লেখক কামরুজ্জামান অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে> লিখতে না লিখতেই বসতে হলো বাবাকে নিয়ে লিখতে। ব্লগার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করলে হয়তো কষ্ট কমবে।
গত শনিবার বাবা অফিসের কাজে ভৈরব গেল। রাত নয়টায় ফোনে জানালো আসতে বিলম্ব হবে, আমরা যেন খেয়ে নিই। রাত ১ টায় অফিসের পিয়ন ফোন করে জানালো বাবা ভৈরব হাসপাতাল আছে আমরা যেন কেউ একজন আসি। ছোট ভাই বেরিয়ে পড়লো এবং বলল বেশি কিছু হলে জানালে আমরা সকালে যেতে। ১.৪৫ নোয়াখালী এক্সপ্রেস ট্রেন আখাউড়া থেকে ছাড়লো। ভৈরব যেতে লাগে ১ ঘন্টা। কিন্ত পথে বিলম্বের কারনে ট্রেন ভৈরব পৌঁছালো ৫ টায়। হাসপাতালে গিয়ে দেখে এক দেয়াল ঘেঁষে নিচে অজ্ঞান হয়ে পড়ে আছে বাবা। মুখে লালা ঝরছে, বমিও করেছিল। মুখ আর শার্ট ভরে আছে। জরুরী বিভাগে নার্স বসে আছে। বাবাকে কেন কোন চিকিৎসা দেওয়া হয়নি জানতে চাওয়ায় রেজিষ্টার দেখে বললো অজ্ঞাত> বেওয়ারিশ নামে কেউ একজন রেখে গেছে। ওষধ নেই। তখন ভাই আখাউড়ার এক সাংবাদিককে ফোন দিয়ে জানালো এবং বললো ভৈরবে কোন সাংবাদিককে যেন পাঠায়। নার্স নড়ে বসে জানালো স্যালাইন আছে কিন্তু লত নেই। ভাই লত এনে দিল তখন আরো কিছু ওষধ আনতে বলল। ভাই আনল। স্যালাইন শেষ হওয়ার পর বাবা চোখ খুলল। তবে বেশ দুর্বল। তারা বলল বাসায় নিয়ে যান। আস্তে আস্তে ঠিক হয়ে যাবে।
.................এদেশের প্রধানমন্ত্রীদের ডাক্তার সম্পর্কে বক্তব্য আর ............কোন এক নাটক কিংবা কৌতকে বলা >"ভাই সব আমি যদি ভোটে জিতি আপনাদের বাঁশ দেব" এক হলো কি না জানি না।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


