নউি সভেনে ওয়ান্ডারস-ফরহাদ সাফায়তেুল কবীর
ওয়ার্ল্ডের সাতটি সেরা স্থাপনা নির্বাচন করার জন্য শুরু হয়েছে এক প্রতিযোগিতা। এ প্রতিযোগিতায় প্রাথমিকভাবে দর্শকদের ভোটে ৭৭টি স্থান নির্বাচিত হয়েছিল। ওয়ার্ল্ডের সব মানুষ যাদের পৃথিবীর সেরা স্থাপনা বলে জানে সেগুলো আসলে কেমন? জনগণের প্রিয় এসব স্থাপনা সম্পর্কে জানুন ধারাবাহিক এ লেখায়।
আইফেল টাওয়ার
আইফেল টাওয়ার প্যারিসের গর্ব। বিশ্বের সবচেয়ে পরিচিত টাওয়ার এই আইফেল। ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের চ্যাম্প দি মারস নামক স্থানে আইফেল টাওয়ার অবস্থিত। এর পাশ দিয়ে বয়ে গেছে সিন নদী। এ টাওয়ারের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এটি দিনে যতোটুক লম্বা রাতে তার চেয়ে খানিকটা ছোট হয়ে যায়। এর নির্মাতা গুস্তাফ আইফেল। তার নামেই এ টাওয়ারের নাম রাখা হয়েছে আইফেল টাওয়ার। ১৮৮৭ সালে এ টাওয়ার বানানোর কাজ শুরু হয়। ১৯৮৯ সালে এর কাজ শেষ হয়। এ টাওয়ার পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি পর্যটককে আকৃষ্ট করেছে। ১৯৮৯ সাল থেকে প্রায় ২০ কোটি দর্শক আইফেল টাওয়ার দেখে এসেছে। এ হিসাবটি ২০০৫ সাল পর্যন্ত। যখন আইফেল টাওয়ার চালু হয় তখন তা ওয়াশিংটন মনুমেন্টকে হটিয়ে বিশ্বের সবচেয়ে উচু স্থাপনায় পরিণত হয়েছিল। তার এ গর্ব ১৯৩০ সাল পর্যন্ত বজায় থাকে। সে বছর নিউ ইয়র্ক সিটিতে ক্রাইশলার বিল্ডিং নির্মিত হলে আইফেল টাওয়ার তার গর্ব হারিয়ে ফেলে। উল্লেখ্য, ক্রাইশলার বিল্ডিংয়ের উচ্চতা ৩১৯ মিটার। আইফেল টাওয়ারের লোহা-লক্কড়ের ওজন ৭,৩০০ টন। আইফেল টাওয়ারের মাথায় ২৪ মিটার লম্বা একটা এন্টেনা আছে। এন্টেনাসহ এর উচ্চতা ৩২৪ মিটার বা ১,০৬৩ ফুট। তাপমাত্রায় এটা বাড়ে বা কমে। বাতাসে আইফেল টাওয়ার সামান্য দোল খায়। আইফেল টাওয়ারের মালিক প্যারিস শহর।
মাচু পিচ্চু
প্রতœতত্ত্ববিদ হিরাম বিনহাম ১৯১১ সালে মাচু পিচ্চু আবিষ্কার করেন। প্রাচীন বিশ্বের এক অন্যতম বিস্ময় এ মাচু পিচ্চু। ইনকা রেড ইনডিয়ানরা এ শহর গড়ে তুলেছিল পাহাড়ের ওপর। মাচু পিচ্চু একটা রেড ইনডিয়ান শব্দ। এর মানে ওল্ড পিক বা বুড়ো পর্বতের চূড়া। ইনডিয়ান পর্বতের মাথায় তৈরি করা হয়েছিল মাচু পিচ্চু শহর। পাহাড় চূড়ায় অবস্থিত হলেও এর আশপাশে শস্যের চাষ হতো। পাহাড়ের ঝরনা থেকে শহরের জন্য পানি সংগ্রহ করা হতো। এর প্রায় দুই হাজার ফুট নিচ দিয়ে উরবামা নদী বয়ে গেছে। এ শহরে ছিল প্রাসাদ, মন্দির, শস্যগোলা এবং প্রায় ১৫০টির মতো বাড়ি। প্রতœতত্ত্ববিদদের ধারণা, এতো উচুতে এ শহরটির নির্মাণের অন্য কোনো উদ্দেশ্য ছিল। তাদের ধারণায় ছিল আসলে এটি মানমন্দির। এখান থেকে আকাশের সূর্য, চন্দ্র এবং তারাদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করা হতো। ইনকা এবং মায়দের ক্যালেন্ডার সে সময়কার ইওরোপের তুলনায় অনেক বেশি বৈজ্ঞানিক ছিল। স্প্যানিয়ার্ডরা পেরু এবং আশপাশের এলাকা দখল করে ফেলে। তবে তারা মাচু পিচ্চুর অস্তিত্ব আবিষ্কার করতে পারেনি। তারা ধারণা করতো, মাচু পিচ্চু বলে কিছু একটা আছে। ১৫৩৩ সালে স্প্যানিয়রা এ এলাকা দখল করে ফেলার পরই মাচু পিচ্চুর পতন শুরু হয়।
রেড স্কয়ার অ্যান্ড দি ক্রেমলিন
রাশিয়ার গর্ব হচ্ছে এ ক্রেমলিন প্রাসাদ। রুশ ভাষায় এ জায়গাটির নাম ক্রসনিয়ে পোলাশচাদ। মস্কোর কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত রেড স্কয়ার। রেড স্কয়ার শহর থেকে ক্রেমলিনকে আলাদা করেছে। ক্রেমলিন সরকারিভাবে রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন। রেড স্কয়ার থেকে শহরের অনেক প্রধান রাস্তা নানাদিকে বের হয়ে গেছে। রেড স্কয়ারকে বলা হয় মস্কো এবং রাশিয়ার সেন্ট্রাল পয়েন্ট। ক্রেমলিনের ইতিহাস অনেক প্রাচীন। এক সময় এ এলাকায় বেশ কয়েকটা কাঠের বাড়ি ছিল। ইভান দি থার্ডের সময় নতুন করে এ এলাকাটি গড়া হয়। পরে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন জার একে নির্মাণ করেন। কমিউনিস্ট শাসকদের সময় এটি ছিল তাদের সরকারি অফিস। তবে এ রেড স্কয়ার নামটি ১৭ শতকে নেয়া হয়। এর মূল নাম রুশ ভাষায় ক্রসনিয়ে, যার মানে লালও হতে পারে বা সুন্দর হতে পারে। রেড স্কয়ারের গা ঘেষে তৈরি ক্রেমলিনে বেশ কয়েকটি বিল্ডিং আছে। এগুলো প্রত্যেকটি আবার আলাদা বৈশিষ্ট্যের অধিকারী। এখানে আছে লেলিনের সমাধি, সেন্ট ব্যাসিল ক্যাথেড্রাল ইত্যাদি। এর অসাধারণ দেয়াল আর স্থাপত্য এবং রঙের কারণে এটি রাশিয়ার প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
সানা সিটি
সানা ইয়েমেনের একটি শহর। শহরটিকে ইয়েমেনের পাহাড়ের রানী বা প্রাণ বলে ডাকা হয়। এটি ইয়েমেনের অন্যতম প্রাচীন শহর। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে এ শহর প্রায় ২,২০০ মিটার উচুতে অবস্থিত। এর চারপাশে বেশ কয়েকটি পর্বত রয়েছে। খ্রিস্টের জন্মের ৬০০ বছর আগে সাবাইয়েন রাজবংশ এ শহরের পত্তন করে। এক সময় তা হিমাইট নামে এক রাজবংশের রাজধানী ছিল। ইসলামের আগমনের পর কিছু সময় সানা অটোমান সাম্রাজ্যের রাজধানীর মর্যাদা পায়। এক সময় ইয়েমেন দুটি অংশে ভাগ হয়ে যায়। তখন সানা উত্তর ইয়েমেনের রাজধানী ছিল। সানা ২,৫০০ বছরের পুরনো একটি শহর। এ শহরের প্রায় অনেক বিল্ডিং ৪০০ বছরের পুরনো এবং এগুলো বেশির ভাগই মাটির তৈরি। পুরনো সানা শহরে আছে ১২০টির মতো মসজিদ, ১২টি হাম্মামখানা, ৬ হাজার ৫০০টি ঘর। এদের দেখলে মনে হবে মাটির ঘর যেন আকাশ ছুতে যাচ্ছে। সানার বাব আল ইয়েমেন বা ইয়েমেন গেট প্রায় ৭০০ বছরের পুরনো।
