somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

২৮ অক্টোবর সম্পর্কিত শিবিরের ভন্ডামীপূর্ণ প্রোপাগান্ডা

২৮ শে অক্টোবর, ২০১১ সকাল ৭:৫৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আপনি কি ২৮ এ অক্টোবরের সংঘর্ষের ঘটনায় বিভ্রান্ত? আসুন, কনসেপ্ট ক্লিয়ার করি!

উপরের লিংকে মূল পোষ্ট। নিচে কপি-পেষ্ট।

রাজাকারদের উত্তরসুরীদের কিন্তু ছাগল, ছাগলা বলা হয় না! শব্দটি হলো "ছাগু"! ( রাজাকার সম্পর্কে কিছু বললাম না, কারন আপনার যদি রাজাকার সম্পর্কে কনসেপ্ট ক্লিয়ার করার দরকার থাকে তাহলে এই পোস্ট আপনার জন্য না।)

ছাগু নামটার মধ্যেই কিন্তু একটা ছাগু ছাগু ব্যাপার আছে, তাই না?

জামাত-শিবিরের এই কর্মী-সমর্থক ও সমার্থকরা, ছাগল বা ছাগলা না হয়ে ছাগু কেন?

বলছি.............................

ছাগল হলে সরাসরি বলতো," মুক্তিযুদ্ধ আমাদের স্বার্থ নষ্ট করছে"। রাজাকাররাই সঠিক পথে ছিল!
-আর আপনি সাথে সাথে একটা থাপ্পড় দিয়ে বলতেন চুপ ছাগল।

ছাগলা হলে বলতো, পাষ্ট ইজ পাষ্ট।
-তখন আপনি ওর মুখে থু থু মারতেন।

কিন্তু ব্লগে আসার ক্ষমতা বা উপায় নাই ওদের।




ব্লগে আসে তাদের বিবর্তিত উন্নত সংস্করন, ছাগু।

ছাগুরা প্রথমেই জামাত-শিবিরের পক্ষে কিছু বলে না। কিন্তু,

এই ছাগুগুলা ইসলাম ধর্ম, ভারত, আমেরিকা, মুক্তবাজার অর্থনীতি, ইসরাইল, তেল, বুদ্ধিজীবি, বিবাহ, সংস্কৃতি এবং মানবতা ও মানবতাবিরোধী অপরাধ এমন নানান ইস্যু টান দিয়ে সবার সামনে তুলে ধরে এবং জামাত-শিবিরের রেকর্ড বাজানো শুরু করে।

যেহেতু, ছাগল ও ছাগলা থেকে বিবর্তিত হয়ে উন্নত হয়েছে তাই এরা প্রাথমিক পর্যায়ে সফলভাবে মানুষের দৃষ্টি আকর্ষনে সামর্থ হচ্ছে। কিন্তু বিবর্তিত হলেও শেষ পর্যন্ত ছাগ গোষ্ঠির বিধার, ২য় ধাপেই জামাত-শিবিরিয় ল্যাদা ডায়ারিয়ার বেগে বের হয়ে যায় বলেই ছাগু!








আজকে যেমন, কয়েকজন ব্লগার, ২৮ অক্টোবরের রাজনৈতিক মারামারির ঘটনাকে হাইলাইট করে সিমপ্যাথি আদায় করতে চাচ্ছে! এদের কয়েকজনকে অতীতে বিএনপির সুরে সুর মিলাতে দেখা গেলেও আজ কিন্তু তাদের রূপ ধরা পড়েছে। ২৮ অক্টোবর পূর্বঘোষিত সমাবেশ আয়োজনের কথা, এবং দেশের প্রধান ২ রাজনৈতিক দল তাদের নির্বাচনী প্রতিক নিয়ে উপস্থিত হবার ঘোষনা দেয়। স্বাভাবিকভাবেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে, এবং এটা সবাই জানতো যে ২৮ তারিখে সংঘর্ষ হবে। তারপরেও যারা যারা সেই জায়গায় গিয়েছিল তারা জ্ঞাত ছিল এবং পরিনতি সম্পর্কে ধারনা স্বত্ত্বেও ঝুঁকি নিয়েছিল। এবং কাস্তে ও (বাটখারাহীন) দাড়িপাল্লার তুলনায় বৈঠা বেশী কার্যকরী প্রমান হওয়ায় সংঘর্ষে জামাত-শিবিরের কয়েকজন মারা যায়।

বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে এমন ঘটেছে, ঘটছে বেশ অনেকবার কিন্তু একমাত্র ছাগুরাই বিগত বছরগুলোর মত এ বছরও এই ইস্যু প্রচার করছে আবেগ, ধর্ম, মানবতা এসবের মত সেনসেটিভ মশলা মেখে!

