ক্ষমতায় যাবার কিংবা ক্ষমতায় থাকার এই অসীম অভিপ্রায়কে বাস্তবে রূপ দিতে গিয়ে সৃষ্ট সহিংসুতা যে আমাদের জন্য ভয়াবহ আতংক কখনোবা মৃত্যুকূপ হয়ে দাড়াচ্ছে তা আর বলার অপেক্ষা রাখেনা।কোন দলই তো আমাদের স্বার্থটাকে বড় করে দেখছেনা।যে দলই ক্ষমতায় আসুক না কেন আপনাকে আপনার কর্মেই নিয়োজিত থাকতে হচ্ছে,আপনাকে স্বর্গের আসনে তারা আসীন করতে পারবেনা।যদিও আমরা তাদের কাছে এত বড় আশা চাইনা।আমরা তো কেবল নিরাপদে বেচে থাকার নিশ্চয়তাটুকুও চাই।এবং এও জানি যে এটাও তারা দিতে পারবেনা।ঘুরে ফিরে তো উনারাই ক্ষমতার মসনাদে এসেছেন,জনগনের জন্য কে কতটুকু অন্ত্যপ্রান তা আমরা বুঝে গেছি।তবে কেন আমরা অযথাই সহিংসুতায় ঘি ঢালছি।কারো হুকুমে রাজপথে নেমে আনন্দ মিছিল করছি আবার কারো হুকুমে রাজপথে নেমে ককটেল ছুড়ছি,গাড়িতে আগুন দিচ্ছি কখনোবা রেল লাইনের স্লিপার উপড়ে ফেলছি।হাজার যাত্রী নিয়ে ট্রেন গন্তব্য যাচ্ছে আর মাঝপথে কিছু লোক রেল লাইনের স্লিপার উপড়ে ফেলে রেখেছে।এই কাজটি করার আগে এক মুহুর্তের জন্যও তারা ভাবলেন না এতগুলো যাত্রীর প্রানের কথা!একবারও মনে হয়নি এই ট্রেনটির ভেতরই তো থাকতে পারেন তার নিজের কোন আপনজন,নিজের কোন প্রিয় বন্ধু কিংবা আত্নীয়জন।জীবিকার তাগিদে রিকশার প্যাডেলে অনবরত পা ঘুরিয়ে যাওয়া রিকশা চালকটির রিকশায় আগুনে পুড়িয়ে দেয়ার আগে একটি বারও তার পরিবারের কথা ভাবা যেতনা,যে পরিবারটি কেবল তার উপার্জনের উপরই নির্ভরশীল ছিল।আর ঐ সিএনজি চালকটি’র-ই বা কি দোষ!তার বাহনটি’র-ই বা কি দোষ!দিনশেষে তাকে যে মালিকের পকেটে ছয়শ বা আটশো টাকা জমা দিতে হবে হরতাল অবরোধ যাই থাকুক।একটু বুঝিয়ে কি ঐ রিকশা চালক কিংবা সিএনজি চালককে পথ থেকে সরানো যেতনা,পুড়িয়ে দেয়াটাই কি ছিল একমাত্র সমাধান??বেপোরোয়া বাসগুলোকেতো থামাবার উপায় নেই,হরতাল,অবরোধ হলে তো আরো বেপোরোয়া হয়ে যায়,তবুও কি জানালার গ্লাসে ঢিল ছুড়া কিংবা কেরোসিন ঢেলে দিয়াশলাইয়ের কাঠি নিক্ষেপ ছাড়া কি আর কোন সমাধান নেই??মানুষের জীবন নিয়ে খেলা করে আন্দোলন সফল করার এ কেমন চেষ্টা? আন্দোলনের ভাষা এতটা কর্কশ হতে পারে!!!??? সরকারি দলের টনক নাড়তে বুঝি সাধারন জনগনের জীবন বলি দিতে হয়??জীবন বলি দিলেই যদি সরকারের টনক নড়ে,জীবন বলি দিলেই যদি আন্দোলন সফল হয়,তবে কেন,অন্যের জীবন বলি দেয়ার জন্য হন্য হয়ে রেল লাইনের স্লিপার উপড়ে ফেলছেন,বাসে,রিকশায় আগুন দিচ্ছেন;নিজের জীবন কেন নয়?প্রিয় নেতার ছবি বুকে টাঙ্গিয়ে আর দাবী লিখন পোস্টার হাতে নিজেরাই বলি হয়ে যান না!রেল লাইনের স্লিপার না তুলে সারিবদ্ধ হয়ে নিজেরাই শুয়ে থাকেন রেল লাইনে,বাসের গতি রোধ না করে নিজেরাই শুয়ে থাকেন রাজপথে।আমরা একটু প্রান ভরে দেখতে চাই দেশের জন্য আপনাদের কতটুকু টান?গনতন্ত্রকে রক্ষার জন্য আপনি কতটুকু বীর সাজতে পারেন?নিজেদের নেতাকে,দলকে খুশি করতে আপনাদের সর্বচ্চো সীমা কোথায় গিয়ে ঠুকে?পারলে নিজের নেতাকে সারির প্রথম দিকে থাকতে বলবেন,দেখি উনি কতটুকু সময় দেয় আপনাদের,ট্রেন/বাস আগমনের হর্ন শুনার আগেই উঠে যান নাকি হর্ন শুনার পর জরুরি মিটিং্যের দোহাই দিয়ে সরে পড়েন।
আলোচিত ব্লগ
দ্য ড্রাগ কিং

সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।
খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন
সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে
আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন
ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।
শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন
মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪
মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।
মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন
“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।