আমি তাকে সমুদ্র দেখাবো বলে অসম্ভব নীলের ভেতর
ভাসিয়েছি অপরিনামদর্শী সিদ্ধান্তের মাস্তুল,
প্রবল হীনম্মন্যতায় ধ্বসে পড়া হৃদপিন্ডের
গাঁথুনিতে জড়াবো বলে, আমার নিভৃত শ্মশানে
রোপন করেছি একটি সবুজ মেহগনি চারা,
দুয়ার লেপ্টে দাঁড়িয়ে থাকা কিছু ভিখিরী
দু:স্বপ্নকে দিয়েছি ৫০ টাকা বখশিশ ।
লাভ-অলাভের অবোধ্য হিসাব নিকাশে
আমি আগাগোড়াই অপটু, আমার মরচে পড়া
জানলার গ্রীলে জোনাকির মৃদু আলোকে
জোছনা ভেবে বাড়িয়েছি কাঙ্গাল দুটি হাত;
প্রশ্ন করোনা কিছু পেয়েছি কিনা
আমার অজস্র অপ্রাপ্তির ব্যপ্তিতে এটুকু
খড়কুটো না হয় গোপনই থাক;
কারো চোখে তৃষ্ণা দেখে সহসা আতকে উঠি
আমারওকি দৃষ্টি জুড়ে কান্না থাকতে নেই?
মেঘেরওতো জল আছে তবুওতো সে আর্দ্রতা চায়;
নাইবা থাকলে বৈশাখের বেরসিক উষ্ণতায় এক
পশলা বৃষ্টির মতো করপুটে দুর্লভ শীতলতা চেপে,
আমার পাথুরে চোয়াল জুড়ে শুষ্কতা আছাড় খায়,
তবু বুঝতে পারিনা অযথাই কেন বুক জ্বলে যায় ।
এভাবে, ঠিক এভাবেই সব কিছু ভেঙ্গে পড়ে
নিয়ন আলোর আভায় অদৃশ্য হয় সম্পর্কের শিশির
শুধু সময় বদলে গেলে নষ্টালজিয়ার বার্ধক্য
ক্ষয়ে যাওয়া স্মৃতির শরীরে ঈষৎ কামড় বসায়,
তারপর প্রদীপ নিভে গেলে আড়ষ্ট বিছানায় শায়িত
সহধর্মিনীর মতো বাতাস বলে “ ভুলে যাও কিছুই মনে রেখনা” ।
১০.০৫.২০১১ শ্রীমঙ্গল

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


