রাতের আকাশে হেলে পড়েছে পঞ্চমীর চাঁদ। শেষ ট্রেনটাও একটু আগে ষ্টেশন ছেড়ে গেছে। কয়েকজন যাত্রী এদিক ওদিক তাকিয়ে পা বাড়ালেন গন্তব্যের দিকে। একটু দূরে সোডিয়ামের আলোয় নিশিকন্যা পসরা সাজিয়েছে ভরা যৌবনের . . আয়-আয়-আয়। খুব একটা তফাৎ আছে কি ষ্টেশনের উল্টোদিকে রেস্তোরার বিলবোর্ডে সদাহাস্য মডেল কন্যাটির সাথে? জানা নেই . . . . কম্পার্টমেন্টের পিলারের গোড়ায় ঘুমে কাদা হয়ে আছে আনুমানিক তের-চৌদ্দ বছরের একটি ছেলে। সারাদিন মুটেগিরি করে বড় ক্লান্ত সে। তার সাথে গা ঘেঁষেই শুয়ে আছে একটা নেড়ি কুকুর, কি সুন্দর সহাবস্থান!!! আচমকা ঘুম ভেঙ্গে ধড়ফড়িয়ে ওঠে ছেলেটা, সাথে কুকুরটাও জেগে ওঠে কুঁইকুঁই করে। মহাজন এসেছে। তাকে তো খাজনা পরিশোধ করতেই হবে। ঠোলা বাবাজি নোটখানা হাতে নিয়ে ভুড়িখানায় হাত বুলাতে বুলাতে সন্তুষ্ঠ চিত্তে এগিয়ে যায় ল্যাম্পপোস্টের দিকে। কিছু কলহাস্য . . . . পরিত্যক্ত বগির নির্জন প্রকোষ্ঠ . . . . স্বেদাক্ত শরীর। বলৎকার হলো চৌদ্দ বছরের কিশোরটির দিনমান রক্ত জল করা উপার্জন। ওভারব্রিজের ওপাড়ে ডাস্টবিনে কাঁদছে আরেকটা জীবন। কে তার খবর রাখে ???
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ৮:১১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


