জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার কিরণগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফ ও বিডিআরের মধ্যে 3 ঘন্টাব্যাপী গুলি বিনিময় হয়েছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে কিরণগঞ্জ সীমান্তে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। উভয়পক্ষ জনবল বৃদ্ধিসহ ভারী অস্ত্র নিয়ে অবস্থান নিয়েছে।
শনিবার দিবাগত রাতে ভারতের মালদহ জেলার সবদলপুর বিওপির বিএসএফ সদস্যরা কোন উস্কানি ছাড়াই বাংলাদেশের কিরণগঞ্জ সীমান্তের 177 মেইন পিলারের 3 ও 4 সাব পিলারের মধ্যবতর্ী স্থান লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ শুরু করে। যা ভোররাত সাড়ে 3টা পর্যন্ত অব্যাহত ছিল। বিএসএফের আকস্মিক গুলিবর্ষণে সীমান্ত এলাকায় বসবাসকারী বাংলাদেশী নাগরিকরা আতংকিত হয়ে এলাকা ছেড়ে নিরাপদ স্থানে চলে যেতে থাকে। এ সময় বিডিআরও পাল্টা গুলি বর্ষণ করলে বিএসএফ গুলিবর্ষণ বন্ধ করে পিছু হটে যায়। বিএসএফ প্রায় 3শ' রাউন্ড ও বিডিআর 1শ' 25 রাউন্ডগুলি বর্ষণ করে।
6 রাইফেল ব্যাটালিয়নের উপ-অধিনায়ক মেজর নওরোজ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, বিডিআরের পক্ষ থেকে বিএসএফের কাছে এ ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়েছে এবং কিরণগঞ্জ সীমান্ত পতাকা বৈঠকের প্রসত্দাব দিয়ে বিএসএফের কাছে পত্র প্রেরণ করা হলেও বিএসএফের পক্ষ হতে কোন সাড়া পাওয়া যায়নি। তিনি আরো জানান, সীমান্তে অতিরিক্ত বিডিআর মোতায়েন করে সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে।
ঃঃ দৈনিক ইত্তেফাক ঃ 17.07.2006 ঃঃ
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




