্তু জনগণ চাচ্ছে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন ।জনগণের এই চাওয়াটা কি সংবিধান সংশোধন করে নেওয়া যায় না ???
Md. Rahmat Ullah Saker
Md. Rahmat Ullah Saker
২০১২.০৮.২৬ ১৬:৪২
এরকম নির্বাচন বিএনপিও করেছিল তা তো দেশের মানুষ ভুলে যায়নি, পরে কি বিএনপি ক্ষমতায় থাকতে পেরেছিলো?
এ দেশে বিএনপি- আওয়ামী লীগ দুই দলের উপস্থিতে যে নির্বাচন হবে সেটাই দেশের মানুষ মেনে নেবে তা ছাড়া নয়।
Ruhul Amin Rubel
Ruhul Amin Rubel
২০১২.০৮.২৬ ১৬:৫৩
আ। লীগ অনেক ভূল করেছে যার খেসারত জনগন দিচ্ছে। এই ভূলটা করলে জনগনসহ দেশকে খেসরত দিতে হবে
mr.hossain
mr.hossain
২০১২.০৮.২৬ ১৬:৫৯
অসমভব
HELAL
HELAL
২০১২.০৮.২৬ ১৯:৩৬
বিএনপিকে বাদ দিয়ে অ জাতীয়পার্টিকে বিরোধীদল বানিয়ে নির্বাচন দিলে তা জনগনের মাঝে কতটুকু গ্রহনযোগ্যতা পাবে সেটাই এখন দেখার বিষয়!
hasan
hasan
২০১২.০৮.২৬ ২০:৪৬ [ আপনার মন্তব্য বিবেচনার জন্য অপেক্ষমান এবং সকলের নিকট প্রদর্শিত নয় ]
এখানে ৯৫ % মতামত নিরদলীয় সরকার ও সুষ্ট নির্বাচনের পক্ষে । ৯৫ ভাগ মানুশের মতামত কে উপেক্ষা করে আওমিলীগ যদি একক ভাবে নির্বাচন করতে চায় । তবে দেশের এই মানুষ গোল যে জাগবে না তার গ্যারান্টি কি ? শহিদ জিয়ার আদর্শে গড়া এই দলটাকে এত দুর্বল ভাবা ঢিক হবে না । যে অন্যায় অত্যাচার আচরন বর্তমান সরকার এই দলটির প্রতি করেছে তার জবাব ব্যালটের মাধ্যমে জনগন দিবে , আর তা জেনেই নিল নকশার নির্বাচন করতে তারা সব রকম ষড়যন্ত্র শুরু করছে ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


