সাতক্ষীরার ভাতশালা ও শাকরা সীমান্তে বৃহস্পতিবার ভোর থেকে বেলা সাড়ে এগারটা পর্যন্ত চার দফায় বিডিআর ও বিএসএফের মধ্যে ব্যাপক গুলি বিনিময় হয়েছে। এ সময় বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশী কিশোরী কোমরপুর গ্রামের আঃ হকের মেয়ে হালিমা আহত হয়েছে। ভয়ে ওই সীমান্তের কাছে বসবাসকারী বাংলাদেশের তিনটি গ্রামের বাসিন্দারা বাড়ি ছেড়ে অন্যত্রে চলে যেতে শুরু করেছে। প্রকাশ, বিএসএফ 106 ব্যাটালিয়নের আওতাধীন সৈয়দপুর ক্যাম্পের একটি টহল বোট সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার ভাতশালা সীমান্তে বাংলাদেশ জল সীমানায় ঢুকে পড়ে। এ সময় বিডিআর বিএসএফকে ফিরে যেতে বলে। এ সময় বিএসএফের 19 রাউন্ড গুলির জবাবে বিডিআর 30 রাউন্ড গুলি ছোঁড়ে। এ ঘটনার 20 মিনিট পর বিএসএফের 25 রাউন্ড গুলির জবাবে বিডিআর 30 রাউন্ড গুলি চালায়। এভাবে সকাল সাড়ে 5টা থেকে বেলা সাড়ে এগারটা পর্যন্ত বিডিআর বিএসএফের মধ্যে 4 দফা গুলি বিনিময় হয়। এভাবে বিএসএফ উক্ত ভাতাশালা ও শাখরা কোমরপুর ক্যাম্প লক্ষ্য করে সহস্রাধিক রাউন্ড গুলিবর্ষণ করে। জবাবে বিডিআর তিন শতাধিক রাউন্ড গুলি চালায়। উভয় সীমান্তে যুদ্ধাবস্থা বিরাজ করছে। সীমান্তের ভেড়িবাঁধে চলাচল না করার জন্য বিডিআর জনসাধারণের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে। কর্নেল মাহফুজুল হক, লেঃ কর্নেল আছয়াদুর রহমান, মেজর হুমায়ুন কবির ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
ঃঃ দৈনিক ইত্তেফাক ঃ 07.07.2006 ঃঃ
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


