somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আওয়ামী যুদ্ধাপরাধীদের আংশিক তালিকা

০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ৩:৩৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


১। লিয়াকত আলী -হবিগঞ্জ জেলার লাখাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি

লিয়াকত আলীসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের মামলা করা হয়েছে। হবিগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-১ এর আদালতে মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলার বাদী হচ্ছেন লাখাই কৃষ্ণপুর গ্রামের হরিদাস রায়। মামলায় ২৫ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।
এজাহারে বলা হয়েছে, ১৯৭১ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর রোববার ভোর ৫টা থেকে বিকেল ৫টার মধ্যে প্রধান আসামী লিয়াকত আলীর নেতৃত্বে পাক বাহিনী উপজেলার কৃষ্ণপুর, গদাইনগর ও চণ্ডিপুর গ্রামে ১২৭ জনকে হত্যা করে। আরজিতে শহীদ ৪৫ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।


২।আকবর আলীর -বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি

মুক্তিযুদ্ধের সময় বাড়ি-ঘরে হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের অভিযোগে বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি আকবর আলীর বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের মামলা হয়েছে। আকবর আলী কিছুদিন আগেও আওয়ামী লীগের উপজেলা কমিটির সহ-সভাপতি হিসেবে সক্রিয় ছিলেন।
১৯৭১ সালের ১৭ মে আসামি আকবর আলী পাক হানাদার বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে বাদীর বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও লুটপাট করেন এবং যাবার সময় আগুন দিয়ে ঘর পুড়িয়ে দেয়। প্রামাণিকের ছেলে আকবর আলী পাক হানাদার বাহিনীর সহযোগী ও শান্তি কমিটির নেতা হিসেবে পরিচিত। তিনি এলাকায় নারী ধর্ষণ ও লুটপাটে পাক হানাদার বাহিনীকে সহযোগিতা করেছেন।

৩।আব্দুল হামিদ গাজী -(তথা কথিত আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা ) শ্যামনগর থানার কাশিমারি গ্রামের কানাই গাজীর পুত্র

৪।আনোয়ার হোসেন কারিকর -বর্তমানে সাতক্ষিরা জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি

৫।আদর আলী কারিকর- (আনোয়ার হোসেন কারগরের ভাই)

৬।আব্দুস সবুর মোল্লা -সাতক্ষিরার শ্যামনগর উপজেলা কৃষক লীগের সভাপতি ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সেক্রেটারী।

৭।ছইলউদ্দীন তরফদার-কাশিমারি ,শ্যামনগর,সাতক্ষিরা

৮।আব্দুল হক তালুকদার-কাশিমারি ,শ্যামনগর,সাতক্ষিরা

৯।আব্দুস সবুর মোল্লা-কাশিমারি ,শ্যামনগর,সাতক্ষিরা

১০। রহিম পাড় -কাশিমারি ,শ্যামনগর,সাতক্ষিরা

১১।সেলিমের বেয়াই মুসা বিন শমসের

১২।হাসিনার বেয়াই মোশাররফ- ফরিদপুরের শান্তি কমিটির লীডার

১৩। আনোয়ার হোসেন- আওয়ামী লীগের সাংসদ

১৪।মাওলানা নুরুল ইসলাম- সাবেক ধর্মমন্ত্রী

১৫। চৌধুরী পিরু মিয়া- সিলেট-৩ আসনের সাংসদ

১৬। আব্দুল কুদ্দুস - সাধারণ সম্পাদক, চিলমারী উপজেলা আওয়ামী লীগ।

মুক্তিযুদ্ধের সময় বাড়ি-ঘরে হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের অভিযোগ আছে, অবশ্য অনেকে আবার বলেন তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিযুদ্ধাদের সোর্স ছিলেন।

১৭।ডাঃ মোঃ ইশারত উল্লাহ(৮৫) -গ্রাম-আদম জামুর,শেরপুর,বগুড়া।

বগুড়ার অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটে আদালতে তার বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধের সময় হত্যা, লুন্ঠন ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

