চেকপয়েন্ট কাওরান বাজার।
একটা চল্লিশ বাজতেই এলাকা ঘিরে বিশাল পুলিশ টহল। স্পীডমিটারে হঠাৎ কাপন দেখা দিলো। সাইইই!
-বাপরে টুপি উড়ায় নিয়া গেছে
-শশশ। এমনে বলে না। উনি বড় সাবদের লোক। লোকটার নাম রানার।
প্রযুক্তিগত উৎকর্ষ ছুয়ে গেছে মানবজীবনকে। সেকেন্ডে ৩৬০ মাইল বেগে দৌড়ে চলেছে রানার। কোর্স পরিবর্তন করে বিশাল সাদা জন্তুর জায়গায় জাকুয়ার পেছনে লেগে থাকতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
ইয়াব্বড়ো বল্লমটা, যেটা মূলত আত্নরক্ষার কাজে আসবে, তা এখন আক্রমনের হাতিয়ার।
কাচপুর ব্রিজের কাছে আসতেই দাঁড়িয়ে গেলো রানার। হাহ ঐ তো কালপ্রিটটার ছানা। সবচাইতে কুৎসিত সৃষ্টি গুলোর একটি।
আকাশে বিদ্যুৎ চমকানো শুরু করলো কোথাও। জাকুয়া আকাশের দিকে তাকালো। তাচ্ছিল্যের হাসি দিলো। রানার এদিকে আসছে। লম্বা একটা লাফ দিয়ে আরো কাছে আসলো।
-ওয়েল ওয়েল বার্তা বাহক দেখি কান্ডারির ভূমিকায়?
-তোমার ডেরায় ফিরে যাও লোহা লক্কড়। না হয় ভর্তা বানিয়ে দোবো। মিলিটারি আ্যকশনেরও দরকার হবে না।
-মিসাইল, হাইড্রোজেন যাই মারো কিচ্ছু হবে না। আমি জাকুয়া। সিন্থেটিক বায়ো টেকনোলোজিতে বানানো আমার শরীর।
-তাই? তবে এই নে!
ধাই করে একটা বাজ বল্লমটার শিখরে এনে ছুড়ে মারলো জাকুয়ার দিকে।
-হাহাহা। আমার চার্জ বেড়ে গেছে।
-আয় আরও দি।
চক্রাকারে ঘুরতে শুরু করলো রানার। জাকুয়া স্থির হয়ে গেলো। এক্সেসিভ ট্রাফিকিং লেভেলে তার স্থান পরিবর্তনে নিষেধ আছে। রানার এতো দ্রুত ঘুরছে যে তা জাকুয়ার গায়ে সেট করা চিপ বিপদজনক হিসেবে উল্লেখ করছে।
প্রোগ্রামিং শাট ডাউন করলো।
-কাজ হয়ে গেছে জাদু মশায়। বুয়েট প্রফেসর তানভীরকে সে এই নামেই ডাকে।
-অভিনন্দন পুরোনো স্বর্ণ। মাথার ডান দিকে একটা লাল বোতাম আছে। চেপে ধরুন।
যেই না হাত দিতে যাবে অমনি গোটা শরীরটা শক খেয়ে উঠলো। আচমকা হাসি পেলো। আজকে সে জাতীয় বিপর্যয় থামাবার একটা অংশ হয়ে গেছে।
ম্যাকাপ হেডকোয়ারটার এ যেতে হবে লোহালক্কড়টাকে নিয়ে। তাড়াতাড়ি ঘুমুতে হবে। কাল সকালে কপিমাস্টার আর যন্ত্রমানবের আসল পরীক্ষা যে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




