আমার নানী হালিমা আক্তার গত ১৪ ই ফেব্রুয়ারি তে মারা গেছেন। তিনি শ্বাসকষ্ট রোগে আক্রান্ত ছিলেন। তাহার জন্য সবাই দোয়া করিবেন।

আমার নানীকে গত ৩১ জানুয়ারি ২০২৪ ইং তারিখে মুগদা সরকারি মেডিকেল এ ভর্তি করা হয়। আমার নানীর আগে শ্বাসকষ্ট অসুখ ছিলো না। করোনার পর থেকে তার শ্বসকষ্ট রোগ এট্যাক করতে থাকে। তারই ধারাবাহিকতার সেদিন মুগদা মেডিকেলে ভর্তি করা হয়। এর আগে শুধু ইমারজেন্সি বিভাগে জরুরী সেবা নিলে ঠিক হয়ে যেতো। এবার অবস্থা এত খারাপ হয়ে যে তাকে আইসিইউ তে ভর্তি করেন। আমারা নানা ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা। সেই সুবাধে হয়তো তাড়াতাড়ি আইসিউ বেড পায়। মোট ১৪ দিন আমার নানী হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। সকালে মা খালারা হাসপাতালে থাকতেন। রাতে আমি থাকতাম। গত ৪ বা ৬ তারিখে রাত ২ টায় আমার নানীর অবস্থা খারাপ হয়। পরে তাকে লাইভ সাপোর্ট এ নেওয়া হয়। এই রাত ২টা বাজে ফার্মেসী থেকে ঔষুধ সংগ্রহ করা খু্ব রোমাঞ্চকর ব্যাপার। অন্যজনের জন্য বিরক্তিকর ব্যাপার হতে পারে।
১৪ ই ফেব্রুয়ারি তে রাত ৩ টায় নার্স আসেন। আর বলেন আপনার নানীর অবস্থা ভালো না। যত সকালে পারেন, সবাইকে আসতে বলিয়েন। তখনই আমার কলিজায় কামড় দিয়ে ওঠে। এই কথার অর্থ কি তখন বুঝে গিয়েছিলাম। তারপর সকাল ৬টায় বড় ডা্ক্তার এসে সব পরীক্ষা করে মৃত ঘোসনা করেন।
এই ১৪ দিন হাসপাতাল আমার বাসা হয়ে যায়। আমার পাশে যারা ঘুমাতেন, তারা আমার প্রতিবেশী হয়ে যান। আন্টি বয়সী এক মহিলার প্রেমে পড়ে যাই। এটা তাকে বলা হয়নি। হয়তো ব্যাপারটা তিনিও বুঝেছেন। এই ১৪ দিন ছিলো এক অদ্ভত অভিজ্ঞতা।
বর্তমানে এই আইসিইউ দেখলাম খুব ভালো। খুব মর্ডানাইজ। সেবার মান ভালো। আন্সারেরা ভালো ব্যাবহার করেন। নার্স, পরিস্কার কর্মীরাও ভালো। যাই...... হউক। এখন থেকে নিয়মিত ব্লগে থাকার চেষ্টা করিবো।









ছবিতে মুগদা মেডিকেল। আমি যে মেঝেতে ঘুমাতাম। আইসিউ। ও শেষের ছবিতে আমার নানীর ছোট বোন ও ছোট ভাই।
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ সন্ধ্যা ৬:৫১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



