১.
চর দখলের মতো দখল হয়ে যাচ্ছে হৃদপিন্ডের প্রতি ইঞ্চি জায়গা
কয়েক পশলা জীবন সম্মৃদ্ধ সিগারেটের ধোঁয়া রাখবার প্রত্যাশা
স্বার্থপরের মতো ঠাঁয় নিয়েছে বিলাসিতার কাতারে,
শুধু ক্লান্তিহীন দু:স্বপ্নেরা বেঁচে থাকে,দোমড়ানো মোচড়ানোটাই যার স্বভাব;
মাঝে মাঝে মনে হয় একটা প্রলয় হলে মন্দ হতোনা,
গাছের পাতা, ধুলো বালি, বাড়ি ঘর শুধু নয়,
আমার ২০৬ খানা হাড়ের সাথে জড়াজড়ি করে পড়ে থাকা
লঘু কিংবা পুরুট মাংসপিন্ডগুলোকে খসিয়ে নিলে
অযথা ভার বহনের বিড়ম্বনা থেকে মুক্তি পেতাম,
অন্যদের থেকে আমিও কি কম বুঝি?
যেটি রাখবার ক্ষমতা নেই, তাকে অযথাই বোঝার
মতো বয়ে বেড়ানোটা বোকামী ।
২.
পেলবতার সরল সংজ্ঞায়নে ছিড়ে ফেলেছি কয়েক হাজার পৃষ্ঠা
বলপেনের ডগা বেয়ে বর্ণের বদলে ঝরে পড়ছে গ্রীষ্মের ঘাম,
দু’হাতে মাথাটা খামছে ধরে উত্তর খুঁজি কয়েকটা সরল প্রশ্নের
কে আমি?
আমি কি মানুষ?
মানুষেরা কি এমন করে নিজেকে গিলে খায়?
দিগন্তে পীতবর্ণীল মেঘ দেখে আমার কেন চোখ ঝলসে যায়?
জানি উত্তর নেই, সহজ সত্যের উত্তর খোঁজা মানে
ভেতরের বিরহকে অযথাই ঘুম থেকে জাগানো ।
৩.
বেশ কয়েকদিন ধরে সময়ে অসময়ে বৃষ্টি হচ্ছে,
কেউ একজন বলেছিলো “বন্ধু বৃষ্টি নিয়ে কিছু লিখোনা কেন?”
কি আশ্চর্য ! বৃষ্টিতে বেশ কয়েকবার কাঁকভেজা হবার পরও
আমার মনে হলো আমি এবছরে এখনো বৃষ্টি দেখিনি,
অথচ গতকাল দুপুরে দেখলাম সমস্ত আকাশ জুড়ে
রুপোর মতো ঝলমল করছে রোদ্দুর,
ওকে বলতে পারিনি শুধু আমারই কেন এমন হয়।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


