চট্টগ্রামের আঞ্চলিক গান-১ : লুসাই পাহাড়ত্তুন লামিয়ারে যার গই কর্ণফুলী...
০৫ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:৪০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
‘ছোড ছোড ঢেউ তুলি পানিত/ লুসাই পাহাড়ত্তুন লামিয়ারে/ যার গই কর্ণফুলী।/ ...পাহাড়ি কন সোন্দরী মাইয়া/ ঢেউঅর পানিত যাই/ সিয়ান গরি উডি দেখের/ কানর ফুল তার নাই/ যেইদিন কানর ফুল হাজাইয়ে/ হেইদিনত্তুন নাম কর্ণফুলী...’ (পানিতে ছোট ছোট ঢেউ তুলে লুসাই পাহাড় থেকে বয়ে যাচ্ছে কর্ণফুলী/ পাহাড়ি এক সুন্দর মেয়ে ঢেউয়ের পানিতে স্নান সেরে ওঠে দেখে তার কানের ফুল নেই, যেদিন থেকে হারিয়েছে কানের সেই ফুল সেদিন থেকে নাম কর্ণফুলী)
ক্যাসেট প্লেয়ারে বেজে চলেছে গানের পর গান। চঞ্চলা তরুণী শুনছে ‘ওরে সাম্পানওয়ালা/ তুই আমারে করলি দেওয়ানা...’ কিংবা আমুদে তরুণের মুখে অহর্নিশ ফিরছে সেই একই গানের লাইন- ‘হেডমাস্টরে তোঁয়ারে তোয়ার’। সবখানে একই চিত্র। দেশের পূর্বকোণে গান নিয়ে এ এক আলাদা সংস্কৃতি, আরিক অর্থেই। একান্তভাবে চট্টগ্রামের অধিবাসীদের জন্যই এসব গান রচিত এবং তাদেরই নিজস্ব সংস্কৃতির বহিঃপ্রকাশ ‘চট্টগ্রামের আঞ্চলিক গান’। তাতে যেমন আছে সুখ-দুঃখ, হাসি-কান্না, তেমনি তার সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে সমাজ-সংস্কৃতি-রাজনীতি- অল্পকথায় সমসাময়িক ইতিহাস।
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
লিখেছেন
রবিন.হুড, ২৩ শে জুন, ২০২৬ সকাল ১১:০৮

চাপালিশ, চামল, চাম্বল, চাম্বুল, টোপোনি (মগ), বলস্রাম (গারো), কাঁঠালি চাম বা চাম কাঁঠাল (বৈজ্ঞানিক নাম: Artocarpus chama; আর্টোকার্পাস চামা) হচ্ছে মোরাসি পরিবারের কাঁঠাল-জাতীয় একটি বন্য প্রজাতির ফল। বিপন্ন এই বৃক্ষটি...
...বাকিটুকু পড়ুন
গায়ে ভাই রে সাদা নীল জার্সি
গন্ধ বাতাসে উম্মুখ হয়ে আছি;
কখন হবে- কণ্ঠ নালীর মিছিল-
তারপর- তারপর- সজোরে কিক
গোল- গোল শব্দটা আনন্দ মুখর!
আমার জার্সির রঙগুলো আত্মহারা
রাতজাগা পাগলাপাড়া ফুটবল খেলা
নয়ন জলে টলমলে- স্মৃতির...
...বাকিটুকু পড়ুনএসো, বৃত্তবদ্ধ খাঁচা ছেড়ে বাইরে এসো,
কল্পনাতীত উদাত্ত আকাশে চোখ পেতে
দুজনে বসি ঘাস গালিচাতে আজ পাশাপাশি ,
দেখ, পুস্প-ফলে বৃক্ষদের একাগ্র তপস্যা
দেখ, পূর্নিমাকে অর্থ দেয় বিপরীত অমাবশ্যা ।
দেখ, সাপ ও... ...বাকিটুকু পড়ুন
"হে কাবা! তুমি কতই না উত্তম, তোমার সুঘ্রাণ কতই না চমৎকার! তোমার মর্যাদা কতই না মহান! তবে সেই সত্তার শপথ, যাঁর হাতে মুহাম্মদের প্রাণ! নিশ্চয়ই আল্লাহর কাছে একজন মুমিনের জান,... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বাংলা বিভাগের অধ্যাপক চৌধুরী মো. তাশরিক-ই-হাবিবকে একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়ার
সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
যে কোন সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় পপুলিস্ট দিক ও ন্যায়বিচারের দিক উভয়ই খেয়াল রাখতে...
...বাকিটুকু পড়ুন