ভোটের দিন রান্না-বান্না রেখে হাতা, খুন্তি নিয়ে বেরিয়ে পড়তে বললেন মমতা। আর বক্তিতার মাঝে একাধিক বার চেঁচিয়ে উঠলেন, চাক দে চাকদা। ধনেখালিতে এসে ঝাড় খন্ডীদের উৎসাহ দিয়ে গেলেন মমতা। কৃষ্ঞ নগরের সভায় বলে গেলেন, তারা ক্ষমতায় আসলে নাকি আদিবাসিদের ডেকে ডেকে চাকরি দেবেন। রবিবার ধেনখালি, কৃষ্ণনগর, চাকদা, গয়েশ্বরপুর, বারসত- পাঁচ জায়গাতে পরপর সভা করেন মমতা। ধনেখালিতে এসে ঝড়খন্ড দিশম পার্টির প্রশংসা করে বলেন, আপনাদের আন্দোলনে আমার সমর্থন আছে। ধামসা-মাদলের বোলে সিপিএমকে তাঁড়ান। আশ্চর্যের ব্যাপার, হুগলি লোকসভাতে তৃণমূলের রত্না দে নাগ যেমন প্রার্থী, এখানে ঝাড়খণ্ড দিশম পার্টির প্রার্থী রয়েছেন। নাম স্বপন মুর্মু। পাশে আরামবাগে জোটপ্রার্থী কংগ্রেসের। সেখানেও রয়েছেন ঝাড়খণ্ড দিশিমের প্রার্থী। তাহলে কেন মমতা এদের সমর্থন ও উৎসাহ দিলেন? তাহলে কি গোপন সমঝোতা?
এদিন দুপুর দুটো নাগাদ ধনেখালির সিনেমাতলা মাঠে মমতার সভা শুরু হয়। হেলিকপ্টারে মুকুল রায়কে নিয়ে মমতা আসেন।
চলবে...........

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


