জিজ্ঞেস করোনা গভীরতার সাথে সময়ের দুরত্ব কতখানি,
তোমার অবগুন্ঠিত স্বেচ্ছাচারিতাই জানে আমার স্তুপাকার
পান্ডুলিপির বিবর্ণ সারসংক্ষেপ।
গল্পের শুরুতেই আজন্ম পিছু হটে যাওয়া সবুজ পায়রা
ডানায় মুছে নিয়েছিলো আলোর ঘ্রান,
বিছানা বালিশ থেকে খাবারের প্লেটে, আমার অলৌকিক বৈভব
বাসনা হারাতে গিয়েও টুপটাপ ঝরে পড়েছে ধুলোয়;
কিছুক্ষণ উচ্ছাস, সেই সাথে ভয়,যা কিছু সরল ছিলো
মুহূর্তের হাওয়া বদলে রোদটাকে ঠিক স্বচ্ছ মনে হতোনা,
পায়ের তলায়, পিঠের নিচে খেঁজুর কাঁটার মতো
আমুল বিষিয়েছে আকাঙ্খিত অধরার অব্যয়ী পদচ্ছাপ।
আমার মতো যাদের চোখের নিচে জন্মাবধি কালির দাগ,
তাদের জন্য তোমার করুনার উচ্ছিষ্ঠই সমস্ত অর্জণ,
কেউ একজন বলেছিলো ম্লান মুখের অবয়বগুলোতে
নির্দ্বিধায় হাত রাখা তোমার কোমল হৃদয়ের খেয়ালীপনা।
বুঝে নেবার আগে, শুধু নির্জণতার রোমন্থনটুকু রেখে গেলে,
পেছনে পড়ে থাকা আবছায়া মেঘের নিচে আহত গাংচিল আমি,
উত্তর খুঁজি একটি সরল প্রশ্নের “ সময় ও গভীরতার
সংজ্ঞায়নে বরাবরই কেন নিগুঢ় স্বপ্নের মৃত্যু হয়?”
এদিকে দৃষ্টি ফিরিওনা,
এখানে দেখবার মতো মনোরোম কোন দৃশ্যপট নেই,
পরবাসী রাজপথে কখনো হোঁচট খেলে বুঝে নিও,
তোমার সমস্ত শরীর মোড়া উষ্ণ ওভারকোটে প্রত্যাশার বরফ জমলে
তিক্ষ্ণ রোদে একা বসে অনুর্বর প্যপিরাসে চাষ করি কষ্টের সাতকাহন।
২৩.০৮.২০১১ মহাখালী (অফিস)

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


