
সরকার বিদ্যমান মোবাইল কোর্ট আইন আরও শক্তিশালী ও যুগোপযোগী করতে কিছু সংশোধনী আনার উদ্যাগ নিয়েছে। মোবাইল কোর্ট পরিচালনার ক্ষেত্রে নানা ধরনের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে কোর্ট পরিচালনাকারী ম্যাজিস্ট্রেটদের। তাদের অভিযোগ প্রায়শই চাহিদামত আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্য পাওয়া যায় না। শুধু এ কারণে কিছু ক্ষেত্রে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান বাতিল করতে হয়। তাই সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মোবাইল কোর্ট আইন সংশোধন করে ম্যাজিস্ট্রেটকে ব্যাপক ক্ষমতা দেওয়া। অপরাধ করেও অনেকে স্বীকার না করায় দণ্ড দেয়া যায় না। প্রস্তাবিত সংশোধনীতে চাক্ষুষ সাক্ষী ও পারিপার্শ্বিক অবস্থা বিবেচনা করে অপরাধী দোষ স্বীকার না করলেও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পারিপার্শ্বিক অবস্থা বিচারে অভিযুক্তকে দণ্ড দিতে পারবেন। অপরাধী পালিয়ে গেলেও তার বিরুদ্ধে থানায় মামলা করার হুকুম দেয়া যাবে। মামলার সাক্ষ্য-প্রমাণ হিসেবে আমলে নিতে পারবেন সংঘটিত অপরাধের ছবি, অডিও-ভিডিও ক্লিপ। পাশাপাশি ম্যাজিস্ট্রেটের চাহিদামাফিক আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েনে বাধ্যবাধকতা আরোপ করে আইন সংশোধনীর খসড়া চূড়ান্ত করা হয়েছে। খসড়াটি অনুমোদনের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হয়েছে। এই প্রথমবারের মতো ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার ক্ষেত্রে বেসরকারি সংস্থার সহায়তা পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। একই সঙ্গে ‘দ্য জুডিসিয়াল অফিসারস প্রটেকশন অ্যাক্ট ১৮৫০’-এর আওতা অনুযায়ী মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকারী ম্যাজিস্ট্রেটদের সুরক্ষা দেয়া হয়েছে।
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই জুন, ২০১৫ বিকাল ৪:৫৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




