কলারোয়ার কেড়াগাছি রথখোলা সীমানত্দে বুধবার বিএসএফ এবং বিডিআরের মধ্যে 15 রাউন্ড গুলি বিনিময়ের ঘটনায় উভয় সীমানত্দে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়। প্রকাশ, ভারতের বশিরহাট মহকুমার স্বরূপনগর থানার তারালী ক্যাম্পের বিএসএফ বাংলাদেশ সীমানত্দের মধ্যে 10/12 জন বাংলাদেশী গরু ব্যবসায়ীক লক্ষ্য করে 10 রাউন্ড গুলি ছোঁড়ে। এর জবাবে কাকডাংগা ক্যাম্পের টহলরত বিডিআর পাল্টা 5 রাউন্ড গুলিবর্ষণ করে। থেমে থেমে প্রায় 1 ঘন্টাব্যাপী বিডিআর-বিএসএফের মধ্যে এই গুলি বিনিময়ের ঘটনা ঘটে বলে কেড়াগাছি ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য হযরত আলী জানান। উলেস্নখ্য, এ নিয়ে গত 10 দিনে একই সীমানত্দে বিএসএফের গুলিতে 2 জন গরু ব্যবসায়ী নিহত ও 14 জন আহত হয়েছে।
সাতক্ষীরা সংবাদদাতা জানান, বুধবার সাতক্ষীরার ভোমরা ইমিগ্রেশন চেকপোষ্ট এলাকায় বিডিআর ও বিএসএফের মধ্যে কোম্পানী কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক হয়েছে। বিডিআরের পক্ষে নেতৃত্ব দেন সুবেদার শফিউদ্দিন এবং বিএসএফের পক্ষে নেতৃত্ব দেন কিরণ ঠাকুর। পতাকা বৈঠকে বিডিআর সাতক্ষীরা সীমানত্দে বিনা উস্কানিতে গুলিবর্ষণ করে বাংলাদেশী নিরীহ জনগণকে হত্যার প্রতিবাদ জানায়। ভবিষ্যতে সীমানত্দে গুলিবর্ষণের কোন ঘটনা ঘটলে বিডিআরের পক্ষ থেকে তার জবাব দেয়া হবে বলে পতাকা বৈঠকে জানিয়ে দেয়া হয়। সীমানত্দে গুলি করে বাংলাদেশী হত্যার ঘটনায় বিএসএফ দুঃখ প্রকাশ করে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা আর ঘটবে না বলে জানায়।
ঃঃ দৈনিক ইত্তেফাক ঃ 08.06.2006 ঃঃ

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


