somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মাইকেল মধুসূদন দত্তের চতুর্দ্দশপদী কবিতাবলী পর্ব-৪

২৬ শে নভেম্বর, ২০১৩ দুপুর ১:২৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

মাইকেল মধুসূদন দত্তের চতুর্দ্দশপদী কবিতাবলী পর্ব-৪

পর্ব-১
পর্ব-২
পর্ব-৩


৩৫
ঈশ্বরী পাটনী
“সেই ঘাটে খেয়া দেয় ঈশ্বরী পাটনী ৷”
অন্নদামঙ্গল ৷
কে তোর তরিতে বসি, ঈশ্বরী পাটনী ?৩৮
ছলিতে তোরে রে যদি কামিনী কমলে,
কোথা করী, বাম করে ধরি যারে বলে,
উগরি, গ্রাসিল পুনঃ পূর্ব্বে সুবদনী ?
রূপের খনিতে আর আছে কি রে মণি ?
এর সম ? চেয়ে দেখ, পদ-ছায়া-ছলে,
কনক কমল ফুল্ল এ নদীর জলে
কোন্ দেবতারে পুজি, পেলি এ রমণী ?
কাঠের সেউঁতি তোর, পদ-পরশনে
হইতেছে স্বর্ণময় ! এ নব যুবতি
নহে রে সামান্যা নারী, এই লাগে মনে;
বলে বেয়ে নদী-পারে যা রে শী্রগতি ৷
মেগে নিস্ , পার করে, বর-রূপ ধনে
দেখায়ে ভকতি শোন্ , এ মোর যুকতি ৷
৩৬
বসন্তে একটি পাখীর প্রতি
নহ তুমি পিক, পাখি, বিখ্যাত ভারতে,
মাধবের বার্ত্তাবহ; যার কুহরণে
ফোটে কোটি ফুল-পুঞ্জ মঞ্জু কুঞ্জবনে !
তবুও সঙ্গীত-রঙ্গ করিছ যে মতে
গায়ক, পুলক তাহে জনমে এ মনে !
মধুময় মধুকাল সর্ব্বত্র জগতে,
কে কোথা মলিন কবে মধুর মিলনে,
বসমতী সতী যবে রত প্রেমব্রতে ?
দুরন্ত কৃতান্ত-সম হেমনত এ দেশে৩৯
নির্দ্দয়; ধরার কষ্টে দুষ্ট তুষ্ট অতি !
নাদেয় শোভিতে কভু ফুলরত্নে কেশে,
পরায় ধবল বাস বৈধব্যে যেমতি!
ডাক তুমি ঋতুরাজে, মনোহর বেশে
সাজাতে ধরায় আসি, ডাক শীঘ্রগতি!
৩৭
প্রাণ
কি সুরাজ্যে, প্রাণ, তব রাজ-সিংহাসন !
বাহু-রূপে দুই রথী, দুর্জ্জয় সমরে,
বিধির বিধানে পুরী তব রক্ষা করে;
পঞ্চ অনুচর তোমা সেবে অনুক্ষণ ৷
সুহাসে ঘ্রাণেরে গন্ধ দে ফুলবন ;
যতনে শ্রবণ নে সুমধুর স্বরে ;
সুন্দর যা কিছু আছে , দেখায় দর্শন
ভূতলে, সুনীল নভে, সর্ব্ব চরাচরে !
স্পর্শ, স্বাদ, সদা ভোগ যোগায়, সুমতি!
পদরূপে দুই বাজী তব রাজ-দ্বারে;
জ্ঞান-দেব মন্ত্রী তব ভবে বৃহস্পতি;
সরস্বতী অবতার রসনা সংসারে !
স্বর্ণস্রোতোরূপে লহু, অবিরল-গতি,
বহি অঙ্গে; রঙ্গে ধনী হে তোমারে !
৩৮
কল্পনা
লও দাসে সঙ্গে রঙ্গে, হেমাঙ্গি কল্পনে,
