আমার বিয়ে বাড়ির খাবার খেতে ভালো লাগে। আমাকে কেউ বিয়ের দাওয়াত দিলে আমার খুসি লাগে। বিয়ের দিন আমি সেজে গুজে বিয়ে বাড়িতে আয়োজন করা খাবার থেতে যাই। আমাদের এলাকায় বর্তমানে পোলাও, রোস্ট, মুরগির গোস্তের ভাজি (ইংরেজিতে চিকেন ফ্রাই), গরুর গোস্ত, সবজি, ডাইল খাওয়ায়। শেষে দই বা ঠান্ডা খাওয়ায়। চট্টগ্রাম বাদে প্রায় সব এলাকায় একই ধরনের খাবার।
তবে ব্যাতিক্রম পেয়েছিলাম জয়পুরহাটে। ওখানে মুরগীর গোস্ত কে ভিন্ন রেসিপি তে রান্না করে। আর সম্ভবত আলুর স্পেশাল তরকারি করেছিলো যেখানে খাসির গোস্তের সাথে আলু ছিলো। কিন্তু সেখানে আলু কিভাবে যেন রান্না করা হয়েছিলো। ২০০৮ সালের ঘটনা, এইটে পড়তাম। তাই তেমন স্মরন নাই।
আমি বিয়ে বাড়িতে খুব তৃপ্তি ভরে খাই। পোলাও এর সাথে সবজি। আর লেবু। কি যে টেস্ট। আর লেবুর রসের সাথে রোস্ট,,,,! কি যে একটা ফিলিং যা বলার বাহিরে।
কিন্তু বর্তমানে বিয়ে বাড়িতে অতিরজ্ঞিত আনন্দ আয়োজন আমার কাছে খারাপ লাগে। এই অতিরজ্ঞিত আয়োজন বিয়ে কে কঠিন করে দিয়েছে। গায়ে হলুদই ধরেন। এখানে সব পুরুষ ও নারী একই রকম হলুদ রং এর জামা পড়ে। গায়ে হলুদ লাগায়। ইত্যাদি ইত্যাদি। এটা সম্পন্ন বাজে খরচ। শুধু অহেতুক টাকা খরচই হয় না, সময় ও শ্রমের লোকসান হয়।
আবার বিয়ে বাড়িতে অনেকে খাবার অপচয় করে। গরুর গোস্ত খেতে পারবে ২ পিস। প্লেটে নেয় ৬ পিস। বাকি ৪ পিস ফেরে দেয়। মেয়ের বাপের তো এই গরু গোস্ত ক্রয় করতে, রান্ন করতে বার্বুচি খরচ, প্যান্ডেল এর জন্য খরচ করেছেন। আর এই খরচের টাকা কামাতে উনার খুব পরিশ্রম হয়েছে। যখন দেখে আপনি চারটি গোস্ত অপচয় করেছেন, তখন মেয়ের বাপের কষ্ট হয়। মনে হয় যেন তার এই পরিশ্রম কে আপনি অপমান করছেন।
আবার বিয়ে বাড়িতে রাতের বেলা বড় সাউন্ড বক্স নিয়ে নাচা নাচি করা হয়। এতে করে শব্দ দূষন হয়। মেয়ের বাপের অর্থ নষ্ট হয়। আমার কাছে এসব নাচানাচি, গায়ে হলুদ, খাদ্যের অপচয় এসব পছন্দ হয় না। মেয়ের বাড়িতে যামু। মেয়েকে সম্মানের সহিত বিয়ে করে বাসায় আনবো। আমার সাথে ১০/১২ জন বন্ধু ও ১০/১২ জন মুরব্বিরা থাকবে। গায়ে হলুদ বাদ। রাতে নাচা নাচি বাদ। খুব সহজ বিয়ে। এই বিয়েকে আপনারা অতি রজ্ঞিত করতে গিয়ে নষ্ট করে ফেলেছেন।
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে মে, ২০২৪ বিকাল ৪:১৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




