ঘটনা টি আমি সরাসরি দেখিনি , ভিডিও ফুটেজে যা দেখলাম গা শিউরে ঊঠার মত , এরা কি মানুষ না নরপশু ।
কেউ কেউ হিজাব এর কথা বলছেন , আবার পর্দার কথা ও উঠে আসছে … ভাবতে অবাক লাগে হিজাব না পড়লেই কি মেয়েদের রাস্তাঘাটে উলঙ্গ করে দিতে হবে … এ কোন সভ্য সমাজে এসে পড়েছি আমরা… যারা এ কাজ গুলো ঘটিয়েছে তাদের ও তো ঘরে বোন আছে , মা আছে …
এই ঘটনা নিয়ে আবার বিভিন্ন জনের প্রতিক্রিয়া বিভিন্ন রকম কিছু মিডিয়া ও ব্যাক্তিবর্গ আংগুল তোলছেন ঢাকা বিশববিদ্যালয়ের দিকে । যেহেতু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গনে ঘটনা টি ঘটেছে সুতরাং ঢাকা বিশববিদ্যালয়ের ছাত্ররাই কাজ টি করেছে।
উনাদের বোঝা উচিৎ সারা বছর যেখানে নারী নিয়ে কিছু হয় না , সেখানে পহেলা বৈশাখের দিনে কি এমন হয়ে গেল যে ছাত্ররা এতটা নিচে নেমে গেল , আর পহেলা বৈশাখ এর মত দিন গুলোতে বহিরাগত মানুষের ই আনাগোনা বেশি থাকে ক্যাম্পাসে… সুতরাং কাজ টা যে কিছু বহিরাগত কিছু জারজদের দ্বারাই ঘটেছে এটা নিশ্চিত… পক্ষান্তরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র লিটন নন্দী যে সাহসিতকা দেখিয়েছে , সেটা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচয় কেই সমুন্নত করে ।
এখানে একটা বিষয় উঠে আসছে সেটা হল পুলিশের নিষ্ক্রিয়তা ও প্রশাসনের অবহেলা … অভিজিৎ হত্যার সময় ও আমরা পুলিশ কে দর্শকের ভূমিকায় দেখেছি এবার ও সেই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটল … তাহলে এই সব গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট এ পুলিশ দের রাখা হয়েছে কি জন্য?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