১৮।মুঃ শহিদুল্লাহ(৬০)-গ্রাম-নামা জামুর,শেরপুর,বগুড়া।

বগুড়ার অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটে আদালতে তার বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধের সময় হত্যা, লুন্ঠন ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

১৯। আব্দুল হাকিম (৬২)-গ্রাম-নামা জামুর,শেরপুর,বগুড়া।

বগুড়ার অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটে আদালতে তার বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধের সময় হত্যা, লুন্ঠন ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

২০।মোঃ আব্দুল করিম প্রামানিক(৭০)-পাকুড়িয়া পাড়া, শেরপুর , বগুড়া।

বগুড়ার অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটে আদালতে তার বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধের সময় হত্যা, লুন্ঠন ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

২১। মির্জা আজমের পিতা ( যিনি তার গুরু গোলাম আজমের নামে ছেলের নাম রেখেছেন)

২২। সাবের হোসেনের পিতা (যিনি ছিলেন শান্তি কমিটির নেতা)

২৩। মাওলানা মোক্তারুজ্জামান খান -গ্রাম-বালিদিয়া,উপজেলা-মহম্মদপুর,জিলা-মাগুরা । মহম্মদপুর উপজেলা রাজাকার বাহিনীর কমান্ডার ( বর্তমানে বাংলাদেশ আওয়ামী ওলামালীগের ভাইস প্রেসিডেন্ট)

এ ব্যক্তির নামে মুক্তিযুদ্ধের সময় এলাকায় খুন,ধর্ষন সহ স্বাধীনতা বিরোধী কর্মকান্ডের অভিযোগ রয়েছে। মহম্মদপুর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার আলী রেজা খোকন ও মহম্মদপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি, মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব গোলাম রব্বানী সহ অসংখ্য লোক যার কু-কৃতির সাক্ষী।
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

'ট্রিট' বা 'উদযাপন' মানে স্রেফ খাওয়া-দাওয়াই মূখ্য কেন??

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৭



আমাদের উদযাপনটা হয়ে গেছে অনেকটা খাওয়া-দাওয়া কেন্দ্রিক? 'ট্রিট' বা 'সেলিব্রেশন' বলতে আমরা কেবল খাওয়া-দাওয়াকেই বুঝি...কিন্তু এটা কিন্তু ভিন্নরকমভাবেও করা যায় নিঃসন্দেহে!

প্রিয় কেউ ভালো কোনোকিছু করলে, সফলতা পেলে বা... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাওলার দায়িত্ব পেয়ে সেই দায়িত্ব পালন না করায় হযরত আলীকে (রা.) মাওলা বলা ঠিক না

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৮



সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতিম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের নিজেদের না পাওয়া গুলো অন্যদের পেতে সাহায্য করা উচিত।

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:৪২


আমরা মানুষেরা সবসময় ভালো থাকতে চাই। ভালো খেতে চাই, ভালো পড়তে চাই, ভালো চাকুরী/ব্যবসা করতে চাই। কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই আমাদের চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল থাকেনা। এই চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:২২

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!


সমুদ্রে বড় জাহাজ যখন ডুবতে থাকে, তখন কে ধনী বা কে গরীব প্রকৃতি তার বাছ-বিচার করেনা ।
বা বলা চলে, কে পাপী... ...বাকিটুকু পড়ুন

এতো সুর আর এতো গান - আমার কণ্ঠে

লিখেছেন সাড়ে চুয়াত্তর, ০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ২:০০

একটা হারানো দিনের গান গাওয়ার চেষ্টা করেছি (Cover Song)। আশা করি সবাই উপভোগ করবেন।

গান - এতো সুর আর এতো গান
মূল গায়ক - সুবীর সেন
গীতিকার এবং সুরকার - সুধিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×