শৈলকুপা পাড় করে আমরা ছুটছি বেবী ট্যাক্সি দিয়ে। পাহাড়ি আকা-বাকা পথ, কখনো উচুতে উঠছি, কখনো নীচে নামছি। আমরা সমুদ্রপৃষ্ট থেকে প্রায় 3000 ফিট উপরে, বেবী ট্যাক্সি থেকে একবার ছিটকে পড়ে গেলো বাঁচার আর কোন সমস্যা নাই !! আমরা ছুটছি, প্রকৃতি তার সৌন্দর্যের খোলশ খুলছে একে একে। দূরের গ্রাম, ফসলের মাঠ, উপজাতি পরিবার .....। প্রায় 1:30 মিনিট চলার পর দুপুর 12টার দিকে আসলাম বহু আকাঙ্খিত চিম্বুক পাহাড়ে। চিম্বুকের নীচে আছে সেনাবাহিনীর ক্যান্টিন আর উপরে বান্দরবান সড়ক বিভাগের হাইওয়ে রেস্ট হাউজ, পুলিশ ফারি, মসজিদ, টেলিফোন অফিস, 180 ফিট উচু টাওয়ার। চিম্বুক পাহাড়ে উঠার রাস্তাটা খুব খাড়া, যখন বেবী ট্যাক্সি দিয়ে উপরে উঠছিলাম, তখন আমি খানিকটা আশংকায় ছিলাম বেবী ট্যাক্সি আবার উল্টায় না যায় !! উপরে উঠে দেখি 3/4 টা চাদের গাড়ী, জীপ দাড়িয়ে আছে !!
বান্দরবান থেকে প্রায় 30 কি.মি. দূরে একমাত্র এই পাহাড়ের চুাড়ায় মোবাইল ফোনের নেটওয়র্াক আছে। আম্মুর সাথে ফোনে কথা বললাম। চিম্বুক থেকে গোটা পার্বত্য চট্টগ্রামের একটা বিশাল অংশ দেখা যায়। কোন পাহাড় ঢাকা পড়েছে কুয়াশার চাদরে, কোনটা মেঘের আড়ালে।
ভ্রমন স্মৃতি ঃ 15/12/2006ইং শুক্রবার।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০