প্রিয় ব্লগার ও পাঠকবৃন্দ,
আমি নিজেকে একজন দেশপ্রেমিক হিসেবে দাবি করি, যদিও আমি দেশের জন্য আহামরি তেমন কিছু করতে পারিনি।
তবে ইদানিং একটা জিনিস আমাকে বারবার ভাবিয়ে তুলছে। কয়েকটা উদাহরণ দিলেই আমি কি বলতে চাচ্ছি বোঝাতে পারবো।
উদাহরণ - ১:
চলছে ক্রিকেট বিশ্বকাপ।
দেশের মাটিতে ক্রিকেট বিশ্বকাপ, এ জীবনে আর দেখবো কিনা জানিনা। খেলায় পক্ষ / বিপক্ষ থাকবেই। আর কে কোন পক্ষ নেবে সেটি তার নিতান্তই ভালো লাগার ব্যপার। কিন্তু নিজেকে অপরাধি মনে হচ্ছে তখন, যখন দেখি পাকিস্তান পক্ষদেরকে রাজাকার, ইত্যাদি বলা হচ্ছে। ( আমার কিন্তু পাকিস্তানের নাম শুনলে ঘেন্নায় গা রি রি করে, ৭১ এ তাদের অপকর্মের জন্য!)
ঘৃণ্ণিত রাজাকার আর তাদের পক্ষ অবলম্বনকারিদের আমরা অবশ্যই ঘৃণা করি, কিন্তু এটা, এই যে পুরো জাতিকে ডিভাইড করার সুক্ষ ষঢ়যন্ত্র, এটা কি আসলেই ষঢ়যন্ত্র, নাকি আমার ক্ষুদ্র জ্ঞান, সেটা আমার বোধগম্য নয়।
উদাহরণ - ২:
তৃতীয় বিশ্বের দেশ হিসেবে বাংলাদেশে কিছু সমস্যা আছে, থাকাটাই স্বাভাবিক। কিন্তু যখনি আপনি কোনো সমস্যার কথা বলবেন, তখন সরকারি দল বলবে আপনি বিরোধিতার খাতিরে বিরোধিতা করছেন, আর বিরোধীদলের লোক ভাববে আপনি তাদের দলের, এবং এটার উল্টোটাও ঠিক।
যেমন, আমি যদি এখন কোনো সমস্যার কথা বলি বা লিখি, আপনারা বলবেন আমি রাজাকার (ছি!) বা অন্য খারাব কিছু। আর যদি সরকারের পক্ষ নিয়ে বলি, কিছু লোক আমাকে ভাদা বলবেন।
তাই,
আমার প্রশ্ন,
দেশে কি ভাদা, আর রাজাকার ছাড়া কেনো লোক নেই?
আপনারা যারা কথায় কথায় ভাদা আর রাজাকার শব্দ উচ্চারণ করেন, তখন বুকের কোণে টিস টিস করে ব্যথা করে-সত্যিই কি আমরা ডিভাইড হয়ে যাচ্ছি? নাকি আমাদেরকে ডিভাইড করা হচ্ছে?
নাকি অন্য কিছু?
(অনুগ্রহ করে নোংরা কোনো শব্দ কেউ ব্যবহার করবেন না, কারণ আমি কোনো নিক ব্যবহার করি না, আমি স্ব-নামেই লিখি!)

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