আর এই পুরো রেসিপিটাই জামাত-শিবিরের কেন্দ্র থেকে প্রস্তুতকৃত!

আপনি কি জামাত-শিবিরের চাহিদামত চিন্তা করবেন? তাদের আশা অনুযায়ী চলবেন? তাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী আবেগ আক্রান্ত হবেন?
- উত্তরটা জানি, অবশ্যই না!


সুতরাং , দেশপ্রেমিক ভাই-বোন আপনাদের মনে ২৮ অক্টোবরের সংঘর্ষ সম্পর্কে কোন রকমের মিতস্ক্রিয়া ঘটানোর আগে ভেবে দেখবেন, সত্যের অপলাপ এবং ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল করার চেষ্টা যারা করছে তারা কতটা হীন মনের মানুষ! তাদের পরিচয় কি?

আর তাদের ইতিহাস ও পরিচয় কতটা বাজে!!!!

একই উপায়ে মানে , ধর্ম, ভবিষ্যৎ, নীতিবাক্য ও আবেগের সাথে পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা মিশিয়ে এদের সরাসরি গুরুরাই ৭১ সালে আমাদের জাতিটাকে মায়ের গর্ভে লাথি দিয়ে মেরে ফেলার চেষ্টা করেছিল! তাই আজ থেকে ৪০ বছর আগের চেনা এই চরিত্র আজ চিনতে ভুল করবেন না!

আজ এদের চিনতে ভুল করবেন না যেন! এদের জন্ম বাংলাদেশ এবং দেখতে মানুষের রূপী মনে রাখবেন এদের সবচেয়ে বেশী যথাযত ও কার্যকর পরিচয় , এরা ছাগু।

নীচের ভিডিওতে দেখুন শিবিরের সেইদিনের রূপ।



ভিডিও নেয়া হয়েছে এখান থেকে।
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা জানুয়ারি, ২০১২ রাত ২:৪৬
১৪টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

'ট্রিট' বা 'উদযাপন' মানে স্রেফ খাওয়া-দাওয়াই মূখ্য কেন??

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৭



আমাদের উদযাপনটা হয়ে গেছে অনেকটা খাওয়া-দাওয়া কেন্দ্রিক? 'ট্রিট' বা 'সেলিব্রেশন' বলতে আমরা কেবল খাওয়া-দাওয়াকেই বুঝি...কিন্তু এটা কিন্তু ভিন্নরকমভাবেও করা যায় নিঃসন্দেহে!

প্রিয় কেউ ভালো কোনোকিছু করলে, সফলতা পেলে বা... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাওলার দায়িত্ব পেয়ে সেই দায়িত্ব পালন না করায় হযরত আলীকে (রা.) মাওলা বলা ঠিক না

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৮



সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতিম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের নিজেদের না পাওয়া গুলো অন্যদের পেতে সাহায্য করা উচিত।

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:৪২


আমরা মানুষেরা সবসময় ভালো থাকতে চাই। ভালো খেতে চাই, ভালো পড়তে চাই, ভালো চাকুরী/ব্যবসা করতে চাই। কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই আমাদের চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল থাকেনা। এই চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:২২

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!


সমুদ্রে বড় জাহাজ যখন ডুবতে থাকে, তখন কে ধনী বা কে গরীব প্রকৃতি তার বাছ-বিচার করেনা ।
বা বলা চলে, কে পাপী... ...বাকিটুকু পড়ুন

এতো সুর আর এতো গান - আমার কণ্ঠে

লিখেছেন সাড়ে চুয়াত্তর, ০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ২:০০

একটা হারানো দিনের গান গাওয়ার চেষ্টা করেছি (Cover Song)। আশা করি সবাই উপভোগ করবেন।

গান - এতো সুর আর এতো গান
মূল গায়ক - সুবীর সেন
গীতিকার এবং সুরকার - সুধিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×