
আজ মায়ের বাড়ি, মামা বাড়ির গল্প বলি...............
আমার মায়েরা ৫ বোন, কিন্তু কোন ভাই নেই।
আর তাই আমার ৪ জন খালা থাকলেও কোন মামা নেই, এবং কোন মামার জোর ও নেই।
এই দুর্দিনে মামা ও মামার জোর না থাকার দুঃখটা তাই অনেক।
নানাকে আমি দেখিনি তবে ছোট বেলায় বৃদ্ধা নানীকে দেখেছি।
নানা জীবিত থাকাকালীন তার বড়ভাইয়ের এক ছেলেকে নিজের ছেলের মতই লালন-পালন করতেন এবং পরবর্তীতে তার ৪র্থ মেয়েকে সেই ভাতিজার সাথে বিয়ে দিয়ে নিজের সকল সহায় সম্পত্তি তার সেই মেয়ের নামে লিখে দিয়ে অল্প বয়সেই পরপারে পাড়ি জমিয়েছেন। সেই চাচাত মামাকে আমরা মামা বলেই ডাকতাম। তিনিও আমাদের যথেষ্ঠ আদর করতেন।
পরবর্তীতে নানীর মৃত্যু, ক্যান্সারে ভুগে খুব অল্প বয়সে সেই মামার মৃত্যূ, আড়িয়াল খাঁ নদীর ভাঙনে নানা বাড়ির ভিটেমাটি বিলিন হওয়ায় নানা বাড়ির আর কোন অস্তিত্ব রইল না। আড়িয়াল খাঁর সাথে বারবার যুদ্ধ করে কোন রকমে সেই খালা আর খালাত ভাইয়েরা টিকে ছিল, তবে শুনেছি তারা বর্তমানে ব্যবসা বানিজ্য করে খুব ভাল আছে। ঢাকা হতে বাড়িতে যাবার পথে ঠিক রাস্তার ধারেই এখন তাদের বাড়ি হওয়ায় মাঝেমধ্যে খুব অল্প সময়ের জন্য নেমে অসুস্থ খালার খোজ খবর নেয়া হত, সর্বশেষ গতবছর (২০১৭) ঈদুল ফিতরের ছুটিতে দেখা হয়েছিল। অবশ্য তারপরে আর গ্রামের বাড়ি যাবার সৌভাগ্যই হয়নি।
আমার মা মেজাে (২য়), সেজো (৩য়) খালার বাড়ি আমাদের বাড়ি হতে হয়ত ৫ কিলোমিটার দুরত্বেই হবে। যতদূর মনে পড়ে হয়ত ছোটবেলায় একবার মায়ের সাথে সেজো খালার বাড়িতে গিয়েছিলাম, তবে স্পষ্ট কিছু মনে নেই। সেই এলাকা দিয়ে কখনো যাবার সময় ধারণা করি হয়ত আশেপাশেই কোথাও হবে, তবে ঠিক চিনি না, চেনার চেষ্টাও করা হয় না। ইচ্ছে আছে পরবর্তীতে যথেষ্ঠ সময় নিয়ে গ্রামের বাড়ি গেলে খুজে নিব, খালার সাথে দেখা করে আসব। তবে খালা এখনও মাঝেমাঝে আমার মায়ের সাথে দেখা করতে আসে।
ছোট খালার বাড়ি বেশ দূরে, যা এখনকার হিসেবে হয়ত ২০/৩০ কিলোমিটার হবে। এলাকার নাম অনেক শুনেছি তবে খালা বাড়ি কখনো যাওয়া হয়নি। যদিও এখন সেই এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা আমাদের এলাকার চাইতেও অনেক ভাল। ধারনা করি মাঝেমাঝে বাড়িতে যাবার সময় ছোট খালার বাড়ির আশেপাশের কোন রাস্তা দিয়েই হয়ত যাই।
আর বড় খালা!
তার বাড়ির অনেক গল্প আছে, সেটা আরেকদিন করব............
ফটো- গুগল
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই অক্টোবর, ২০১৮ দুপুর ১২:৪৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



