চুনারুঘাটের বালস্না সীমান্তে পাথর ফেলা নিয়ে বিডিআর-বিএসএফ মুখোমুখি অবস্থান নিয়েছে। বিএসএফ গতকাল সোমবার সকালে বালস্না সীমান্তে নোম্যান্সল্যান্ডে 1963-এর 28 সাবপিলার সংলগ্ন স্থানে বস্নক ফেলতে চাইলে বিডিআর বাধা দেয়। এ নিয়ে বিএসএফ বালস্না সীমান্তে গুলি-বর্ষণের হুমকি দেয়। বিডিআরের তীব্র বাধার মুখে বিএসএফ পাথর ফেলা বন্ধ রাখে। মুহূর্তের মধ্যে সীমান্তে বিএসএফ ট্রাক বোঝাই করে অতিরিক্ত সৈন্য মোতায়েন করে যুদ্ধাবস্থা সৃষ্টি করে। বিডিআরও পাল্টা ব্যাংকার খননসহ সীমান্তে সৈন্য সংখ্যা বৃদ্ধি করে। যেকোন পরিস্থিতির জন্য তারা প্রস্তুত রয়েছে। সীমান্তে না যাওয়ার জন্য বিডিআর গতকাল মাইকিং করে সতর্ক করে দিয়েছে। যেকোন সময় বিডিআর-বিএসএফের মধ্যে সংঘর্ষের আশংকা করছে এলাকাবাসী।
সীমান্ত সূত্রে জানা যায়, গতকাল সোমবার সকাল 11টার দিকে ভারতের ত্রিপুরা 37 ব্যাটালিয়নের পাহাড়মুড়া ক্যাম্পের সহস্রাধিক বিএসএফ জোয়ান বালস্না পাক্কাবাড়ি এলাকায় 1963-এর 28 নং সাবপিলার সংলগ্ন স্থানে লাল নিশান বসিয়ে 150 গজের ভিতরে খোয়াই নদীর বাঁধে পাথর ফেলা শুরু করে। সাথে সাথে বিডিআর বাধা দিলে বিএসএফ বাধা না মেনে কাজ করতে থাকে। বিডিআর পাল্টা গুলি ছোঁড়ার ভয় দেখালে বিএসএফ কাজ বন্ধ করে পিছু হটে। উলেস্নখ্য, গত 8 সেপ্টেম্বর উপজেলার বালস্না সীমান্তের 1963-এর 28নং সাবপিলার সংলগ্ন পাক্কাবাড়ি এলাকায় ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের খোয়াই শহরের খোয়াই নদীর বাঁধে বিএসএফের পাথর ফেলা নিয়ে উত্তেজনা দেখা দিলে 11 সেপ্টেম্বর উক্ত সীমান্তে কোম্পানী কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠকে বসে। বিএসএফ বৈঠকে বালস্না সীমান্তে পাথর ফেলা বন্ধ রাখবে বলে সিদ্ধান্ত মেনে নিলেও গতকাল তারা উক্ত স্থানে পাথর ফেলা শুরু করে। সীমান্ত এলাকায় উত্তেজনা ও আতংক বিরাজ করছে। অনেকে গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে যাচ্ছে।
ঃঃ দৈনিক ইত্তেফাক ঃ 19.09.2006 ঃঃ
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