বাগ্ দেবীর প্রিয়সখি, এই ভিক্ষা করি ;
হায়, গতিহীন আমি দৈব-বিড়ম্বনে,
নিকুঞ্জ-বিহারী পাখী পিঞ্জর-ভিতরি !
চল যাই মহানন্দে গোকুল-কাননে,
সরস বসন্ত যথা রধাকান্ত হরি
নাচিছেন, গোপীচয়ে নাচায়ে; সঘনে
পুরি বেণুরবে দেশ !৪০ কিম্বা শুভঙ্করি,
পুজেন উমায় রাম, রঘুরাজ-পতি,৪১
কিম্বা সে ভীষণ ক্ষেত্রে, যথা শরজালে
নাশিছেন ক্ষত্রকুলে পার্থ মহামতি ৷৪২
কি স্বরগে, কি মরতে, অতল পাতালে,
নাহি স্থল যথা, দেবি নহে তব গতি 
৩৯
রাশি-চক্র
রাজপথে, শোভে যথা রম্য-উপবনে
বিরাম-আলয়বৃন্দ গড়িলা তেমতি
দ্বাদশ মন্দির বিধি বিবিধ রতনে
তব নিত্য পথে শূন্যে রবি দিনপতি 
মাস কাল প্রতি গৃহে তোমার বসতি
গ্রহেন্দ্র প্রবেশ তব কখন সুক্ষণে
কখন বা প্রতিকুল জীব-কুল প্রতি 
আসে বিরামালয়ে সেবিতে চরণে
গ্রহব্রজ প্রজাব্রজ রাজাসন-তলে
পুজে রাজপদ যথা তুমি তেজাকর
হৈমময় তেজঃ-পুঞ্জ প্রসাদের ছলে
প্রদান প্রসন্ন ভাবে সবার উপর ৷
কাহার মিলনে তুমি হাস কুতুহলে
কাহার মিলনে বাম শুনি পরস্পর ৷
৪০
সুভদ্রা-হরণ
তোমার হরণ-গীত গাব বঙ্গাসরে
নব তানে ভেবেছিনু সুভদ্রা সুন্দরি
কিন্তু ভাগ্যদোষে শুভে আশার লহরী
শুখাইল যথা গ্রীষ্মে লরাশি সরে 
ফলে কি ফুলের কলি যদ প্রেমাদরে
না দেন শিশিরামৃত তারে বিভাবরী ?
ঘৃতাহুতি না পাইলে কুন্ডের ভিতরে
স্রিয়মাণ অভিমানে তেজঃ পরিহরি
বৈশ্বানর৪৩ দুরদৃষ্ট মোর চন্দ্রাননে
কিন্তু ( ভবিষ্যৎ কথা কহি ) ভবিষ্যতে
ভাগ্যবান্তর কবি পুজি দ্বৈপায়নে৪৪
তোমার হরণ-গীত তুষি বিজ্ঞ জনে
লভিবে সুযশঃ  সাঙ্গি৪৫ এ সঙ্গীত-ব্রতে 
৪১
মধুকর
শুনি গুন গুন ধ্বনি তোর এ কাননে
মধুকর এ পরাণ কাঁদে রে বিষাদে 
ফুল-কুল-বধু-দলে সাধিস্ যতনে
অনুক্ষণ মাগি ভিক্ষা অি মৃদু নাদে
তুমকী৪৬ বাজায়ে যথা রাজার তোরণে
ভিখারী কি হেতু তুই ? ক৪৭ মোরে
কি সাদে৪৮
মোমের ভান্ডারে মধু রাখিস্ গোপনে
ইন্দ্র যথা চন্দ্রলোকে দানব-বিবাদে
সুধামৃত ?৪৯ এ আয়াসে কি সুফল ফলে ?
কৃপণের ভাগ্য তোর  কৃপণ যেমতি 
অনাহারে অনিদ্রায় সঞ্চয়ে বিকলে
বৃথা অর্থ বিধি-বশে তোর সে দুর্গতি 
গৃহ-চ্যুত করি তোরে লুটি লয় বলে
পর জন পরে তোর শ্রমের সঙ্গতি 
৪২
নদী-তীরে প্রাচীন দ্বাদশ শিব-মন্দির
এ মন্দির-বৃন্দ হেথা কে নির্ম্মিল কবে ?
