পানাভ্যাসী লোকজন শিরোনাম পড়েই নড়েচড়ে বসেছেন, মানসচোখে দেখতে পাচ্ছি। ঐ তো সুমন চৌধুরী জিভ দিয়ে শুকনো ঠোঁট ভিজিয়ে ভাবছেন, হবে নাকি আর একখান বিয়ার, ভাস গিবট এস আইগেন্টলিখ ইন ডেম লেবেন, খায়া মরি। শোহেইল মতাহির চৌধুরী ঢুলুঢুলু চোখে খিয়ান্তির বোতলের সুষমা দেখছেন, ভাবছেন আরো গিললে কিলাশ নিবো কিভাবে? আমিও ফ্রিজে রক্ষিত সিকিবোতল ভ্লাদিভারের দিকে করুণ চোখে তাকাই আর ভাবি, আমার বোতল এক চতুর্থাংশ পূর্ণ, আমি শালা আশাগ্রস্ত আশাবাদী।
যাঁরা পান করেন না, বরং পান চাবান, তারাও আগ্রহী হতে পারেন শিরোনাম দেখে। হয়তো নতুন পান মশলার সন্ধান, কিংবা সুদূর জঙ্গলে নতুন প্রজাতির মিঠা পান আবিষ্কারের সন্দেশের সন্দেহ জাগতে পারে তাঁদের মনে। কিন্তু হতাশ করবো পায়ী ও চাবায়ী, দুই গোষ্ঠীকেই।
পান, ইংরেজি পি ইউ এন, বাংলায় বলা যেতে পারে ধ্বনিক্রীড়া। শিবরাম চক্রবর্তীর ভক্তদের বিশদ করে বোঝাতে হবে না, যখন বলবো, "চা খাও আর না খাও, আমাকে তো চাখাও, আমার চা-ই চাই", কিংবা "হুড়মুড় করে ভেঙে পড়লো সিঁড়িটা?" এই প্রশ্নের জবাবে যখন উত্তর আসে, "সিঁড়ি ভেঙে তারা ওপরে উঠলো।"
পান নিয়ে এক পানান্তকর কচকচির পর যে কুপ্রস্তাব দিতে চাচ্ছি সেটি হলো, আসুন পানকে শিরোধার্য করে টুকরো গল্প লিখি। সুন্দর, ছোট কিন্তু ধারালো গল্প, যা আমাদের ভাবনার দেয়ালের বাসি চুন-পলেস্তারা খসিয়ে ছাড়ে। তবে পান থেকে চুন খসলেই বা কি, এমন তো ক্ষতিকর কিছু নয়।
আসুন পান করা যাক এই মহৎ চিন্তার উদ্দেশ্যে। প্রস্ট!
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



