শিক্ষার প্রতি ছিলো বালক শরীয়তুল্লাহর অদম্য আগ্রহ।
এই আগ্রহের কারণে অল্প বয়সেই শরীয়তুল্লাহ পাড়ি জমালেন শামাইল থেকে সুদূর কলকাতা।
তাঁর এই সিদ্ধান্তে চাচা আজিমও খুব খুশি হলেন। কারণ তিনিও চান মানুষের মতো মানুষ হোক আদরের শরীয়তুল্লাহ।
সালটি ছিলে সতেরো শো তিরানব্বই।
কলকাতায় গিয়ে শরীয়তুল্লাহ ওঠেন মওলানা বশারত আলীর কাছে।
মওলানা বশারত আলী ছিলেন এক মস্ত বড়ো আলেম।
ছিলেন পাক্কা দীনদার।
বালক শরীয়তুল্লাহর শিক্ষার প্রতি অসম্ভব আগ্রহ দেখে তিনি খুব খুশি হলেন। অত্যন্ত আন্তরিকতা ও স্নেহের সাথে তিনি শরীয়তুল্লাহর সামনে তুলে ধরলেন শিক্ষা ও জ্ঞানের প্রদীপ।
শরীয়তুল্লাহও ছিলেন অত্যন্ত শান্ত ও মেধাবী।
ভদ্রতা ছিলো তাঁর সকল সময়ের ভূষণ।
একাগ্রতার সাথে তিনি মওলানা বশারত আলীর কাছে পড়তে থাকলেন।
শরীয়তুল্লাহর লেখা-পড়ার প্রতি মনোযোগ দেখে এবং তাঁর চরিত্র-মাধুর্যে মোহিত হয়ে মওলানা বশারত আলী তাঁর এই প্রিয় ছাত্রের লেখা-পড়ার যাবতীয় দায়িত্বভার তুলে নিলেন নিজের কাঁধে।
শরীয়তুল্লাহকে তিনি পরবর্তীতে ভর্তি করে দিলেন হুগলী মাদরাসায়।
মাদরাসাটি ছিলো হুগলীর ফুরফুরায়।
মাদরাসায় ভর্তি হবার পর শরীয়তুল্লাহ লেখা-পড়ায় আরও বেশী
মনোযোগী হলেন।
***** আগামী পর্ব - দুর্ঘটনার কবলে
***** গত পর্ব - জন্ম ও শৈশব
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:৫১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


