আগে একটুকু ধারণা ছিলনা কেন হার্ট ফেল করে? পরীখকার ফেল রিকোবার করা যায় কিন্তু হার্ট ফেল করলে তা সহজে ঠিক করা যায় না ।
আমার বন্ধু পড়া লেখার জন্য বাইরে থাকে, ত কিছু দিন আগে দেশ আইছে করন হইল ওর বাবার হার্ট এট্যাক হইছে, বাই পাস আসরোপাচার করা লাগবে ।
ত এ থেক শুরু হল হার্ট এট্যাক সম্বপর্কে জানার আগ্রহ, ত একদিন গুগোলে সার্চ দিয়ে বেসিক কিছু তথ্য পাইলাম । যদিও অনেক কিছু ছিল তবুও এত আগ্রহ নিয়া পড়ি নাই ।
ত কাল ঘঠনা ক্রমে ঔ বন্ধুটার সাথে দেখা, তখন বটে জানলাম মানুষের হার্ট হইল একটা করিয়ার সারভিসের মত, রগ হইল বিশ্বরোডের মত একটা রাস্তা আর রক্ত হইল যানবাহন ।
রাস্তাতে যেমন ভাল ভাবে চলা ফেরা করা যায় যদি রিক্সা না থেকে আর সব যানবাহন যদি একটা নির্দিষ্ট গতি মেনে চলে ।
হার্ট ও কাজ করে একি ভাবে, রক্তে চিনি বা দুষনের পরিমাণ অতিরিক্ত হল রাস্তার রিক্সার মত । যানজোটের মত রক্তের অক্সিজিন সরবারহের কাজে বিগ্ন ঘটে ।
গাড়িতে "জরুরি সংবাদপত্রের কাজে নিয়োজিত" লিখা থাকলে যেমন নিশ্চয়তা পাওয়া যায়, রক্তের কিন্তু এমন নিশ্চয়তা দেবার মত কোন ডাইলগ নাই।
ত যেটা বলছিলাম, হার্ট হইল একটা কোরিয়ার সারভিস মত, এর কাজ হল তদারকি করার আর নতুন নতুন কাজের নির্দেশনা দেওয়া ।
যেমন ধরুন,
"ও ই হালা রক্ত (যানবাহন) ব্রেনের পিজ্জা লাগব, পিজ্জা ডেলিবারি দিয়ে আয় তারাতারি "...
ত আমার বন্ধুরে জিগাইলাম তাইলে এই হার্ট এট্যাক হয় কেন ?
এই নানান ডেলিভারির কাজের জন্য হর্টের ৩/৪ টা রগ (রাস্তা) আছে, যেগুলো দিয়া রক্ত ঘুড়াঘুড়ি করে, ধরতে পারেন হার্ট হইল একটা রিফুইলিং স্টেশন + নতুন কাজ নিবার স্থান ।
এই যে ৩/৪ টা রাস্তা দিয়ে যানবাহন (রক্ত) গুলো আসছে, যদি একটা রাস্তার মুখে রিক্সা ডুইকা পরে ত কি হইব বুজতেই পারেছেন । ত এই রক্তে থাকা ময়লা আর চিনি ড্রেনের মুখ বন্ধ করার মত অবস্থা করে ফলে । আর এভাবে আপনার হার্টে প্রয়োজোনীয় যানবাহন না পেয়ে পার্ফরমেন্স হারাতে থাকে ।
এভাবে অনেক দিন চলতে থাকলে আপনার হার্টে আসার সবগুলো রাস্তায় একে একে ময়লা বা রিক্সায় ভরে যেতে পারে । ত এভাবে চলতে থাকলে একসময় জোর করে রক্ত (যানবাহন) চলার চেস্টা করলেই ঘটে বিপত্তি, বুজতেই পারছেন গাড়ি রিক্সার সাথে লাগলে কেমন লাগে । ত ভেংগে যেতে পারে রাস্তা ঘাট (রগ) আর তখনই হবে আপনার হার্ট এট্যাক ।
বাচার উপায় --
ব্যায়াম করুন, কম খান, কমল পানীয় পরিহার করুন, উগ্রো পানীয়ও পরিহার করুন, হাসুন আর হাসান তা হলেই ভাল থাকবে আপনার ভিতরে সুপ্ত কোরিয়ার সার্ভিস ।
হার্ট ফেল এর কাহীনি শুনতে শুনতে হার্ট এ ব্যাথা অনুভুব করছি 
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
Tweet
১১টি মন্তব্য ১১টি উত্তর
আলোচিত ব্লগ
যুদ্ধে কেউ জয়ী হয়না, যুদ্ধ বন্ধ হলে মানবতার জয় হয়।
যুদ্ধে কে জয়ী হয়েছে?
আমার উত্তর খুব সহজ- কেউ না।
যুদ্ধের প্রকৃত বিজয়ী বলে কেউ থাকে না। যুদ্ধ যখন শুরু হয়, তখন শুধু সৈনিক নয়; মায়ের বুক খালি হয়, শিশুর ভবিষ্যৎ ভেঙে... ...বাকিটুকু পড়ুন
ষো-ল-ব-ছ-রঃ আর কি বর্ষপূর্তি পোস্ট লেখা হবে?

অবাক হয়েই চেয়ে দেখি
কখন এমন হলো?
এইতো আমার ব্লগবাড়ীটার
বয়স হল ষোল।
দুরুদুরু বুকে তখন
খুলেছিলাম ‘নিক’।
ফেলতে পলক, পেরিয়ে গেল
ষোল বছর ঠিক।
ফেসবুক আর ইউটিউবের
আছড়ে পরে ঢেউ।
সামুপাড়ায় এখন কি আর
উঁকি মারে... ...বাকিটুকু পড়ুন
কটা দুলাল

বাল্য বন্ধু শফির ফোন পাইলেই টেনশনে থাকি। কোন একটা দুঃসংবাদ নিশ্চিত। আর সেটা যদি হয় সকাল বেলা তবে তো কথাই নেই। যদিও আমাদের মধ্যে আন্তরিকতার ঘাটতি নেই মোটেও তবুও... ...বাকিটুকু পড়ুন
ফাউ টাকার গল্প
সময় ২০১৪ সাল...
ভার্সিটিতে আজ ক্লাস শেষে আমি, মেহনাজ, তামিম আর শাওন গোল হয়ে বসে আড্ডা দিচ্ছি। হঠাৎ কোত্থেকে শেতু এসে হাজির। এসেই ডিরেক্ট ঘোষণা! আজ নাকি সে আমাদের সবাইকে স্টার... ...বাকিটুকু পড়ুন
জীবন পর্ব -১

(শালবন ভ্রমণ)
২০১২ সাল। সদ্য পাশ করে বের হয়েছি। কঠিন সময় পার করছিলাম। এদিক-সেদিক স্টেজ শো করে যে পেমেন্ট পেতাম, বাড়িতে ফিরতে ফিরতেই প্রায় শেষ হয়ে যেত। সকালে মায়ের হাতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।