somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

একটি কুরবানী ঈদের গল্প।

১০ ই জুলাই, ২০২২ রাত ৯:২৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



=> ২০০১ সাল। আমার নানা বাড়ি মুন্সিগজ্ঞ জেলার, গজারিয়া উপজেলা, ভবেরচর ইউনিয়নে।

আমার নানা হাট থেকে গরু আনে। গরু যখন আমাদের গোরস্হান এখানে আনে গরু দেয় এক দৌড়। এক দৌড়ে মালিকের বাসা (হোগলাকান্দি গ্রাম) গরুর পেছনে নানা, সোহেল মামা শাহীন মামা অথবা জুয়েল মামা দৌড়াচ্ছিলো।

সেদিন আর নানা গরু আনে নাই। মালিকের বাসায় রেখে আসে। মালিক ঈদের দিন গরু দিয়ে যায়।

=> ২০০৭ সাল। তখন ক্লাস সেভেনে পড়ি। কুরবানী ঈদে নানার বাড়িতে আসি। ডিসেম্বর মাস ছিলো সম্ভবত। সে সময় আমাদের উপজেলা তে পাইপ গ্যাস আসে নাই। ছাদের উপর মাটির চুলার ব্যাবস্থা করে খালা আর নানী পিঠার ব্যাবস্থা করে। কুরবানীর গোস্ত দিয়ে পিঠা, খেতে ভারী মজা।

এই পযর্ন্ত আমাদের ভবেরচর ইউনিয়ন কিছুটা গ্রাম গ্রাম ভাব ছিলো। খোলা মাঠ। চারদিকে গরু পালন করার অভিজ্ঞ লোক। কুরবানী পশু পালনে কোন সমস্যা হতো না।

এখন আমাদের ভবেরচর ইউনিয়ন এতটাই নগরায়ন হয়েছে যে আমাদের ভবেরচর ইউনিয়ন কে পৌরসভা বানানো সময়ের দাবি। এখন চারদিকে বিল্ডিং। গরু ছাগল চড়ানোর মত মাঠ নাই। আবর পশু রাখার জন্য গোয়াল ঘর ও নাই। পশু পালনের অভিজ্ঞ লোক ও নাই। তাছাড় আমরা পশু পালনে তেমন অভিজ্ঞ না। যার কারনে বাড়িতে আনলে পশু অনেক খানি শুকিয়ে যায়।

সামনে এমন দিন আসবে “গরু আপনার, পালন করার দায়িত্ব আমাদের।” এই শ্লোগান নিয়ে ব্যাবসায়ীরা ব্যাবসায় নামতে পারে। কারন মানুষ এতটাই কর্পোরেট হয়ে গেছে যে গবাদি পশু পালনে তাদের সময় নাই।

চাইনিজরা এক ধরনের জুতা আবিষ্কার করেছে। যা তৈরি করতে পশুর চামড়া লাগে না। মাদ্রাসাদের এই চামড়ার নির্ভশীলতা এখন থেকেই কমাতে হবে। কারন চাইনিজ সেই জুতা বাজার পায় তাহলে কেউ চামড়া দিয়ে জুতা বানাবে না। তখন চামড়ার বাজার বিলুপ্ত হবে।

যাই হউক। ঈদ মোবারক।
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই জুলাই, ২০২২ রাত ৯:২৮
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

যে বাঁধ নেই সে বাধ নিয়ে জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রমের মিথ্যাচার।

লিখেছেন রাবব১৯৭১, ১৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১০:২৮

[যে বাঁধ নেই সে বাধ নিয়ে জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রমের মিথ্যাচার।
------------------------------------------------------------------------
একটি কার্যকর গণতন্ত্রে সংসদ হওয়া উচিত মিথ্যা ও বিভ্রান্তির বিরুদ্ধে শেষ প্রতিরোধক। এখানে তথ্য যাচাই হয়, তৈরি... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতাঃ নাবিকের মনের নোঙর

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ১৭ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১২:২২

ছুটি শেষে যে নাবিক গৃহত্যাগ করে
ফিরে চলে পোতাশ্রয়ে নোঙর করা
তার জাহাজ পানে, জিজ্ঞেস করোনা
তাকে কখনো তার গন্তব্যের কথা।

তার মনে গেঁথে থাকে ফেলে আসা
প্রিয়জনের কান্নাভেজা মুখ আর চোখ,
বাংলার শ্যামল প্রান্তরে... ...বাকিটুকু পড়ুন

রোকেয়া পদক ২০২৫: ঘৃণা আর পুরস্কারের এক অদ্ভুত সহাবস্থান

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৭ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১:০৭


২০২৪ সালের ৫ই আগস্ট শেখ হাসিনার পতনের পর দেশে অনেক কিছু ঘটেছিল। কিছু আশার, কিছু উত্তেজনার, আর কিছু একেবারে হতবাক করে দেওয়ার মতো। হতবাক করার মতো প্রথমেই যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

এই পাড়েতে পদ্মা বহে, ঐ পাড়ে গঙ্গা।

লিখেছেন শ্রাবণ আহমেদ, ১৭ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১:১৩

এইযে নদী দেখছো!
নদীর এ পাড়ে বহে পদ্মা।
আর ঐ পাড়েতে গঙ্গা।
একই নদীর ভিন্ন নাম
ভিন্ন জাগায় ভিন্ন কাম।
এই পাড়ে যা গা ভেজানো
ঐ পাড়ে তা পাপ ঘুচানো।
গঙ্গা-স্নানে পবিত্র হয় তাদের সারা গা।
এই পাড়েতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ছবি ব্লগ- মেঘলা আকাশ

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ১৭ ই এপ্রিল, ২০২৬ ভোর ৫:৩৮

তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস
সময় সন্ধ্যা ৭টা বেজে ৪০ মিনিট
জানালা থেকে ঐ বাঁ দিকে Lake Ontario -র জল আর আকাশের মেঘের মেলা মিলেমিশে একাকার


একটু আলোর রেখা
টরোন্টো... ...বাকিটুকু পড়ুন

×