বিএনপিকে ভাঙ্গার জন্য সরকার তৎপরতা চালাচ্ছে। এতে অবশ্য কিছু লোক সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে। সাধারণ জনগণের মধ্যে যারা আওয়ামী লীগকে সমর্থন করে তাদের কেউ কেউ তো বেজায় খুশি।
আওয়ামী লীগ-বিএনপি আমাদের দেশের রাজনীতিতে মুদ্রার এপিঠওপিঠ। এদের মধ্যে বাস্তবিক পক্ষে মৌলিক কোন পার্থক্য না। যে দলই ক্ষমতায় আসুক জনগণের সম্পদ লুটেপুটে খাওয়াই এদের মূল লক্ষ্য। সুতরাং কে ক্ষমতায় থাকল আর গেল এটা নিয়ে সাধারণ মানুষের তেমন মাথাব্যাথা হওয়ার বা খুশি হওয়ার কারণ দেখি না। তবে বিএনপি যদি কোন কারণে ভেঙ্গে যায় বা দুর্বল হয়ে যায় তাহলে সাধারণ জনগণের দুশ্চিন্তার যথেষ্ট কারণ রয়েছে।
আমরা জানি, আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের ক্যাডাররা বর্তমানে কাউকে তোয়াক্কা করে না। মানুষ খুন করা যেন এদের খুব স্বাভাবিক কাজে পরিণত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে তো বইয়ের বদলে ছাত্রলীগের কাছে এখন শুধুই অস্ত্র। এরা অন্যদল তো বটেই নিজ দলের ভাইদেরও নির্বিচারে হত্যা করছে।
বিএনপি ছাড়া বাংলাদেশে আর কোন দল নেই যারা এসব কাজের মৌখিক প্রতিবাদও করতে পারে। বিএনপি নিজেরা ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য হলেও সরকারের এসব কাজের নিন্দা জানায়। কিন্তু একবার বিএনপি ভেঙ্গে গেলে সেই প্রতিবাদটুকু করার মত সামর্থ্যও আর কারও থাকবে না বা সরকার তা হতেও দিবেনা। তখন এসব ক্যাডাররা এখন সমালোচনার ভয়ে হলেও একটু রয়েসয়ে সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালাচ্ছে। কিন্তু একবার একচ্ছত্র আধিপত্য পেয়ে গেয়ে সাধারণ মানুষের পরিণতি কি হতে পারে ভাবতেও গা শিউরে ওঠে।
সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার স্বার্থে হলেও প্রতিবাদ করা বা সমালোচনা করার মত দল রাজনৈতিক দল থাকা অতি গুরুত্বপূর্ণ। জানি না দেশের সাধারণ মানুষের জন্য কেমন ভবিষ্যৎ অপেক্ষা করছে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


