ফিরে আসতেও ভয় হয় এই বুঝি সর্বস্ব জ্বলে যাবে সময়ের দাবানলে
একাকি পথের ধারে একান্তের দ্বৈরথ বুকে চেপে বসে থাকা কয়েকটি মুখে
বুনিয়াদের বদলে যখন গাঢ় হয় ভেঙ্গে পড়বার ঘোর অমানিশা,
তখন ভাবি বদলটা সম্ভব নয়, কিন্তু এতোটা ক্ষয়ের পরেও
বুকের টলটলে দিঘীতে সযত্নে বাঁচিয়ে রাখি বিলুপ্তপ্রায় শ্বেতপদ্ম।
সারি সারি কন্ঠরুদ্ধ বাতাসে রক্তের ঝাঁঝ,
তৃষ্ণার্থ বাঘের মতো ছুটে আসা লোভী হায়েনার চপেটাঘাত,
সূর্যের কেন্দ্র থেকে ধেয়ে আসা উষ্ণতায় জমাট রক্তের তরলায়ন,
তবুও দু’মুঠোয় মাটি আকড়ে ধরে হুঙ্কার ওঠে কয়েকটি শব্দের “
মা, তোমার শরীর থেকে একেকটি আভরন খুলে নেবার আগে
শুষে নিতে হবে আমাদের শরীরের শেষ রক্তবিন্দু টুকুও,
রাস্তা-ঘাট
বহুতল ভবন
ড্রয়িং রুম
খাবার টেবিল
বিছানা বালিশ
পানি ও গ্যাস পাইপে বইবে রক্তের স্রোত” ।
যদিও আমি জানি
অত:পর তাহারা ছুটে আসবেন দু’চোখে অব্যয় তৃষ্ণা মেখে,
বুকের শশ্মানে সহস্র পৈশাচিকতাকে মাটি চাপা দিয়ে
চতুর্মাত্রিক কপট ভালোবাসার রুমালে রক্ত ঢেকে দিতে;
তখন ঈষান বিষান ছাপিয়ে হুংকার ওঠবে সংখ্যা গরিষ্ঠের,
এ মাটি কারো করুনায় পাওয়া ভিক্ষার কুড়ো নয় ।
অত:পর সুনশান.......হাওয়া বদল.......সেই একই চেনা রক্ত
মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ থেকে আনুবীক্ষণিক সস্ত্বিটুকুও উধাও;
এই প্রানহীন বোবা মাতৃত্ত্বের আঁচলে অভিমানে ভেঙ্গে পড়বার আগে
উত্তর খুঁজি কয়েকটা সরল প্রশ্নের
কতটুকু নির্ভেজাল তোমার সতিত্ত্ব?
তোমার হ্রদপিন্ড খুড়ে সুরাত্তোলন করতে থাকা
জানোয়ারদের কুড়ালের বুক ও পিঠ রক্ত দিয়ে ঢেকে দেবার
দায়ভার কি শুধু তোমার এই সংখ্যালঘু বাউন্ডুলে সন্তানদের ?
নাকি তোমার মাতৃত্ত্বের ছায়ায় বেড়ে ওঠা পুরো ১৬ কোটি সন্তানের?
০৯.০৭.২০১১ অফিস (মহাখালী )

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


