মুক্তমনা নামধারী নাস্তিকরা দেশে বেশি আস্কারা পেয়েছে যখন নাস্তিক ব্লগার থাবা বাবা ওরফে রাজিব হায়দার খুন হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে মহান সংসদে দাড়িয়ে দ্বিতীয় মুক্তিযুদ্ধের প্রথম শহীদ ঘোষনা করে তার শোকে তিন মিনিট নিরবতা পালন করেন৷তার পরিবারকে সমবেদনা জানাতে প্রধানমন্ত্রী তার বাড়ি পর্যন্ত যান৷ তখন থেকে নাস্তিকতা আরও বেশি উৎসাহিত হয়েছে৷ নাস্তিকরা মনে করেছে তারা মুক্তিযোদ্ধা এবং ধর্মবিরোধী লেখালেখি করলে রাষ্ট্রীয় সম্মান জুটবে৷ তখন অনেকেই প্রকাশ্যে ইসলাম ধর্ম, আল্লাহ, নবী রাসুলসহ বর্তমান কালের আলেম ও ধর্মভীরুদের গালি দিতে থাকে৷এর আগে ধর্মবিরোধী লেখালেখি করলেও প্রকাশ্যে তা জানাতে সাহস পেত না৷
সরকার যখন দেখল দেশের সাধারণ মানুষ এটা স্বাভাবিক ভাবে নিচ্ছে না, ভোটের রাজনীতিতে আওয়ামী লীগ মারাত্মক ভাবে পিছিয়ে পড়ছে, আওয়ামী লীগের নামে নাস্তিক তোষণকারী ট্যাগ যুক্ত হয়ে গেছে তখনই সরকার নাস্তিকদের পক্ষ থেকে সরে নিষ্ক্রিয় ও নিরপেক্ষ ভূমিকায় অবতীর্ণ হওয়ার বৃথা চেষ্টা শুরু করেছে৷ নাস্তিকতা দেশে অনেকটা মহামারী আকার ধারণ করেছে৷ আর কিছু চরমপন্থী তাদের নিঃশেষ করতে বৃথা চেষ্টায় লিপ্ত হয়েছে৷
সরকারের বর্তমান অবস্থান হল, 'ধরি মাছ না ছুঁই পানি৷' কোন পক্ষই যেন অসন্তুষ্ট না হয় সরকার সেই প্রচেষ্টায় ব্যস্ত৷ নাস্তিকতাকে সমর্থন করলে দেশের ধর্মপ্রাণ মানুষ বিপক্ষে গেলে ভোটের হিসাবে টান পড়ে৷ ঠিক তেমনি নাস্তিকদেরও প্রয়োজন হয় গণজাগরণ মঞ্চের মত সরকার সমর্থিত আন্দোলনের জন্য৷ ফলাফল সরকার নিষ্ক্রিয়৷ এতে নাস্তিকতা ও চরমপন্থী উভয় পক্ষই উৎসাহিত হচ্ছে৷
সরকারের কঠোর অবস্থানই এখন উভয় পক্ষকে নিস্ক্রিয় করতে পারে৷ ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত ও যারা আইন নিজের হাতে তুলে নিচ্ছে তাদের উভয়কে বিচারের আওতায় আনলেই হয়ত স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে আসবে বলে আশা করা যায়৷

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