কোন্ জন ? কোন্ কালে ? জিজ্ঞাসিব কবে ?
কহ মোরে কহ তুমি কল কল রবে
ভুলে যদি কল্লোলিনি না থাক লো তারে ৷
এ দেঊল-বর্গ গাঁথি উৎসর্গিল যবে
সে জন ভাবিল কি সে মাতি অহঙ্কারে
থাকিবে এ কীর্ত্তি তার চিরদিন ভবে
দীপরূপে আলো করি বিস্মৃতি-আঁধারে ?
বৃথা ভাব প্রবাহিনী দেখ ভাবি মনে ৷
কি আছে লো চিরস্থায়ী এ ভবমন্ডলে ?
গুঁড়া হয়ে উড়ি যায় কালের পীড়নে
পাথর হুতাশে তার কি ধাতু না গলে ?
কোথা সে ? কোথা বা নাম ? ধন ? লো ললনে ?
হায় গত যথা বিম্ব তব চল জলে 
৪৩
ভরসেলস্ নগরে রাজপুরী ও উদ্যান
কত যে কি খেলা তুই খেলিস্ ভুবনে
রে কাল ভুলিতে কে তা পারে এই স্থলে ?
কোথা সে রাজেন্দ্র এবে যার ইচ্ছা-বলে
বৈজয়ন্ত-সম৫০ ধাম এ মর্ত্ত্য-নন্দনে
শোভিল ? হরিল কে সে নরাপ্সরা-দলে
নিত্য যারা নৃত্যগীতে এ সুখ-সদনে
মজাইত রাজ-মনঃ কাম-কুতুহলে ?
কোথা বা সে কবি যারা বীণার স্বননে
( কথারূপ ফুলপুঞ্জ ধরি পুট করে )
পুজিত সে রাজপদ ? কোথা রথী যত
গান্ডীবি-সদৃশ যারা প্রচন্ড সমরে ?
কোথা মন্ত্রী বৃহস্পতি৫১? তোর হাতে হত ৷
৪৪
কিরাত-আর্জ্জুনীয়ম্
ধর ধনুঃ সাবধানে পার্থ মহামতি ৷
সামান্য মেনো না মনে ধাইছে যে জন
ক্রোধভরে তব পানে  ওই পশুপতি
কিরাতের রূপে তোমা করিতে ছলন 
হুঙ্কারি আসিছে ছদ্মী৫২ মৃগরাজ-গতি
হুঙ্কারি হে মহাবাহু দেহ তুমি রণ ৷
বীর-বীর্য্যে আশা-লতা কর ফলবতী
বীরবীর্য্যে আশুতোষে৫৩ তোষ বীর-ধন 
করেছ কঠোর তপঃ এ গহন বনে
কিন্তু হে কৌন্তেয় কহি যাচ্ছি যে শর
বীরতা-ব্যতীত বীর হেন অস্ত্র-ধনে
নারিবে লভিতে কভু দুর্লভ এ বর 
কি লাজ অর্জ্জুন কহ হারিলে এ রণে ?
মৃত্যুঞ্জয় রিপু তব তুমি রথি নর ৫৪
৪৫
পরলোক
আলোক-সাগর-রূপ রবির কিরণে
ডুবে যথা প্রভাতের তারা সুহাসিনী
ফুটে যথা প্রেমামোদে আইলে যামিনী
কুসুম-কুলের কলি কুসুম-যৌবনে
বহি যথা সুপ্রবাহে প্রবাহ-বাহিনী
লভে নিরবাণ সুখে সিন্ধুর চরণে
এই রূপে ইহ লোক শাস্ত্রে এ কাহিনী
নিরন্তর সুখরূপ পরম রতনে
পায় পরে পর-লোকে ধরমের বলে ৷
হে ধর্ম্ম কি লোভে তবে তোমারে বিস্মরি
চলে পাপ-পথে নর ভুলি পাপ-ছলে ?
সংসার-সাগর-মাঝে তব স্বর্ণতরি
তেয়াগি কি লোভে ডুবে বাতময়৫৫ জলে ?
দু দিন বাঁচিতে চাহে চির দিন মরি ?