ভার্সেই রাজপ্রাসাদ : ফ্রান্স
১৬৮২ থেকে ১৭৯০ সাল পর্যন্ত ভার্সেই ছিল ফ্রান্সের রাজপ্রাসাদ। তবে এর নির্মাণ কাজ শুরু হয় ১৬২৪ সালে। চতুর্দশ লুইয়ের সময় এখানে বসবাস শুরু হয়। তিনি অবসরযাপন কেন্দ্র হিসেবে ভার্সেইকে ব্যবহার করতে শুরু করেন। পরে ১৬৮২ সালে চতুর্দশ লুই তার রাজ দরবার এবং রাজধানী ভার্সেইতে স্থানান্তর করেন। তবে রাজা চতুর্দশ লুইয়ের মৃত্যুর পর রাজধানী আবার প্যারিসে স্থানান্তর হয়। পঞ্চদশ লুইয়ের সময় আবার ভার্সেই রাজ দরবারের মর্যাদা পায়। ১৭৮৯-এর অক্টোবরে রাজা ষোড়শ লুই আবার প্যারিসে ফিরে আসেন। প্যারিসের জনগণের চাপে তিনি প্যারিসকে রাজধানী বানাতে বাধ্য হন। ১৮৭১ সালে ফ্রান্সের অঘোষিত রাজধানী হয় ভার্সেই। ১৮৭৯ সাল পর্যন্ত এটাই ছিল ফ্রান্স সরকারের অফিস। জুলে হারদিন মসার্তে ছিলেন ভার্সেই রাজপ্রাসাদের মূল ডিজাইনার। হাজার এক আরব্য রজনীর গল্পের মতো করে তিনি এ রাজপ্রাসাদ বানাতে চেয়েছিলেন। এখানে আছে আয়না ঘর যাকে গ্যালারি দি গ্লাসে বলে অভিহিত করা হয়। অল্প কথায় ভার্সেই রাজপ্রাসাদের সৌন্দর্য আর সম্পদের বর্ণনা দেয়া কঠিন। বলা হয়ে থাকে, এর মেঝে সোনা দিয়ে তৈরি। এখানে আয়না ঘরের চারপাশ ১৮ ফুট লম্বা আয়না দিয়ে বাধানো।
আলহামরা গ্রেনাডা স্পেন
স্পেনের দক্ষিণ ভাগ আফ্রিকার পূর্ব উপকূল থেকে একদল মুসলিম সেনাপতি দখল করে নেয়। তাদের বলা হতো মুর। এ মুর জাতির সেরা কীর্তির মধ্যে অন্যতম আলহামরা রাজপ্রাসাদ। আরবি ভাষায় আলহামরা মানে লাল। আলহামরার দেয়ালের রঙের কারণেই এ প্রাসাদের এই নাম। এটা ছিল গ্রেনাডার রাজদরবার। এর দৈর্ঘ্য ৭৪০ মিটার এবং প্রস্থ ২০৫ মিটার। এর চারপাশে যে কাদা দিয়ে দেয়াল তৈরি করা হয়েছে তার রঙও লাল। বাদশাহ আবদুল্লাহর শাসনামল থেকে এ প্রাসাদের কথা ইতিহাসে পাওয়া যায়। তিনি ৮৮৮ থেকে ৯১২ পর্যন্ত গ্রেনাডা শাসন করেন। তখন এ প্রাসাদ খুব একটা বড় ছিল না। এরপর এটি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়। বাদশাহ বাদিসের সময়ে তার উজির সামুল ইবনে নাগরালা এটাকে আবার নির্মাণ করেন। প্রাসাদের যে বর্তমান রূপটি পাওয়া যায় এটা নির্মাণ করেছিলেন নাসরিদ রাজবংশের ইবনে নসর। আলহামরা প্রাসাদকে একটি মুকুটের মধ্যে একটি মণি হিসেবে চিহ্নিত করেন অনেকে। পুরো প্রাসাদের চেহারা অসাধারণ। এর দেয়ালের রঙ মনমুগ্ধকর। ইতিহাসে আছে শুরুতে এর রঙ ছিল সাদা। পরে তা লাল আকার ধারণ করে। আরব স্থাপত্যে তৈরি এ রাজপ্রাসাদ আন্দলুসিয়ার সৌন্দর্যকে তুলে ধরেছে। কাঠের তৈরি বিভিন্ন অংশ এখনো তার সৌন্দর্য প্রকাশ করে। এর মধ্যে রয়েছে এক পার্ক। সালে ডে লা আবেন কারাহা বা একটি বিশেষ কক্ষ এখনো মুরদের শেষ রাজা বো-আবদেলের বাবার নাম ধরে রেখেছে। এর ছাদ নীল, বাদামি, লাল