somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

তত্ত্ববধায়ক সরকারের সময়ে বৃহৎ দু’দলের অবস্থা

২১ শে এপ্রিল, ২০১৪ রাত ১১:৪২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



২০০৭ এর ১১ই জানুয়ারী ডক্টর ফখরুদ্দীনের নেতৃত্বে তত্ত্ববধায়ক সরকার ক্ষমতা গ্রহন করার পর মূলত দুটি বিষয়ে টার্গেট রেখে কাজ শুরু করে। প্রথমত দুর্নীতি দ্বিতীয়ত সন্ত্রাস। দুর্নীতি দমন কমিশনকে ঢেলে সাজিয়ে ইহার মাধ্যমে বৃহৎ দলসমূহের সাবেক মন্ত্রীদের দুর্নীতির অনুসন্ধানে কাজ শুরু করে এবং দেশের গরীব মানুষের উপবাস রেখে হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাঠানোর রহস্য উদ্ঘাটন হয়ে যায়। সাধারণ সরকারী কর্মকর্তা থেকে শুরু করে সাবেক প্রধান দুই মন্ত্রীসহ কোন দুর্নীতিবাজ এই ক্ষেত্রে রেহাই পাননি। এদের দুর্নীতির খতিয়ান দেশের বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক এবং ইলেক্ট্রনিক্স মিডিয়ায় ফলাও ভাবে ধারাবাহিক প্রকাশ হয়েছে। যা সচেতন পাঠক মহল অবগত আছেন এবং সাথে সুন্নী ভাইয়েরাও। এতে করে বৃহৎ দলের নেতারা কিভাবে রাতারাতি হাজার কোটি টাকার মালিক হয়েছেন তা আর কারো অজানার নয়। সচেতন সুন্নী ভাইয়েরা এসবের দায়ভার কি আমরা কাঁধে নিতে পারি? ইসলাম তো দুর্নীতিতে বিরুদ্ধে বলে ওজন কম দেয়া, পণ্যে ভেজাল মিশানো, সুদ গ্রহণ, ঘুষ প্রদান ইত্যাদিতো ইসলামে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। তাহলে যারা ইসলামের আদেশ- নির্দেশের তোয়াক্কা না করে গরীবদেরকে উপবাস রেখে বিদেশে হাজার কোটি টাকা পাচার করেছে তাদের সাথে কি আমরা হাত মিলাতে পারি, ঐক্যবদ্ধ হতে পারি, সমর্থন করতে পারি, ভোট দিতে পারি, পক্ষপাতিত্ব করতে পারি, সুন্নীদের পক্ষের ভাবতে পারি, সুন্নীয়তের কল্যাণ আশা করতে পারি? তাদের মাধ্যমে নবী অলি বিদ্ধেষী যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কল্পনা করতে পারি? যদি না পারি তাহলে কেন এদের পক্ষে কথা বলব, সমর্থন করব, একাত্বতা প্রকাশ করব, রাজনৈতিক সম্পর্ক রাখব। না, সত্যিকার নায়েবে রাসূলগণ, আশেকে রাসূলগণ কিধিত দুনিয়াবী স্বার্থে নিজ আদর্শকে বিসর্জন দিতে পারে না। নিজের যত্তটুকু শক্তি আছে তা দিয়ে চেষ্টা করুন, শক্তি বৃদ্ধি করুন, পরামর্শ করুন, পরিকল্পনা নিন, বাস্তবায়নে এগিয়ে আসুন, ইনশাআল্লাহ বিজয় আসবেই।
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

হযরত ইমাম হোসেনের (রা.) পরিবর্তে ইয়াজিদী নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল কেন?

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ ভোর ৬:৪৯



সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬৫ ও ৬৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৫। হে নবি! মু’মিন দিগকে যুদ্ধের জন্য উদ্বুদ্ধ কর। তোমাদের মধ্যে কুড়িজন ধৈর্যশীল থাকলে তারা দুইশতজনের উপর বিজয়ী হবে।তোমাদের মধ্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা কোন ইসলাম পালন করছি! কাদের ফলো করছি!

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১০:৫১

খোদা ও নবীজীকে অবমাননা করলে অর্থাৎ ধর্মীয় অবমাননা করলে মৃত্যুদণ্ড দিতে হবে, এমন আয়াত কোরআনে পেলাম না!
অনেক খুঁজলাম.........আমি পাই নাই। আপনি পেয়েছেন কি?



পবিত্র কোরআনে উল্লেখ আছে যে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শন, প্রতিমন্ত্রীর পদত্যাগ এবং ঢাকা দক্ষিণের নতুন সমীকরণ: রাজনৈতিক খেলায় ইশরাক কোথায়?

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫২

রাজনীতির মাঠে অতি-উৎসাহ কখনো কখনো যে আত্মঘাতী হয়ে দাঁড়াতে পারে, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড তারই এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। গত শনিবার রাজধানীর গেন্ডারিয়ায় যেভাবে প্রকাশ্য দিবালোকে আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে, দলবল... ...বাকিটুকু পড়ুন

সৌদি আরবের প্রতি বাংলার মানুষের কেন এত ক্ষোভ?

লিখেছেন জ্যাক স্মিথ, ১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮



বাংলাদেশের বেকারত্ব সমস্যা দূরীকরণে সৌদি আরব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। দেশটিতে বাংলাদেশের প্রায় ৩৫ লাখ শ্রমিক কাজ করছেন। সৌদি আরবই বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বৈদেশিক শ্রমবাজার। ২০২৫–২৬ অর্থবছরে সৌদি আরব... ...বাকিটুকু পড়ুন

সৌদি প্রবাসীর মৃত্যুদন্ড ও রটানো গুজব

লিখেছেন মঞ্জুর চৌধুরী, ২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১:২২

আপনি যে দেশে যাবেন, সেই দেশের আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রাখাটা আপনার দায়িত্ব।
আমেরিকায় আপনি মদ কিনতে পারবেন। কিন্তু আপনার বয়স অবশ্যই ন্যূনতম ২১ হতে হবে। ইউরোপে হয়তো এই বয়সটা ১৮।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×