সূত্রঃ ইন্টারনেট,
মধুসূদন কাব্য সমগ্র-বাংলা একাডেমী,
মধুসূদন রচনাবলী-সম্পাদনা সব্যসাচী রায়,কলিকাতা

পাদ-টীকাঃ
৩৮ ৷ ভারতচন্দ্রের অন্নদামঙ্গল কাব্যের প্রসঙ্গ ৷ দেবী অন্নদা ছদ্মবেশে ঈশ্বরী পাটনীর নৌকায় নদী পার হয়েছিলেন ৷
৩৯ ৷ কবি স্বয়ং পাদটীকা করেছেন ফরাসীস্ দেশে ৷
৪০ ৷ রাধাকৃষ্ণপ্রেমলীলার প্রসঙ্গ ৷
৪১ ৷ রামায়ণের লঙ্কাকান্ডের প্রসঙ্গ ৷
৪২ ৷ মহাভারতের কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধের প্রসঙ্গ ৷
৪৩ ৷ অগ্নি ৷
৪৪ ৷কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস ৷
৪৫ ৷ সাঙ্গ করে ৷
৪৬ ৷ তুম্বকী একতারা
৪৭ ৷ কথা বলার আঞ্চলিক কথ্যরূপ ৷
৪৮ ৷ সাধে ৷
৪৯ ৷ সমুদ্রমন্থনের প্রসঙ্গ ৷
৫০ ৷ ইন্দ্রের প্রসাদ ইন্দ্রপুরী ৷
৫১ ৷ প্রজ্ঞাবান অর্থে ৷
৫২ ৷ ছদ্মবেশধারী ৷
৫৩ ৷ যিনি অল্পে সন্তুষ্ট হন মহাদেব ৷
৫৪ ৷ এ কবিতর উপাদান মহাভারতের আখ্যান থেকে লওয়া ৷
৫৫ ৷ ঝটিকাসংকুল ৷
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে নভেম্বর, ২০১৩ দুপুর ১:২৬
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আমি ভারতকে যা দিয়েছি ভারত চিরকাল তা মনে রাখবে----- ড্রাকুলা হাসিনা।

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১৬ ই আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১১:৫৭



ড্রাকুলার হাসিনা তো আর এমনি এমনি বলেনি যে, আমি ভারতকে যা দিয়েছি ভারত চিরকাল তা মনে রাখবে।

রামপাল তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র। যা মূলত ভারতকে একতরফা সুবিধা দেওয়ার জন্য তৈরি... ...বাকিটুকু পড়ুন

তুমি অমর দিশারী

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ১৬ ই আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১২:১২


তুমি সূর্য কিনারায় উঁকি দিয়েছ বলে-
মা.. তুমি সূর্য আলো!
তোমার জন্মদিনে চাঁদ পৃথিবী হাসছে
আমরা যে গর্বিত গর্বিত-
মা.. তুমি সূর্য আলো;

তোমার অনুশাসন
আমাদের প্রেরণার উড়ন্ত পায়রা
শান্তির জ্বলন্ত মশাল
তোমার জন্ম সাতশত মহীয়ান-
আমরা শুধু গর্বিত... ...বাকিটুকু পড়ুন

অবিশ্বাস্য, অবিস্মরণীয়! বাংলাদেশের দুর্দান্ত জয় অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে!!! :-ls B-)

লিখেছেন জ্যাক স্মিথ, ১৬ ই আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ২:৪৯



অবিশ্বাস্য, দুর্দান্ত, অতুলনীয়,অবিস্মরণীয় যে বিশেষণই ব্যবহার করি না কেন বাংলাদেশের এই জয়ের মহত্ব বুঝাতে কোন শব্দ ভান্ডারই যেন যথেষ্ট নয়। আমি রীতিমত বাকরুদ্ধ হয়ে গেছি বাংলাদেশের এমন পারফর্মেন্স দেখে!! বাংলাদেশ... ...বাকিটুকু পড়ুন

Humans are (not) from Earth-রূপের বৈচিত্র্য ও আঞ্চলিক প্রোগ্রামিং

লিখেছেন শেরজা তপন, ১৬ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ৮:৩৩

প্রশ্ন ও প্রারম্ভিক জিজ্ঞাসাঃ
আমাদের মনে কি এমন প্রশ্নের উদয় হয় না যে,"আমরা যখন পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষের অবয়ব, গায়ের রঙ, চুল কিংবা পুরুষদের মুখের দাড়ি-গোঁফের দিকে তাকাই, তখন এক অদ্ভুত... ...বাকিটুকু পড়ুন

গল্প - অভাগীর সুর ব্যঞ্জনা – পর্ব ১ -

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১৭ ই আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৯:০৮


শহরটা রাতে কখনও পুরো ঘুমোয় না। কেউ প্রেমে জাগে, কেউ স্বপ্নে, কেউ অপরাধবোধে।আর কেউ কেউ জেগে থাকে অভাবে। তিনতলার ছোট্ট ভাড়া-বাড়িটির জানালার পাশে বসে শিরীন হারমোনিয়ামের রিডে আঙুল রাখল।

বাইরে তখন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×