এবং সোনালি রঙের নানা সজ্জায় তৈরি। সালে ডে লস ডস হারমোনাস বা দুই বোনের কক্ষ সাদা মার্বেলের তৈরি। এ হলের মাঝখানে একট ঝরনা রয়েছে। এর নকশা করা খিলান মুসলিম যুগের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করে। আলহামরার অন্য সেরা কাজগুলোর মধ্যে রয়েছে সালে ডে লা জাস্টিস বা বিচার কক্ষ। এখানকার আসবাব আর পোর্সেলিনের তৈরি তৈজসপত্র দেখতে বিশ্বের দূর-দূরান্ত থেকে পর্যটকরা ভিড় জমান।
আঙ্কর ভাট
লরা ক্রাফট অ্যান্ড টুম্ব রাইডার যারা দেখেছেন তারা এ মন্দিরকে অবশ্যই মনে রাখবেন। এ মন্দিরেই অভিযান চালায় লরা।
আঙ্কর ভাট বর্তমানে কম্বোডিয়ার অংশ। ১২ শতকে দ্বিতীয় সূর্যবর্মণ আঙ্কর ভাটে তার রাজধানী স্থাপন করেন। তিনি সে সময় আঙ্করে একটি মন্দির স্থাপন করেন। কালের গর্বে রাজধানী ও রাজ্য হারিয়ে গেলেও সে মন্দির আজো টিকে আছে। কম্বোডিয়ার আধুনিক শহর সিয়াম রিয়াপ ৫.৫ কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত। এক সময় চম্পকরা খেমারদের আক্রমণ করে এবং রাজধানী ধ্বংস করে দেয়। তবে রাজা সপ্তম জয়বর্মণ আঙ্কর রাজ্যে আবার নতুন করে রাজধানী এবং মন্দির নির্মাণ করেন। খেমারদের পতনের সঙ্গে সঙ্গে এ শহর ও মন্দির হারিয়ে যায়। ১৫৮৬ সালে এক পর্টুগিজ নাবিক অ্যান্থনিও ডে ম্যাগদেলনা এ মন্দির দেখতে পান। তার কাছে এটি ছিল বিশ্বের অন্যতম সেরা মন্দির। তবে মন্দিরটিকে আধুনিক পৃথিবীর কাছে পরিচিত করেন একজন ফরাশি যার নাম অরি মত। এ মন্দিরের গায়ে অজস্র মূর্তি রয়েছে। এ মূর্তিগুলো তৈরি করা হয়েছে আঙ্কর ভাটের নিজস্ব স্টাইলে। পুরো বিল্ডিংটি তৈরি করতে ইট ও পাথরের ব্যবহার করা হয়েছে। এর নির্মাতারা দক্ষতা দেখিয়েছিলেন মূর্তি নির্মাণে। এর ফলে প্রাচীন গ্রিস এবং রোমান নির্মাতাদের সঙ্গে তাদের তুলনা করা হয়। আঙ্কর ভাট বিশ্বের অন্যতম সেরা ও বড় মন্দির। এ মন্দির হিন্দু দেবতা বিষ্ণুকে উৎসর্গ করে নির্মাণ করা হয়েছিল।
ফরহাদ সাফায়েতুল কবীর
আসলে কেউ ফেরে না।
মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর
যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন
দ্য ড্রাগ কিং

সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।
খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন
সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে
আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন
ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।
শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন
মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪
মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।
মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।